এখন খবর

ধর্ষণে বাধা দেওয়ায় নাবালিকাকে পুড়িয়ে মারার অভিযোগ, অভিযুক্ত ১ নাবালক সহ আরও ১

ওয়েব ডেস্ক : ইদানীংকালে নানা জায়গায় ধর্ষণের ঘটনা বারংবার শিরোনামে উঠে এসেছে। ফের এক নাবালিকাকে হত্যার ঘটনায় স্তম্ভিত দেশবাসী। ধর্ষণের চেষ্টায় ব্যার্থ হয়ে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুনে পুড়িয়ে মারলো দুই দুষ্কৃতী। সপ্তম শ্রেনীর ওই ছাত্রী ছত্তিসগড়ের বেমেতারা জেলার বাসিন্দা। জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে বাড়ি থেকে মাত্র ২০০ মিটার দূরে একটি ক্ষেতের মধ্যে অগ্নিদ্বগ্ধ অবস্থায় কাউকে ছোটাছুটি করতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। প্রথমে বুঝতে না পারলেও কাছে যেতেই তাকে অগ্নিদ্বগ্ধ অবস্থায় দেখেন তারা। এরপর স্থানীয়দের প্রচেষ্টায় তড়িঘড়ি আগুন নেভানো হয়। ততক্ষণে তার শরীরের ৮০% পুড়ে গিয়েছিল।

এরপর স্থানীয়দের তৎপরতায় তড়িঘড়ি ওই ছাত্রীকে অম্বিকানগরের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। খবর দেওয়া হয় ওই স্কুলছাত্রীর পরিবারকে। এরপর হাসপাতালে একদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর বুধবার হাসপাতালেই মৃত্যু হয় ছোট্ট মেয়েটির। ঘটনায় পুলিশ ইতিমধ্যেই ১ জন নাবালক সহ মোট ২ জনকে গ্রেফতার করেছে।
এবিষয়ে বেমেতারা পুলিশ সুপার বিমল ব্যাস জানিয়েছেন , “অভিযুক্তদের একজনের বয়স ১৩ বছর অন্যজন ২২ বছর বয়সী। তাদের ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।”

ঘটনায় ইতিমধ্যেই পুলিশের তরফে ওই দুই অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তবে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্তরা জানিয়েছেন, ২২ জুন সোমবার অভিযুক্তরা ওই নাবালিকাকে তাঁর বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে ধর্ষণের চেষ্টা করে। কিন্তু মেয়েটির সাথে পেরে ওঠেনি ওই দুই অভিযুক্ত। অবশেষে তীব্র ক্ষোভে মেয়েটির গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয় তারা। যদিও এই মেয়েটি দুই অভিযুক্তর পূর্ব পরিচিত ছিল কিনা তা এখনো জানা যায়নি। তবে মৃত্যুর আগে ওই নাবালিকার বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে।

ঘটনায় ২ অভিযুক্তের একজন নাবালক ও অন্যজন সদ্য প্রাপ্ত বয়স্ক হয়েছে। ফলে এত ছোটো বয়সে ধর্ষণের মতো অপরাধ কিভাবে তাদের মাথায় এল সে প্রশ্নই ভাবাচ্ছে মানুষকে। পাশাপাশি, মেয়েটির গায়ে কেরোসিন তেল ঢেলে পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় মনে করা হচ্ছে ধর্ষণের পর মেয়েটির গায়ে আগুন জ্বালিয়ে প্রমাণ লোপাট করতেই কেরোসিন তেল সঙ্গে রেখেছিল তারা। তবে মেয়েটির সাথে ছেলে দুটির আগে থেকেই পরিচয় ছিল কিনা তা এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

বিজ্ঞাপন
Live Corona Update
error: Content is protected !!
Close
Close