করোনার সংক্রমণের ধাক্কা সামলাতে কালিম্পংয়ে চালু হল ৫০ শয্যার সেফ হোম, থাকবে অক্সিজেনের ব্যবস্থাও

60
Advertisement

নিউজ ডেস্ক: সারা দেশের পাশাপাশি পাহাড়েও করোনার প্রকোপ বেড়েই চলেছে। আর তাই পাহাড়ের মানুষের জন্য এবার কালিম্পং গভর্মেন্ট পলিটেকনিক কলেজে সেফ হোম বানানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। সোমবার এবিষয়ে পলিটেকনিক কলেজ পরিদর্শন করে একটি বৈঠক করা হয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন হাসপাতাল সহ পুরসভার আধিকারিকরা।পাহাড়ের পরিস্থিতি সামাল দিতেই তাঁরা এই ব্যাবস্থা নিচ্ছেন। পাশাপাশি তিস্তার ত্রিবেণী হাসপাতাল তো রয়েছেই।

Advertisement

বৈঠক শেষে কালিম্পং পুরসভার চেয়ারম্যান রবি প্রধান জানালেন, ‘কালিম্পংয়ে নিত্যদিন কমবেশী ৩০ জন করে আক্রান্ত হচ্ছেন। ধীরে ধীরে হাসপাতাল সহ নার্সিংহোম ভরে যাচ্ছে। তাই আমরা সাধারণ মানুষের স্বার্থেই পলিটেকনিক কলেজকে সেফ হোম বানাচ্ছি। আপাতত ৪০ বেড নিয়ে এই সেফ হোম শুরু হচ্ছে।তার মধ্যে ২০টি পুরুষদের জন্য আর ২০টি মহিলাদের জন্য বরাদ্দ। এছাড়াও অক্সিজেন সহকারে আরও ৫টি বেড রয়েছে।আমরা আগামীতে এখানে ৫০বেডের সেফ হোম করব। যারা পজিটিভ শুধুমাত্র তারাই এখানে চিকিৎসা পাবে। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা অবধি চিকিৎসক থাকবেন, দুজন নার্স থাকবেন।’

Advertisement
Advertisement

তিনি আরও জানান, ‘প্রতি ১০ দিন পর পরীক্ষা করানো হবে, যদি কারও করোনা রিপোর্ট নেগেটিভ আসে তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে। কালিম্পং পুরসভার অর্ন্তগত বাসিন্দা সহ কালিম্পং মহকুমার বাসিন্দারাও চিকিৎসা পাবেন এখানে। আমরা চাই যাতে কেউ বিনা চিকিৎসায় না মারা যায়।’

অন্যদিকে চিকিৎসক ডাঃ জিম্বা বলেন, ‘এখানে এটা চালু হওয়ায় অনেক সুবিধা হলো।হাসপাতালের ওপর চাপ অনেকটাই কমল।এখানেও বেশ ভালো পরিকাঠামো রয়েছে। আমাদের চিকিৎসক থাকবেন সকাল থেকে বিকেল অবধি। পানীয় জল সহ খাওয়ারের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। এই রোগ যেভাবে ছড়াচ্ছে তাতে এটা দরকার ছিল।কারণ ত্রিবেণী হাসপাতালেও চাপ পড়ে যাচ্ছিল, সেখানেও রোগীদের লাইন পড়ছে। নিত্যদিন আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে তাই সেফ হোমের প্রয়োজন ছিল। আগামীতে এধরনের আরও সেফ হোম করা যায় কিনা তা নিয়েও চিন্তাভাবনা শুরু করা হয়েছে।’