নির্বাচনের নির্ঘন্ট ঘোষণা হওয়ার পরেই মালদা থেকে উদ্ধার বিপুল পরিমাণ অস্ত্র,পুলিশের জালে এক

232
নির্বাচনের নির্ঘন্ট ঘোষণা হওয়ার পরেই মালদা থেকে উদ্ধার বিপুল পরিমাণ অস্ত্র,পুলিশের জালে এক 1

 

নির্বাচনের নির্ঘন্ট ঘোষণা হওয়ার পরেই মালদা থেকে উদ্ধার বিপুল পরিমাণ অস্ত্র,পুলিশের জালে এক 2

নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনী নির্ঘন্ট স্থির হওয়ার পরেই চাঞ্চল্য মালদায়। বিপুল পরিমাণ অস্ত্র সহ এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ।নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হতেই সক্রিয় হয়ে উঠল মালদা জেলার বৈষ্ণবনগর থানার পুলিশ। শুক্রবার ভোররাতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র সহ একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। নির্বাচনের মুখে বৈষ্ণবনগর থানার পুলিশের বড়সড় সাফল্য বলেই মনে করছে জেলা পুলিশ। ধৃতের নাম লক্ষ্মীকান্ত মণ্ডল। তার বাড়ি বেদরাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের ধুলাউড়ি গ্রামে। শনিবার দুপুরে সাত দিনের পুলিশ হেপাজত চেয়ে ধৃতকে মালদা জেলা আদালতে পেশ করা হয়।

নির্বাচনের নির্ঘন্ট ঘোষণা হওয়ার পরেই মালদা থেকে উদ্ধার বিপুল পরিমাণ অস্ত্র,পুলিশের জালে এক 3

 

এদিকে এই ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাপানউতোর শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। তৃণমূলের তরফে দাবি করা হয়েছে, লক্ষ্মীকান্ত বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতি। বিভিন্ন অবৈধ কাজের সঙ্গে সে যুক্ত রয়েছে। বিজেপি এলাকা দখল করার জন্য এইসব দুষ্কৃতিদের সাহায্য নিচ্ছে।

 

অপরদিকে, বিজেপির তরফে দাবি করা হয়, লক্ষ্মীকান্ত তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী। ভোটের দিন এলাকায় উত্তপ্ত করার জন্যই তৃণমূলের দুষ্কৃতিরা অস্ত্র মজুত করতে শুরু করেছে।

 

শুক্রবার রাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযান চালায় বেদরাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের ধুলাউড়ি গ্রামে। সেখানে লক্ষ্মীকান্তের বাড়িতে হানা দেয় পুলিশ। সেখান থেকে লক্ষ্মীকান্ত পালানোর চেষ্টা করলে তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলে পুলিশ। বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র সহ প্রচুর অস্ত্র উদ্ধার হয়। উদ্ধার হওয়া অস্ত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে তিন ফিট লম্বা একটি পাইপগান, ১২ বোরের একটি গুলি, কভার সহ একটি ভোজালি, তিন ফিট লম্বা একটি হাসুয়া ও ২১টি তির। তিরগুলিতে বিষ মাখানো থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

 

গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে ওই এলাকায় ব্যাপক গোলাগুলি, বোমাবাজির ঘটনা ঘটেছিল। নির্বাচনের দিন বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছিল। তাই এবার ওই এলাকায় বিশেষ নজর রাখতে শুরু করেছে পুলিশ।

 

বৈষ্ণবনগর থানার আইসি নিম শেরিং ভুটিয়া জানান, অস্ত্রগুলি নির্বাচনের দিন অশান্তি তৈরির জন্য ব্যবহার করা হত বলে মনে করা হচ্ছে। এলাকায় কেউ অঘটন ঘটালে বা উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করলে পুলিশ কঠোর ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবে বলে জানান তিনি।

Previous articleভোট ঘোষনার রাতেই এল সবুজসাথীর সাইকেল! নির্বাচনী বিধিভঙ্গের অভিযোগে কাঠগড়ায় সরকার
Next articleপরোপকারের নেশা! বারণ না শুনে বিদ্যুৎ লাইন সারাতে গিয়ে পুড়ে ছাই কেশপুরের বৃদ্ধ