শিলিগুড়িতে ফের খুন! এবার পর্যটনমন্ত্রীর বাসভবন এলাকায় পিসতুতো ভাইয়ের হাতে খুন যুবক

184
শিলিগুড়িতে ফের খুন! এবার পর্যটনমন্ত্রীর বাসভবন এলাকায় পিসতুতো ভাইয়ের হাতে খুন যুবক 1

নিউজ ডেস্ক: আবারও খুনের ঘটনা ঘটল শিলিগুড়িতে। এবার প্রকাশ্য রাস্তায় পিসতুতো ভাইয়ের হাতে খুন মামাতো ভাই।ঘটনায় চাঞ্চল্য শিলিগুড়ি ডাবগ্রাম শান্তিনগর নতুন ব্রিজ এলাকায়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে নিহত যুবকের নাম শঙ্কর দাস। বয়স আনুমানিক ৩২ বছর । তিনি পেশায় রাজমিস্ত্রী ছিলেন।ধৃতের নাম সুরেশ দাস।তার বয়স আনুমানিক ২১ বছর।

মৃতের ছোটো ভাই দেবাশীষ দাস জানান,বছর খানেক আগে তাদের পিসতুতো ভাই সুরেশ দাস তাকেও মারধর করেছিল পিকনিকে না নেবার জন্যে।অভিযোগ সুরেশ দাস অত্যাধিক হারে নেশাদ্রব্য সেবন করে।তারা খুনির কঠোর শাস্তির দাবী করেছেন।

শিলিগুড়িতে ফের খুন! এবার পর্যটনমন্ত্রীর বাসভবন এলাকায় পিসতুতো ভাইয়ের হাতে খুন যুবক 2

স্থানীয় সূত্রে খবর, এদিন সকালে ওই এলাকায় কোনও এক বিষয় নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে বচসা শুরু হয়। সেই সময় হঠাৎই রাগের বশে শঙ্করকে ছুরি দিয়ে আঘাত করে তাঁর ভাই সুরেশ দাস।প্রথমে তার পেটে এবং পরে গলায় ছুরি চালায় সুরেশ।বাঁচার চেষ্টায় ছোটাছুটি করলেও অবশেষে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে শঙ্কর।

ঘটনাটি স্থানীয়দের নজরে আসতেই তারা শঙ্করকে উদ্ধার করতে ছুটে আসে। আর তাঁদের আসতে দেখেই সেখান থেকে পালিয়ে যায় সুরেশ দাস। তড়িঘড়ি শঙ্করকে উদ্ধার করে শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতাল এবং সেখান থেকে উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানেই কিছু সময় পর তাঁর মৃত্যু হয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিউ জলপাইগুড়ি থানার পুলিশ খুনী সুরেশ দাসকে আটক করেছে।

এদিকে ঘটনার পর থমথমে এলাকা।কিছুদিন আগে ঠিকানা বদলে এই এলাকাতেই এসেছেন পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেব।এলাকায় এমন অপরাধমুলক ঘটনা ঘটায় তার নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।প্রকাশ্যে খুনের ঘটনায় উদ্বিগ্ন খোদ মন্ত্রীও।

এদিকে শিলিগুড়ি শহরজুড়ে বাড়ছে খুনের ঘটনা।এক সপ্তাহ আগেই ২৫ শে ফেব্রুয়ারি শিলিগুড়ির প্রধান নগরে সকালে স্থানীয়রা এক মহিলার মৃতদেহ রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখেন। তড়িঘড়ি পুলিশকে খবর দেওয়া হলে সহকারী পুলিশ কমিশনার চিন্ময় মিত্তলের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছোয়। আনা হয় পুলিশ কুকুরও। ওই মহিলার পেটে বেশ কয়েক জায়গায় ধারালো অস্ত্রের আঘাত দেখা যায়।তদন্তে নেমে পুলিশ পরের দিনই গ্রেপ্তার করে এক ব্যক্তিকে।

ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুর দিকে ফাঁসিদেওয়া থেকে উদ্ধার হয় এক ব্যক্তির মুন্ডহীন দেহ।ওই ব্যক্তি একজন ব্যবসায়ী ছিলেন। নৃশংসভাবে খুনের ঘটনা দিন প্রতিদিন বাড়ছে শহরে।নাগরিক নিরাপত্তা নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠছে।