ভাই ফোঁটা দিতে হেলমেট বিহীন সফরে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, জাতীয় সড়কে দুই শিশুকে নিয়ে মৃত্যু মহিলার, আশংকায় স্বামীও

269
Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা: আবারও হেলমেট বিহীন যাত্রার মর্মান্তিক পরিণতির স্বাক্ষী রইল ভাইফোঁটার দুপুর । স্বামীর সঙ্গে দুই শিশুকে নিয়ে বাইকে বাপের বাড়িতে ফোঁটা দিতে আসার পথে দুই শিশু সমেত মৃত্যু হল এক ২৫বছর বয়সী মহিলার। ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন স্বামীও। পুলিশ জানিয়েছে কারোরই মাথায় হেলমেট ছিলনা।

Advertisement

Advertisement
Advertisement

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার দুপুরে  পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরা থানার ৬নম্বর জাতীয় সড়কের ওপর, ধামতোড় ও লছিপুরের মাঝামাঝি।নিহত মহিলার নাম জয়ন্তী দাস অধিকারী। মৃত দুই শিশু হল ৬বছরের পলাশ ও ৪বছরের পিউ। ঘটনায় দুই পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
পুলিশ সুত্রে জানা গেছে ওই থানা এলাকারই ধামতোড় এলাকার বসিন্দা জয়ন্তী দাস অধিকারী ভাইকে ফোঁটা দেওয়ার জন্য ধামতোড় থেকে স্বামী প্রদ্যোত দাস অধিকারীর বাইকে  ছেলে পলাশ ও মেয়ে পিউকে নিয়ে মোটর বাইকে বাপের বাড়ি আসছিলেন লছিপুরে। দুটি এলাকার মধ্যে মাত্র ৮০০মিটারের দুরত্ব। জাতীয় সড়কের এক লেন থেকে অন্য লেনে পের হয়ে গ্রামের রাস্তার পথে নামতে হয়। সেই লেন পরিবর্তনের সময় মেচেদার দিক থেকে আসা একটি চারচাকা সজোরে ধাক্কা মারে চার আরোহী সমেত বাইকটিকে।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
বাইকে থাকা প্রত্যেকেই ছিটকে পড়ে কংক্রিটের রাস্তার ওপরে। প্রত্যেকেরই মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে। ওই চারচাকাটি ছিল মেদিনীপুর শহরের প্রখ্যাত চিকিৎসক গুরুপদ বেরার। পুর্ব মেদিনীপুরের নিমতৌড়িতে একটি মেডিক্যাল ক্যাম্প সেরে চিকিৎসক বেরা ফিরছিলেন। তিনি নিজেই গাড়ি চালাচ্ছিলেন বলে জানা গেছে।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
বাড়ি এবং বাপের বাড়ির কাছকাছি ঘটনাটি ঘটায় দুই পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে আসেন। আহতদের নিয়ে যাওয়া হয় ডেবরা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। সেখানে প্রথমেই মৃত বলে ঘোষনা করা হয় জয়ন্তীকে। এরপর আশংকাজনক অবস্থায় তিনজনকে নিয়ে আসা হয় মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
কিছুক্ষনের মধ্যেই সেখানেই মৃত্যু হয় পলাশ ও পিউর । খুবই আশংকাজনক অবস্থায় মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছেন প্রদ্যোত। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন কংক্রিটের রাস্তায় ছিটকে পড়ায় মাথা কার্যত থেঁতলে গেছে সবারই। পুলিশের পক্ষ থেকেও আক্ষেপ জানিয়ে বলা হয়েছে বারবার সচেতন করা স্বত্ত্বেও হেলমেট না পরার বদভ্যাসই বাড়িয়ে চলেছে পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা । পুলিশ ঘাতক গাড়িটিকে আটক করার পাশাপাশি চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করেছে।