ক্যানসারের সাথে যুদ্ধে জয়ী অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত, যমজ সন্তানদের জন্মদিনে টুইটে খুশির খবর শোনালেন মুন্না ভাই

137
ক্যানসারের সাথে যুদ্ধে জয়ী অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত, যমজ সন্তানদের জন্মদিনে টুইটে খুশির খবর শোনালেন মুন্না ভাই 1

ওয়েব ডেস্ক : ২০২০ সালের প্রথম থেকেই বলিউড জুড়ে একের পর এক দুঃসংবাদ। করোনা পরিস্থিতির মধ্যে একাধিক খারাপ খবরের মাঝে এক দারুণ খুশির খবর দিলেন অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত। যা শুনে মুন্না ভাই এর অনুরাগীদের মধ্যে খুশির হাওয়া বইবে৷ মারণ রোগ ক্যানসারের সাথে যুদ্ধে জয়ী হয়েছেন অভিনেতা। বুধবার নিজেই একথা টুইট করে জানালেন সঞ্জয় দত্ত।

করোনা পরিস্থিতির মধ্যে গত অগস্টের মাঝামাঝিতেই আচমকা শারীরিক অসুস্থতার কারিণে হাসপাতালে ভর্তি হলে প্রথমে করোনা আক্রান্ত মনে করা হলেও পরে জানা যায় তিনি স্টেজ ৪ ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত। শোনা গিয়েছিল কিছুদিনের মধ্যেই চিকিৎসার জন্য আমেরিকা পাড়ি দেবেন সঞ্জু বাবা। সেকারোনে তড়িঘড়ি দুবাই উড়ে গিয়ে দুই সন্তানের সাথে সময়ও কাটিয়ে আসেন। ফিরে এসে কোকিলাবেন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন অভিনেতা। দু-দিন আগেই শোনা গিয়েছিল চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন সঞ্জয় দত্ত। এদিকে বুধবারই সঞ্জয় দত্তের দুই যমজ সন্তান ইকরা ও শাহরানের ১০ বছরের জন্মদিন। আর এই দিনেই অনুরাগীদের উদ্দেশ্যে টুইট করে ক্যানসারের সাথে যুদ্ধে জয়ী হওয়ার খবর জানালেন মুন্না ভাই।

ক্যানসারের সাথে যুদ্ধে জয়ী অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত, যমজ সন্তানদের জন্মদিনে টুইটে খুশির খবর শোনালেন মুন্না ভাই 2

এদিন টুইটে এতদিনের কঠিন সময়ে যেভাবে অনুরাগী ও শুভাঙ্ক্ষীরা পাশে থেকেছেন ও লাগাতার অনুরাগীর জন্য প্রার্থনা করেছেন সেই জন্য এদিন সকলকে ধন্যবাদ জানান সঞ্জয় দত্ত। তিনি লেখেন- “শেষ কয়েকটা সপ্তাহ আমার এবং গোটা পরিবারের জন্য খুব কঠিন সময় ছিল। তবে যেমন কথাতেই আছে আরও কঠিন সৈনিকে পরিণত করতেই ভগবান আমাদের যুদ্ধে নামান। আজ আমার সন্তানদের জন্মদিনে আমি খুব আনন্দিত যে এই যুদ্ধে আমি জয়লাভ করতে পেরেছি এবং ওদের সেরা উপহার দিতে পেরেছি- আমার পরিবারের সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল।”

আরও পড়ুন -  ফের রাজনৈতিক মহলে করোনা থাবা, করোনায় আক্রান্ত মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র

এদিন অনুরাগীদের পাশাপাশি পরিবার ও বন্ধুদের ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি সঞ্জয় লেখেন- “আমি বিশেষভাবে ধন্যবাদ দিতে চাইব কোকিলাবেন হাসপাতালের ডঃ সেওয়ান্তি এবং তাঁর চিকিৎসক, নার্স ও গোটা মেডিক্যাল টিমকে। যাঁরা গত কয়েক সপ্তাহ ধরে আমার ভীষণরকমভাবে খেয়াল রেখেছেন। আমি সত্যি কৃতজ্ঞ এবং ধন্য।”