সুশান্তের মৃত্যুর পর রিয়ার সাথে ফোন ও এসএমএসে একাধিকবার যোগাযোগ রেখেছে মুম্বাই পুলিশের ডিসিপি, উঠছে প্রশ্ন

297

ওয়েব ডেস্ক : সুশান্ত মৃত্যুতদন্তে নেমে প্রথম থেকেই মনে করা হচ্ছে রিয়া চক্রবর্তীকে বাঁচানোর চেষ্টা করছে মুম্বই পুলিশ। রিয়ার কল লিস্ট দেখে আপাতভাবে তেমনটাই জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, মুম্বাই পুলিশের এক কর্তার সঙ্গে ফোনে একাধিকবার কথাবার্তা হয়েছে রিয়া চক্রবর্তীর। গত ২০ জুন বান্দ্রার ডিসিপি অভিষেক ত্রিমুখে প্রথম রিয়াকে এসএমএস করেন। এর ঠিক পরের দিন ২১ জুন ২৮ সেকেন্ড তাঁদের মধ্যে কথা হয়! সেই ফোন অবশ্য রিয়াই করেছিলেন। এরপর সকাল সাড়ে ১০টায় ফের ফোন আসে। এর পরে অভিষেকও রিয়াকে ফোন করেন।

আরও পড়ুন -  করোনা যুদ্ধে মাস্ক ও সামাজিক দূরত্বই একমাত্র ভরসা, মন কি বাতে মোদি

এখন প্রশ্ন হচ্ছে মুম্বাই পুলিশের একজন উচ্চপদস্থ কর্মচারী হঠাৎ রিয়া চক্রবর্তীকে এতবার ফোন করতে যাবেন কেন, তাও আবার সুশান্তের মৃত্যুর ৬ দিন পরেই? তবে কি সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর সাথে কোনো না কোনো যোগসাজশ আছে? এধরণের একাধিক প্রশ্ন সামনে আসছে। একই সাথে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠছে, সুশান্তের মৃত্যুর প্রায় ৫০ দি পরেও এখনও পর্যন্ত কোনও দিন রিয়াকে ডেকে আলাদাভাবে জেরা করেনি মুম্বই পুলিশ। কিন্তু কেন? আপাতত এই প্রশ্নই সুশান্ত তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এদিকে সূত্রের খবর, গত ২০ জুন থেকে ১৮ জুলাইয়ের মধ্যে একাধিকবার বান্দ্রার ডিসিপি অভিষেক ত্রিমুখে আর রিয়ার মধ্যে ফোনে কথা হয়। এমনকি তাঁদের মধ্যে এসএমএস বিনিময়ও হয়। কিন্তু সে খবর এতদিন প্রকাশ্যে আসেনি। এদিকে এই সময়েই রিয়া ও তার পরিবার প্রায় কয়েকবার ঠিকানা বদলেছেন। ফলে স্বাভাবিকভাবেই বোঝা যাচ্ছে যে সমস্ত বিষয়টাই জানতো মুম্বাই পুলিশ। তা সত্ত্বেও বিহার পুলিশের আধিকারিকরা মুম্বাই পৌঁছে যখন হন্যে হয়ে রিয়াকে খুঁজছেন, তখন মুম্বই পুলিশের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয় রিয়া কোথায় তারা জানে না। গোটা ঘটনায় একটাই প্রশ্ন উঠে আসছে, ঠিক কি কারণে এই ঘটনায় রিয়ার পাশে মুম্বই পুলিশ? পাশাপাশি আরও মনে করা হচ্ছে, তবে কি এই ঘটনার পিছনে কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তির হাত রয়েছে, যে কারণে রিয়াকে সাহায্য করতে বাধ্য হচ্ছেন বান্দ্রা পুলিশ? উওরের আশায় মুখিয়ে রয়েছেন দেশবাসী৷

সুশান্তের মৃত্যুর পর রিয়ার সাথে ফোন ও এসএমএসে একাধিকবার যোগাযোগ রেখেছে মুম্বাই পুলিশের ডিসিপি, উঠছে প্রশ্ন 1