ফের রাজ্যপালের টুইট খোঁচা, মুখ্যমন্ত্রীকে ‘মানবাধিকারের সবচেয়ে বড় বিপদঘণ্টা’‌ বলে কটাক্ষ

171
ফের রাজ্যপালের টুইট খোঁচা, মুখ্যমন্ত্রীকে 'মানবাধিকারের সবচেয়ে বড় বিপদঘণ্টা’‌ বলে কটাক্ষ 1

ওয়েব ডেস্ক : রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধানের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সাথে একেবারে আদায় কাচকলায় সম্পর্ক রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ের। প্রায় প্রতিদিনই রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে নানা ইস্যুতে টুইট করেন রাজ্যপাল। সোমবারও তাঁর অন্যথা হলনা। শনিবারের পর সোমবার ফের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন পশ্চিমবঙ্গ সরকার ও রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক মন্তব্য করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। মুর্শিদাবাদ থেকে ৬ জন আল কায়দা জঙ্গি এনআইএ-র জালে ধরা পরার পর শনিবারই টুইটে রাজ্য সরকারকে ‘‌বেআইনি বোমা তৈরির কারখানা’‌ বলে কটাক্ষ করেছিলেন রাজ্যপাল। এর ৪৮ ঘন্টা কাটতে না কাটতেই শনিবার ফের রাজ্য পুলিশ ও প্রশাসনিক কর্তাদের এক হাত নিলেন রাজ্যপাল। রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের দাবি, পুলিশ শাসকদলের কথা মতো কাজ করে দিন দিন সরিসৃপে পরিণত হচ্ছে।

আরও পড়ুন -  দাসপুর করোনা আক্রান্তের ছয় ঘনিষ্ট চিহ্নিত, পাঠানো হল কোয়ারেন্টাইনে, করোনা মোকাবিলায় স্বেচ্ছাসেবক আহ্বান পুলিশের

কিছুদিন আগেই রাজ্য পুলিশের ডিজি কে কটাক্ষ করে টুইট করেছিলেন রাজ্যপাল। সোমবার ফের তিনি টুইটে ডিজির উদ্দেশ্যে বললেন, “‌রাজ্য পুলিশের ডিজি উটপাখির মতো বালিতে মাথা গুঁজে আছেন। শোচনীয় আইন–শৃঙ্খলা নিয়ে তাঁর ডোন্ট কেয়ার ভাব দেখে আমি হতবাক।” তবে শুধুমাত্র ডিজিকে ডিজিকে তুলোধুনো করেই থেমে থাকলেন না জগদীপ ধনখড়। একই সাথে‌ এদিন তিনি পশ্চিমবঙ্গকে ‘‌জঙ্গি, অপরাধী, বেআইনি বোমা তৈরির স্বর্গোদ্যান’‌ বলেও কটাক্ষ করেছেন। একই সাথে এদিন রাজ্যপাল পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, শাসকদলের নির্দেশে পুলিশ শুধুমাত্র বেছে বেছে বিরোধী দলের সাংসদ, বিধায়ক এবং দলীয় কর্মীদের ওপর আক্রমণ করছে পুলিশ।

ফের রাজ্যপালের টুইট খোঁচা, মুখ্যমন্ত্রীকে 'মানবাধিকারের সবচেয়ে বড় বিপদঘণ্টা’‌ বলে কটাক্ষ 2

তবে শুধুমাত্র রাজ্য পুলিশের ডিজিকে কটাক্ষ করেই ক্ষান্ত থাকেননি রাজ্যপাল। এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধায়কে এদিন রাজ্যপাল ‘‌মানবাধিকারের সবচেয়ে বড় বিপদঘণ্টা’‌ বলেও কটাক্ষ করে। একই সাথে তিনি অভিযোগ করে লেখেন, ‘‌এমনকী সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার সময় এক–চোখো হয়ে বিশেষ শ্রেণির ওপর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে রাজ্যে। অন্য অংশকে রক্ষা করার এই ঘটনা গ্রহণযোগ্য নয়।’‌