বৈশালীকে বাদ দিয়েই সভা! পিকের বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন বালির বিধায়ক

450
বৈশালীকে বাদ দিয়েই সভা! পিকের বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন বালির বিধায়ক 1

নিউজ ডেস্ক: নির্বাচন যত কাছে আসছে ততই কোন্দলের ফাটল বড় হচ্ছে শাসকদলের অন্দরে। দলের বিরুদ্ধে বিদ্রোহে ফেটে পড়তে দেখা যাচ্ছে নেতা কর্মী থেকে সাংসদ বিধায়কদের। এবার সেই তালিকায় নাম উঠল বালির বিধায়ক বৈশালী ডালমিয়ার। তাঁকে বাদ দিয়েই তাঁর বিধানসভা এলাকায় দলের সাংগঠনিক বৈঠক আহ্বান করায় দলের ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোরের বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন তিনি। শুধু তাই নয় বিধায়ক ছাড়া বৈঠক ডাকায় পিকে টিমের সামনে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠী জড়িয়ে পড়ে বিবাদে।হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন দুই পক্ষ।

ঘটনার সূত্রপাত বুধবার। এদিন দলের ১৬ জন প্রাক্তন কাউন্সিলরের সঙ্গে বেলুড়ের অগ্রসেন ভবনে বঙ্গজননী কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করছিল টিম পিকে।বৈঠক শেষের পর বালির তৃণমুল কংগ্রেসের প্রাক্তন মহিলা সভাপতি বিজয়লক্ষ্মী রাও সেখানে যান।কেন বৈশালী ডালমিয়া বাদে এই সভার আয়োজন হল,প্রশ্ন তোলেন তিনি।প্রথমে কথা কাটাকাটি তারপর পিকে টিমের সামনে হাতাহাতিতে জড়ায় দুই পক্ষ। বিজয়লক্ষ্মী রাও-এর অভিযোগ,তাকে হেনস্তা করা হয়েছে।

বৈশালীকে বাদ দিয়েই সভা! পিকের বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন বালির বিধায়ক 2

স্থানীয় তৃণমুল নেতৃত্ব বিষয়টি অস্বীকার করেছে।বিজয়লক্ষ্মীকে দল থেকে বহিষ্কারের দাবি তুলেছেন তারা। বিধায়ক বৈশালী ডালমিয়া ঘটনা প্রসঙ্গে জানান,তিনি অবাক হয়েছেন।টিম পিকে দলের ভালো চাইছে নাকি অন্তর্দ্বন্দ্ব চাইছে তা তার কাছে স্পষ্ট নয়। দিন কয়েক আগে বালিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি দেওয়া পোষ্টার ঘিরে তরজা শুরু হয়।সেখানে বিধানসভা নির্বাচনে বাইরের থেকে প্রার্থী না দেওয়ার বিষয়ে আর্জি জানানো হয়।যদিও তাতে কারও নাম ছিলনা।বাংলা সহ অনান্য ভাষায় লেখা ওই পোষ্টার বালির বিধায়ককে উদ্দেশ্য করেই বলে দাবি একাংশের।

বৈশালী ডালমিয়া কলকাতাবাসী।তার কাজে খুশি নন দলের স্থানীয় কর্মীরা। অনেকেই এবার দাবি করেছেন কলকাতা থেকে প্রার্থী না করে বালি এলাকার প্রার্থী দেওয়ার জন্য। কেউ কেউ তাঁকে বহিরাগত বলে কটাক্ষ করেন। এরপরই সুর চড়িয়েছিলেন বিধায়ক।তিনি বলেন প্রধানমন্ত্রীকে বহিরাগত বলা হলে,তিনিও  বা কেন বাদ যাবেন। হঠাৎ করে প্রধানমন্ত্রী প্রসঙ্গ তুলে আনা এবং দলের, বিশেষ করে খোদ মমতা ব্যানার্জীরই উত্থাপন করা এই বহিরাগত তত্ত্বকে বৈশালীর কটাক্ষে অন্য রসায়ন খুঁজে পাচ্ছেন রাজনীতিবিদরা।