Homeএখন খবরবাড়ি ফেরা হলনা পরিযায়ীর,৭০ কিলোমিটার দুরে কেশপুরে দুর্ঘটনায় মৃত বাঁকুড়ার করিম

বাড়ি ফেরা হলনা পরিযায়ীর,৭০ কিলোমিটার দুরে কেশপুরে দুর্ঘটনায় মৃত বাঁকুড়ার করিম

নিজস্ব সংবাদদাতা: লকডাউনের অভিশাপ কাটিয়ে বাড়ির পথে রওনা দিয়েও মাত্র ৭০ কিলোমিটার আগেই থমকে গেল বাড়ি ফেরার পথ। পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুর থানা এলাকায় একটি মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় প্রান হারালেন
বাঁকুড়ার এক পরিযায়ী শ্রমিক  আব্দুল করিম খান।

বাঁকুড়ার পিয়ারডোবার বাসিন্দা আব্দুল তাঁর আরও কয়েকজন সঙ্গীর সঙ্গে ফিরছিলেন চেন্নাই থেকে। শনিবার সকালে কেশপুর কলেজের কাছে লড়ির সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে শ্রমিক বোঝাই মারুতি। গুরুতর আহত অবস্থায় মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় ৬ পরিযায়ী শ্রমিককে। শনিবার সন্ধ্যায় মৃত্যু হয় ২০ বছরের আব্দুল করিম খানের।

শনিবারই খড়গপুরে শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনে এসে পৌঁছান করিম এবং তাঁর সঙ্গীরা। চেন্নাইতে বিভিন্ন ইমারতের রঙের কাজের জন্য ঠিকাদারের অধীনে নিযুক্ত ছিলেন। লক্ষ লক্ষ শ্রমিকের মতই দীর্ঘদিন লকডাউনের অভিশাপ নেমে আসে তাঁদের জীবনেও। ২ মাস আটকে থাকার পর শনিবারই ট্রেনে করে খড়্গপুরে পৌঁছে তারা। এরপর এক মারুতি ভাড়া করে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিলে কেশপুরের কাছে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে তাদের গাড়ি। একটি বালি বোঝাই গাড়ির সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর আহত হন সামনে বসে থাকা করিম। উদ্ধার কার্য শুরু করেন স্থানীয় গ্রামবাসীরা। পুলিশ দ্রুত তাঁদের মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসে। চিকিৎসাও শুরু হয় জরুরি ভিত্তিতে কিন্তু শেষ রক্ষা হলনা।

খবর পেয়েই তালডাংরা থানা এলাকার গ্রাম থেকে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পৌঁছেছে মৃত পরিযায়ী ছুটে আসেন করিমের বাবা সমিরুদ্দিন খান। কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। ঘটনাকে দুর্ভাগ্যজনক আখ্যা দিয়ে জেলা পুলিশ সুপার দিনেশ কুমার বলেন, “অত্যন্ত দ্রুত গতিতে গাড়ি ছোটানোর ফলেই এই দুর্ঘটনা। মৃত পরিযায়ী শ্রমিকের দেহ বাড়ি পাঠানোর উদ্যোগ নিচ্ছে পুলিশ। ময়নাদন্তের পরই পুলিশ মৃতদেহ বাঁকুড়ায় পৌঁছানোর ব্যবস্থা করবে।”

RELATED ARTICLES

Most Popular