রাজ্যে মমতা পেনাল কোড চলছে! তাঁরই বপন করা সাম্প্রদয়িকতার বিষের শিকার তাঁরই দলের সাংসদ, কটাক্ষ ভারতী ঘোষের

385
রাজ্যে মমতা পেনাল কোড চলছে! তাঁরই বপন করা সাম্প্রদয়িকতার বিষের শিকার তাঁরই দলের সাংসদ, কটাক্ষ ভারতী ঘোষের 1

রাজ্যে মমতা পেনাল কোড চলছে! তাঁরই বপন করা সাম্প্রদয়িকতার বিষের শিকার তাঁরই দলের সাংসদ, কটাক্ষ ভারতী ঘোষের 2নিজস্ব সংবাদদাতা: “সারাদেশে ইন্ডিয়ান পেনাল কোড (Indian penal code),ভারতীয় দণ্ডবিধি ১৮৬০ চলে, সেই অনুযায়ী দেশের আইন ব্যবস্থা পরিচালিত হয়, দোষীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয় কিন্তু ব্যতিক্রম পশ্চিম বাংলা, এখানে ২০১১ সাল থেকে চালু হয়েছে মমতা পেনাল কোড-২০১১। সেই পেনাল কোড অনুযায়ী অপরাধীরা শাস্তি পায়না, অন্যায়ের বিচার হয়না। এখানে নিরাপরাধীরা শাস্তি পায় আর বিরোধী নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে পুলিশ লেলিয়ে দেওয়া হয়।”

বর্ধমানের রায়নাতে রাজ্য বিজেপি যুবমোর্চার সভাপতি সৌমিত্র খাঁ আহুত এক জনসভায় হাজির হয়ে মমতা ব্যানার্জী তথা তৃনমূল সরকারকে এমনই ভাবে বিঁধলেন বিজেপি রাজ্য নেত্রী ভারতী ঘোষ। কী সেই ‘মমতা পেনাল কোড-২০১১’ সেই প্রসঙ্গে সুকুমার রায়ের একটি ছড়ার প্যারোডি করেও শোনালেন প্রাক্তন এই দুঁদে IPS অফিসার।

রাজ্যে মমতা পেনাল কোড চলছে! তাঁরই বপন করা সাম্প্রদয়িকতার বিষের শিকার তাঁরই দলের সাংসদ, কটাক্ষ ভারতী ঘোষের 3

‘মমতা পেনাল কোড ২০১১’ দ্বারা কিভাবে ‘হীরক রানীর’ রাজত্ব চলছে তা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে প্রাক্তন পুলিশ সুপার চার লাইনের ছড়া আউড়ে বলেছেন, ” হীরকরানীর এমন দেশে, আইন কানুন সর্বনেশে। বিরোধীরা যেদিকেই যায়, এদিক ওদিক ডাইনে বাঁয়, রানীর কাছে খবর ছোটে, পল্টনেরা লাফিয়ে ওঠে। দারুন রোদে ঘামিয়ে তায়, একুশ হাতা জল ছেটায়।” বাস্তবিকই সুকুমার রায়ের একুশে আইন আর ২০২১ য়ের আগামী নির্বাচন মিলেমিশে একাকার হয়ে যাওয়া কবিতা শোনার পরই করতালিতে ফেটে পড়েন বিজেপি সমর্থকেরা।রাজ্যে মমতা পেনাল কোড চলছে! তাঁরই বপন করা সাম্প্রদয়িকতার বিষের শিকার তাঁরই দলের সাংসদ, কটাক্ষ ভারতী ঘোষের 4

আরও পড়ুন -  দীর্ঘদিন হাসপাতালে থাকায় প্রভাব পড়ছে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের শরীরে, দাবি অভিনেতার চিকিৎসকের

আসলে শুরু থেকেই ভারতী ঘোষের এই বক্তৃতার সুর বেঁধে দিয়েছিলেন সাংবাদিকরাই। মঞ্চে ওঠার আগে সাংবাদিকরা তাঁকে প্রশ্ন করেছিলেন তৃনমূল সাংসদ নুসরাত জাহানকে ধর্ষণ ও প্রাননাশের হুমকি সম্পর্কে। নুসরাত দুর্গা সেজে একটি ছবি পোষ্ট করার পরই এই হুমকি পান একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের কাছ থেকে। ঘোষ বলেন, ‘এটা একটা ভয়ঙ্কর অপরাধ। যাঁরা করেছে তাঁদের সাজা হওয়া দরকার। পাশাপাশি তিনি প্রশ্ন তোলেন, কিন্তু সাজা হবে কী? এটা যারা করতে সাহস পেয়েছে তারা তা পেয়েছে মূখ্যমন্ত্রীরই বপন করা সাম্প্রদায়িকতার জন্য।

আরও পড়ুন -  খড়গপুরের হাত ধরেই রেড জোনে ঢুকে গেল পশ্চিম মেদিনীপুর, রাজ্যে রেড জোন ৪ থেকে বেড়ে ১০

মঞ্চে সেই একই প্রশ্ন তুলে ঘোষ বলেন, “যারা এ কাজ করেছে তারা আপনারই দলের লোক। আপনি তাদের চিহ্নিত করে শাস্তি দিন নতুবা এর আরও মাশুল দিতে হবে।’ এরপরই তাঁর সংযোজন, আসলে এখানে দোষীর সাজা হয়না। উর্দিধারী পুলিশদের আর তৃনমূলের নেতা কর্মীদের দিয়ে এখানে যৌথ সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করা হয়েছে।” উল্লেখ্য আগামী ৮ অক্টোবর নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছে ভারতীয় যুব মোর্চা তাঁরই প্রস্তুতি সভায় বিজেপির নবনির্বাচিত সর্বভারতীয় সহসভাপতি মুকুল রায় ও পর্যবেক্ষক কৈলাশ বিজয় বর্গীয়র সাথে আমন্ত্রিত ছিলেন ভারতী ঘোষ।