শিলিগুড়ির নকশালবাড়িতে সন্দেহজনক ভাবে উদ্ধার হল লুপ্তপ্রায় বার্কিং ডিয়ার

302
শিলিগুড়ির নকশালবাড়িতে সন্দেহজনক ভাবে উদ্ধার হল লুপ্তপ্রায় বার্কিং ডিয়ার 1

নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়ি : লুপ্তপ্রায় জীব। বার্কিং ডিয়ার বা মায়া হরিণ। জঙ্গল ছেড়ে কিভাবে লোকালয়ে বেরিয়ে এল তাই নিয়ে কপালে চিন্তার ভাঁজ  বনাধিকারিকদের। আপাততঃ উদ্ধার করে নিয়ে গেলেন বনকর্মীরা। চিকিৎসার পর সুস্থ হলে জঙ্গলে ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু হবে।

রবিবার, ছুটির সকালে শিলিগুড়ি মহকুমার নকশালবাড়ি দেশবন্ধুপাড়ায় আহত অবস্থায় উদ্ধার হল একটি পূর্ণবয়স্ক হরিণ। শহরের বুকে এই প্রথম এমন ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। হরিণের মুখ ও চোখ থেকে রক্ত দেখতে পান স্থানীয়রা। তাঁরা পরে টুকরিয়া বনবিভাগকে খবর দেন। বনকর্মীরা এসে আহত হরিণটিকে উদ্ধার করে।

শিলিগুড়ির নকশালবাড়িতে সন্দেহজনক ভাবে উদ্ধার হল লুপ্তপ্রায় বার্কিং ডিয়ার 2

স্থানীয় শিশির মণ্ডল বলেন, ‘ এদিন দুপুরে স্থানীয় ছেলেরা খেলতে গিয়ে হরিণটিকে দেখে। রক্তাক্ত অবস্থায় দেখে সবাই ভিড় জমায়। এর আগে কখনও লোকালয়ে বন্যপ্রাণী আসেনি। ব্যাপারটা অত্যন্ত সন্দেহজনক। হয়তো কোনও চক্রান্ত হচ্ছে। আমরা সঙ্গে সঙ্গে বন্যপ্রাণ বিভাগে খবর দি।’ কিন্তু কীভাবে হরিণটি আসল, তা খতিয়ে দেখছে বন্যপ্রাণ বিভাগের কর্মীরা।

বনাধিকারিকদের কথায় তুলনামূলকভাবে বার্কিং প্রজাতির হরিণ এখন লুপ্তপ্রায়। এরা ঘেউ ঘেউ আওয়াজ করে বলে এদের বার্কিং ডিয়ার বলা হয়। টুকুরিয়া রেঞ্জের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, গ্রামবাসীরা বন্য জীবটির খবর দিয়ে দারুন কাজ করেছেন। হতে পারে এটি কুকুরের দলের পাল্লায় পড়েছিল। হয়ত তাদের হাত থেকে বাঁচতেই লোকালয়ে ঢুকে পড়ে। অন্যদিকে এর পেছনে পোচার বা চোরা শিকারিরা আছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।