রূপচর্চা হোক গোলাপ দিয়ে

81
রূপচর্চা হোক গোলাপ দিয়ে 1

নিউজ ডেস্ক: গোলাপ ফুল আমাদের সকলেরই পছন্দের। এর রূপ, গন্ধ আমাদের বিভোর করে রাখে। তাই তো ভালোবাসা প্রকাশের জন্য কাছের মানুষটিকে গোলাপ ফুল উপহার দেওয়ারও চল রয়েছে। এছাড়াও কাউকে কোনও অনুষ্ঠানে উপহার স্বরূপ গোলাপ ফুলের তোড়াও প্রদান করা হয়। কিন্তু গোলাপ ফুল যে আমাদের রূপ চর্চায় কতটা কার্যকরী ভূমিকা রাখে, জানলে অবাক হয়ে যাবেন আপনিও। কেবল তাজা গোলাপ নয়, ঝড়ে যাওয়া গোলাপের পাপাড়ি দিয়েও আপনি নিজেকে সুন্দর করে তুলতে পারবেন। জেনে নিন গোলাপের পাপড়ি কী কী কাজ করে আর কীভাবে তা ব্যবহার করবেন-

সানস্ক্রিন হিসেবে
গোলাপের পাপড়ি প্রাকৃতিক সানস্ক্রিন হিসেবে কাজ করে। বাইরের কড়া রোদে বের হওয়ার আগে গোলাপের পাপড়ির রস, গ্লিসারিন ও শসার রস মিশিয়ে ত্বকে লাগিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি ব্যবহার করে ত্বক রোদে পোড়ার থেকে অনেকটাই রক্ষা পাবেন।

রূপচর্চা হোক গোলাপ দিয়ে 2

চোখের নিচের কালচে ভাব দূর করে
গোলাপের পাপড়ি চোখের নিচের কালচে ভাব দূর করে দেয়। গোলাপের পাপড়ি জল দিয়ে সেদ্ধ করে রেখে দিন। এরপর সেটা ঠান্ডা করে নিন। এরপর একটি তুলো গোলাপের জলে ভিজিয়ে বন্ধ করা চোখের ওপর দিয়ে ১৫ মিনিট চোখ বন্ধ করে রাখুন। এভাবে প্রতিদিন ব্যবহার করলে চোখের নিচের কালচে ভাব দূর হয়ে যাবে।

ত্বক উজ্জ্বল করতে
২ থেকে ৩ চামচ গোলাপ ফুলের পাপড়ি বাটা , ১চামচ লেবুর রস, ১চামচ চন্দন গুঁড়ো , এক চিমটি হলুদ গুঁড়ো দিয়ে প্যাক বানাতে হবে। প্রথমে গোলাপের কিছু পাপড়ি নিয়ে বেটে নিন।তারপর এতে বাকি উপকরণগুলো মেশান। এবার এই মিশ্রণটি মুখে লাগান। গলাতেও লাগাতে পারেন। ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপর ধুয়ে ফেলুন ঠাণ্ডা জলে। সপ্তাহে তিনদিন ব্যবহার করুন। ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে অসাধারণ কাজ করে এই প্যাক। চন্দন ও গোলাপের পাপড়ি ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে তো সাহায্য করেই, তার সাথে লেবুর রস ত্বকের যে কোন দাগ দূর করতে সক্ষম। এছাড়া লেবুর রসও ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে বেশ উপকারী।

ব্রণ দূর করার জন্য
যাদের অতিরিক্ত ব্রণের সমস্যা আছে তাঁরা গোলাপের পাপড়ি ব্যবহার করতে পারেন। গোলাপের পাপড়ি ব্রণ দূর করতে সহায়ক। ব্রণের উপরে গোলাপের পাপড়ি বেটে লাগিয়ে রাখতে পারেন। গোলাপের পাপড়ির অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান ব্রণকে ছোট করে দেয় এবং এর লালচে ভাব কমিয়ে আনে।

তবে মনে রাখবেন, সবটাই সময় সাপেক্ষ। একবার ব্যবহার করেই ভালো ফলের আশা করা বৃথা।