অবরোধকে ঘিরে বিভাজন আদিবাসী সংগঠনেই, রাজ্যের বিজ্ঞপ্তি স্বত্তেও কেন অবরোধ প্রশ্ন সমাজেই

226
অবরোধকে ঘিরে বিভাজন আদিবাসী সংগঠনেই, রাজ্যের বিজ্ঞপ্তি  স্বত্তেও কেন অবরোধ প্রশ্ন সমাজেই 1
অবরোধকে ঘিরে বিভাজন আদিবাসী সংগঠনেই, রাজ্যের বিজ্ঞপ্তি  স্বত্তেও কেন অবরোধ প্রশ্ন সমাজেই 2
                 অবরোধকে ঘিরে বিভাজন আদিবাসী সংগঠনেই, রাজ্যের বিজ্ঞপ্তি  স্বত্তেও কেন অবরোধ প্রশ্ন সমাজেই 3
নিজস্ব সংবাদদাতা: সপ্তাহের শুরুতেই আদিবাসী জনজাতির সংগঠনের শুরু হওয়া অবরোধে নাকাল হল ঝাড়গ্রাম জেলাবাসী। সাঁওতালি ভাষা ও অলিচিকি হরফে ডিএলড (শিক্ষণ প্রশিক্ষন কেন্দ্র )চালু করার দাবিতে জেলার সাতটি জায়গায় রাজ্য সড়ক অবরোধে সামিল হন ভারত জাকাত মাঝি পরগনা মহলের অন্তর্ভুক্ত ঝাড়গ্রাম জেলার কয়েকটি তল্লাট বা শাখার একাংশের সদস্যরা।
               অবরোধকে ঘিরে বিভাজন আদিবাসী সংগঠনেই, রাজ্যের বিজ্ঞপ্তি  স্বত্তেও কেন অবরোধ প্রশ্ন সমাজেই 4
  সোমবার সকাল থেকেই শিলদা,ঝাড়গ্রামের পাঁচমাথার মোড় , পড়িহাটি মোড় ,ধেড়ুয়া রুটে শাল চাতরি,কুলটিকরি,হাতিবাড়ি মোড়,তপসিয়া,খড়িকামাথানি ইত্যাদি জায়গায় অবরোধ শুরু হওয়ায় জনজীবন প্রায় অচল। যানবাহন সম্পুর্ন স্তব্ধ হয়ে পড়েছে।

অবরোধকে ঘিরে বিভাজন আদিবাসী সংগঠনেই, রাজ্যের বিজ্ঞপ্তি  স্বত্তেও কেন অবরোধ প্রশ্ন সমাজেই 5

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
সংগঠনের উপদেষ্টা শিবশঙ্কর সরেন বলেন, ‘রাজ্য সরকারের কাছে আমরা নির্দিষ্ট দু’টি দাবি রাখছি। এক, ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষ থেকে সাঁওতালি মাধ্যমে ডিএলএড টিচার ট্রেনিং চালু করতে হবে। দুই, ঝাড়গ্রামে সাঁওতালি মাধ্যমে ট্রেনিং চালু নিয়ে দুটি নোটিফিকেশনের বদলে সঠিক একটি নোটিফিকেশন জারি করতে হবে। আমাদের এই দু’টি দাবি রাজ্য সরকার মেনে নিলেই পথ অবরোধ তুলে নেব।’

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
এই দাবির যৌক্তিকতা ও অবরোধের প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে সংগঠনের অন্দরেই। সংগঠনের অন্দরে থাকা এই অবরোধ আন্দোলনের বিরোধিদের অভিযোগ শুধুমাত্র পরগনামহলের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব নিত্যানন্দ হেম্বরম, জেলা নেতৃত্ব ও জেলার তৃনমূল সভাপতি বীরবাহা সরেন টুডু এবং রাজ্য সরকারকে অপদস্থ করার জন্যই ঝাড়গ্রাম সাংসদ ও বিজেপি নেতা কুনার হেম্বরমের পরামর্শ মত এই অবরোধ করা হচ্ছে যার কোনও যৌক্তিকতা নেই। সংগঠনের অবরোধ বিরোধি অংশ জানান বর্তমান সরকার ইতিমধ্যেই ঝাড়গ্রাম জেলার রামগড়ে শিক্ষণ প্রশিক্ষন কেন্দ্রের ক্যাম্পাস গড়ে তুলেছেন। ২০২০-২১শিক্ষা বর্ষে সেখানে পঠন পাঠন ও প্রশিক্ষন দেওয়া শুরু হবে বলে ১৫ই নভেম্বর সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তি জারি হয়ে গেছে । তারপরেও এই আন্দোলন কেন?

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
এই আন্দোলন প্রত্যাহার করার
আন্দোলনকারীদের দাবি ২০১৯-২০সালেই পঠন পাঠন চালু করতে হবে কিন্ত এই দাবিকেও যুক্তিহীন বলে দাবি করেছেন বিভাজিত সদস্যরা। তাঁদের মতে পুরোপুরি অলিচিকিতে পড়াশুনা করা উচ্চমাধ্যমিকে পাঠরত ছেলে মেয়েরা পাশ করে বের হবে ২০২০সালে। যেখানে প্রশিক্ষন নেওয়ার যোগ্য পড়ুয়াই  ২০১৯সালে পাওয় সম্ভব নয় তখন ওই সময়ে শিক্ষাবর্ষ চালুর যৌক্তিকতা কোথায়?

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
আন্দোলন প্রত্যাহারের জন্য রবিবার অবিভক্ত মেদিনীপুর কমিটির তরফে মেদিনীপুর শহরে বসে আন্দোলনে অনড় নেতাদের নিয়ে রাজ্য কমিটির নেতৃত্বে আলোচনাতেও বসা হয় কিন্ত শেষ অবধি ফেরানো যায়নি পালহান সরেন, শিবশংকর সরেন ও সূর্যকান্ত মুরমুদের। রাজ্য কমিটির পক্ষে রবীন্দ্রনাথ মুরমু সহ বিভিন্ন নেতাদের অনুরোধ ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
এদিকে অবরোধের ফলে চূড়ান্ত হয়রানির শিকার হচ্ছেন মানুষ।  গাড়ি না চলায় অবরোধের জেরে দীর্ঘ পথ পায়ে হেঁটে স্কুলে যেতে হয় পড়ুয়াদের। অবরোধে রেহাই মেলেনি প্রতিবন্ধী এক স্কুলছাত্রীকেও। তাকেও পায়ে হেঁটে স্কুলে পৌঁছতে হয়। অবরোধের জেরে চরম ভোগান্তিতে জঙ্গলমহলের আমজনতা।