লালগড়ে ৪০হাতির হানা, বিঘার পর বিঘা ফসল হাতির পেটে, বিক্ষোভ কৃষকদের

233
লালগড়ে ৪০হাতির হানা,  বিঘার পর বিঘা ফসল হাতির পেটে, বিক্ষোভ কৃষকদের 1
লালগড়ে ৪০হাতির হানা,  বিঘার পর বিঘা ফসল হাতির পেটে, বিক্ষোভ কৃষকদের 2
লালগড়ে ৪০হাতির হানা,  বিঘার পর বিঘা ফসল হাতির পেটে, বিক্ষোভ কৃষকদের 3

নিজস্ব সংবাদদাতা: ঝাড়গ্রাম জেলার লালগড়ে গত তিনধরে ৪০টি হাতির একটি পালের তান্ডবে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন সংশ্লিষ্ট এলাকার কৃষিজীবী পরিবারগুলি । লালগড়ের জিরাপাড়া মৌজায় ওই   দলমার হাতিদের তাণ্ডবে তছনছ আলু সবজি সরসে আখের ক্ষেত। কৃষকদের আভিযোগ সব কিছু জেনেও  বন দপ্তর নির্বিকার।

লালগড়ে ৪০হাতির হানা,  বিঘার পর বিঘা ফসল হাতির পেটে, বিক্ষোভ কৃষকদের 4

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
প্রতিকার সহ ক্ষতিপূরণ চেয়ে জিরাপাড়াতে সড়ক রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভে সামিল হোন এলাকার কৃষকরা। ঘটনাস্থলে বনদপ্তরের কর্মীরা এলে ক্ষতিগ্রস্ত চাষের জমিতে নিয়ে গিয়ে সেই দৃশ্য দেখিয়ে কৃষকরা বিক্ষোভ দেখায়। অবিলম্বে এলাকা থেকে হাতির দলকে সরানোর ব্যাবস্থা এবং বিঘাপ্রতি ৩০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরনের দাবী জানায় স্থানীয় কৃষকরা।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
স্থানীয় সন্দীপ সামন্ত বলেন তিনি সাড়ে চারবিঘা জমিতে  চট জলদি আলুর চাষ করেছিলেন। আর কয়েকদিনের মধ্যেই আলু মাঠ থেকে তুলতেন। শেষ মুহুর্তে এমন হাতির তান্ডবে তার তিন বিঘা আলু জমির পুরোটাই হাতির দল খেয়ে নিয়েছে।  অপর এক চাষী প্রতীত সামন্ত বলেন তার আড়াই বিঘা জমির বাঁধা কপি ও ফুল কপি পুরোটাই হাতির পাল সাবাড় করেছে। সুশীল মাহাত বলেন তিনি বিঘাপ্রতি ৮ হাজার টাকা ফুরানে অগ্রিম দিয়ে হাড়াই বিঘা পরের জমি এবং নিজের ১৮ কাঠা জমিতে আলু চাষ করে আজ সর্বশান্ত।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
তার চাষ জমি থেকে এক ছটাকও ফসল ঘরে আসার মতো কিছু নেই। উত্তম মাহাত বলেন তার তিন বিঘা সরসে জমির ফসল কিছুটা বাদ দিলে বাকী পুরোটাই হাতির পেটে গেছে।  গত তিনদিনে এই জিরা পাড়া মৌজায় দেড়শ বিঘা মতো জমির ফসল খেয়েছে হাতির দল। আলু কপি সরসে সহ আখ এমন জমির ফসল খেয়ে এবং হাতির দলের পায়ের চাপে প্রভূত ক্ষতি হয়েছে।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
কৃষকদের আভিযোগ হাতি আগমন জানতে পেরে প্রথমদিনই বন দপ্তরকে ক্ষতিগ্রস্ত চাষীরা বিট দপ্তরে গিয়ে এমন ঘটনা জানিয়ে ব্যাবস্থা গ্রহনের দাবী জানিয়েছিল। সেই হাতি তাড়ানোর ব্যাবস্থা বনদপ্তর বা সরকার না করায় গত তিন দিনে কৃষকদের ফসলের এমন ক্ষতির কারনে সর্বশান্ত হতে হলো। ক্ষতিপূরণ ও হাতি তাড়ানোর দাবী নিয়ে পথ অবরোধ করলে বনদপ্তরের  কর্মীরা ঘটনাস্থলে আসেন। ক্ষতিপূরনের আশ্বাস পাওয়ায় পথ অবরোধ তুলে নেয় স্থানীয় মানুষরা।