প্রয়াগের বিতর্কিত জায়গায় শ্যুটিং করবেন ব্রাত্য ? আশায় স্থানীয়রা, জল্পনাও তুঙ্গে

423
Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা: পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা রোড সংলগ্ন ডুকি এলাকার এক সময়কার বিখ্যাত প্রয়াগ ফিল্ম সিটিতে তাঁর একটি চলচ্চিত্রের কিছু দৃশ্যের শ্যুটিং করতে চলেছেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা বিশিষ্ট নাট্যকার ব্রাত্য বসু। জানা গেছে মন্ত্রীর পরিচালনায় “ডিকসেনারী” নামে একটি সিনেমার কয়েকটি দৃশ্যের শুটিং হবে এখানে যে সিনেমার নায়ক ও নায়িকার ভূমিকায় রয়েছেন তৃণমূল সাংসদ অভিনেত্রী নুসরাত জাহান ও অভিনেতা আবীর চট্টোপাধ্যায়।

Advertisement

শনিবার দুপুরে মন্ত্রী কাম পরিচালক ব্রাত্য বসু স্বয়ং সেই লোকেশন দেখতে চন্দ্রকোনারোডের ফিল্ম সিটি তে আসেন। তিনি ছাড়াও তার সঙ্গে অন্যান্য কলাকুশলীরাও ছিলেন। ফিল্ম সিটির শুটিং যোনে রেল স্টেশন এর লোকেশন ঘুরে দেখেন। ইতিমধ্যে শ্যুটিং সেট তৈরীর প্রক্রিয়াও চালু হয়ে গেছে বলে জানা গেছে।

Advertisement
Advertisement

প্রয়াগ ফিল্ম সিটির ম্যানেজার আনন্দ মুখার্জী জানান, সিনেমার শ্যুটিং লোকেশন দেখতে এদিন ব্রাত্য বাবু ফিল্মসিটিতে এসেছিলেন। ফিল্ম সিটি সূত্রে আরো জানা যায় যে আগামী সপ্তাহেই এই সিনেমার শ্যুটিং এই ফিল্ম সিটিতে হবে। স্বাভাবিক ভাবেই এই প্রক্রিয়া চালু হওয়ায় এলাকার মানুষ আশার আলো দেখতে পাচ্ছেন। ফের এখানে শ্যুটিং ইত্যাদি শুরু হলে মানুষজনের আনাগোনা বাড়বে এবং এলাকার মানুষের কিছু উপার্জনের উপায় হবে।

এক সময় বহু সিনেমার শ্যুটিং হয়েছে এখানে। কয়েক কোটি টাকা খরচ করে এখানে তৈরি হয়েছিল বিভিন্ন সেট এবং একটি সুবিশাল ইনডোর লোকেশন। পূর্বভারতের বৃহত্তম এই ফিল্ম সিটিতে ছিল দেশ বিদেশের শ্রেষ্ঠ স্থাপত্যের আদলে বিভিন্ন মিনিয়েচার। কিন্তু দীর্ঘ প্রায় ৫ বছর সব বন্ধ, অনেকটাই ধ্বংসের মুখে। উল্লেখ্য যে চিটফান্ডের টাকায় এই সু-বিশাল কর্মযজ্ঞ শুরু হয়েছিল সেই চিটফান্ড বেআইনি ঘোষিত হয়েছে এবং এর মালিক বাসুদেব বাগচী ও তাঁর ছেলে দুজনেই বর্তমানে জেল হেফাজতে।

আইনজীবীদের বক্তব্য, এই সম্পত্তির মালিকানা এখন আদালতের বিবেচনাধীন। কোনও একটি বিশেষ রাজ্য এর মালিকানা এখুনি দাবি করতে পারেনা কারন ওই চিটফান্ড তার আমানত সংগ্ৰহ করেছিল একাধিক রাজ্য থেকে। নিয়ম অনুযায়ী এই সম্পত্তিতে যে কোনও রকমের কাজ করতে গেলে আদালতের অনুমতি প্রয়োজন। সেই অবস্থায় এখানে শ্যুটিং করা বৈধ কিনা তাই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। যদিও এলাকার মানুষের বক্তব্য তাঁরা আইনের কচকচানি বোঝেননা। চিটফান্ডের  টাকা আদৌ মানুষ ফেরৎ পাবে কিনা সন্দেহ। আপাতত সরকার কিছু একটা করুন এখানে