Homeএখন খবরপশ্চিম বাংলাতেও বন্ধ করা হল ইন্টারনেট পরিষেবা, সংকটে ব্যবসায়ী থেকে সাধারন মানুষ,...

পশ্চিম বাংলাতেও বন্ধ করা হল ইন্টারনেট পরিষেবা, সংকটে ব্যবসায়ী থেকে সাধারন মানুষ, রবিবারও জ্বলছে রাজ্যের একাংশ

Advertisement

             
নিজস্ব সংবাদদাতা: রাজ্য জুড়ে হিংসাত্মক অন্দোলন নিয়ন্ত্রন করার জন্য রাজ্যের কয়েক জায়গায়া ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকার। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী স্বয়ং রবিবার এই কথা ঘোষনা করলেন।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরুদ্ধে গত শুক্রবার থেকেই মুর্শিদাবাদ থেকে হাওড়ার উলুবেড়িয়া দক্ষিণবঙ্গের নানা প্রান্ত থেকেই হিংসার ঘটনা সামনে আসতে শুরু করে। এবারে এই হিংসার ঘটনা দমনে কড়া পদক্ষেপ নিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার থেকে দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় বন্ধ রাখা হবে ইন্টারনেট পরিষেবা, বিবৃতি দিয়ে এমনটাই জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
তিনি জানিয়েছেন, কিছু বহিরাগত সাম্প্রদায়িক শক্তির উসকানির ফলে রাজ্যে হিংসার ঘটনা ঘটছে। তাই এই হিংসা রোধে রাজ্যের বেশ কিছু জায়গায় ইন্টারনেট বন্ধ রাখা হচ্ছে বলে বিবৃতিতে জানিয়েছেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদ,মালদা, দিনাজপুর,হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগণা বসিরহাট এবং বারাসত মহকুমা এবং দক্ষিণ ২৪ পরগণার বারুইপুর,ক্যানিং এর কিছু জায়গায় এই ইন্টারনেট পরিসেবা বন্ধ থাকবে।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল শুক্রবার দুপুর থেকে রবিবার সকালেও তা অব্যাহত। এদিনও মুর্শিদাবাদ জেলার একাধিক জায়গায় জ্বলল আগুন, চলল ভাঙচুর। বিক্ষোভকারীদের অবরোধে যান চলাচল সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কে।এদিন বেলডাঙার কাছে সারগাছি স্টেশনের টিকিট কাউন্টারে প্রথমে ভাঙচুর চালানোর পর আগুন ধরিয়ে দেয় বিক্ষোভকারীরা। সাগরদিঘীর কাছে জাতীয় সড়কের উপরে লাইন দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে টায়ার।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
শুক্রবার থেকেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। থানায় আগুন লাগিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে জনতা। উত্তেজিত জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে শূন্যে গুলি চালাতে হয় পুলিশকে। শনিবার পরিস্থিতি আরও ঘোরালো হয়ে ওঠে দুপুরে সামশেরগঞ্জ থানায় ভাঙচুর চালায় বিক্ষোভকারীরা। সুতিতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় সরকারি বাসে। এরপর বিকেলে কৃষ্ণপুর স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা পাঁচটি ট্রেনে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। রবিবারও সেই আন্দোলন অব্যাহত।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
এদিকে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ব্যাপক সংকটের মুখে পড়তে চলেছে বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও পরিষেবামুলক সংস্থা। বিভিন্ন কম্পিউটার সেন্টার, ইন্টারনেট পরিষেবা প্রদানকারি প্রতিষ্ঠান, এমনকি মোবাইল রিচার্জ সেন্টার গুলিও সমস্যায় পড়বে। সমস্যায় পড়তে চলেছে সাধারন মানুষও ।

Advertisement

Advertisement

RELATED ARTICLES

Most Popular