শাসকদলের গোষ্ঠী সংঘর্ষে উত্তপ্ত ক্যানিং, গুলিবিদ্ধ ৫

166

ওয়েব ডেস্ক : শাসকদলের গোষ্ঠীসংঘর্ষে ফের উত্তপ্ত ক্যানিং। ঘটনায় গুলিবিদ্ধ যুব তৃণমূলের ৫ কর্মী। দুপক্ষের মারামারিতে গুরুতর জখম হয়েছে দুপক্ষের মোট ৮ জন। তারা প্রত্যেকে গুরুতর জখম অবস্থায় আপাতত ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ক্যানিং এর ইটাহারে যুব তৃণমূল গোষ্ঠী ও মূল তৃণমূল গোষ্ঠীর মধ্যে অশান্তি বহুদিনের। মাঝে মধ্যেই দুপক্ষের মধ্যে অশান্তি লেগেই থাকে। এর জেরে স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্কে দিন কাটান স্থানীয় বাসিন্দারা। তবে এদিনের ঘটনার পর দীর্ঘক্ষণ পেরিয়ে গেলেও এখনও পর্যন্ত থমথমে গোটা এলাকা।

আরও পড়ুন -  নায়িকার শ্লীলতাহানি করে পুর্ব মেদিনীপুরে গ্রেপ্তার কলকাতার যাত্রাদলের নায়ক, বিপাকে অপেরা

ঘটনায় পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে মদ্যপ অবস্থায় কয়েকজন যুবক দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং থানার ইটখোলা গোলাবাড়ি এলাকায় বোমাবাজি শুরু করে। মূলত এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাসকদলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বচসা বাঁধে। একসময়ে তা চরমে পৌঁছলে একে অপরকে লক্ষ্য করে ইট ছুঁড়তে থাকে বলে অভিযোগ। ইটের ঘায়ে আহত হন ৩ দুষ্কৃতি। সেই সময়ই আচমকা গুলি চালানো হয়। গুলিবিদ্ধ হন ৫ জন। ঘটিনায় যুব তৃণমূল সংগঠনের দাবি, গুলিবিদ্ধ ওই ৫ জন যুব তৃণমূলের কর্মী। এ বিষয়ে যুব তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি ইন্দ্রজিৎ সর্দার বলেন, “মদ খেয়ে এলাকার কয়েকজন দুষ্কৃতী আমাদের যুব তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে ঢুকে আক্রমণ শুরু করে। কর্মীরা তার প্রতিবাদ করলে এলোপাথারি গুলি চালানো হয়। আহত হন ৫কর্মী।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। ঘটনার পর থেকেই এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত থেকেই গোটা এলাকায় শুরু হয়েছে তল্লাশি। এই ঘটনা প্রসঙ্গে ইটখোলার অঞ্চল সভাপতি তথা উপপ্রধান খতিব সর্দার বলেন, “এলাকায় বাজার করা নিয়ে গণ্ডগোল। সেই থেকেই ঘটেছে এই ঘটনা।” এবিষয়ে ইটখোলার যুব তৃণমূল কর্মীদের অভিযোগ, যারা এই ঘটনায় অভিযুক্ত পুলিশ তাদের গ্রেফিতার না করে যারা আহত ও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন তাঁদের মারধর করে মিথ্যে কেস দিচ্ছে। এ বিষয়ে ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ক শ্যামল মণ্ডল বলেন, “ঘটনায় যারা জড়িত তাঁদের উপযুক্ত শাস্তি দিতে হবে। পুলিশকে বলেছি যারা দোষী তাদের বিরুদ্ধে কেস করতে।”

শাসকদলের গোষ্ঠী সংঘর্ষে উত্তপ্ত ক্যানিং, গুলিবিদ্ধ ৫ 1