আমফান’ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাজ্যে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলকে অতিথি, এক মাসেই ভোলবদল রাজ্যের, খোঁচা বিজেপির

129
আমফান' পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাজ্যে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলকে অতিথি, এক মাসেই ভোলবদল রাজ্যের, খোঁচা বিজেপির 1
আমফান' পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাজ্যে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলকে অতিথি, এক মাসেই ভোলবদল রাজ্যের, খোঁচা বিজেপির 2

ওয়েব ডেস্ক :ফের রাজ্যে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল, তবে এবার অতিথি হিসাবে। মাত্র ১ মাসের মধ্যেই রাজ্যের এই ভোল বদলকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি। এক মাস আগেই করোনা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে আসা কেন্দ্রের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে রাজ্যের নজির বিহীন সংঘাত দেখেছে রাজ্য। রাজ্যের মুখ্যসচিব খোদ জানিয়ে দিয়েছিলেন প্ৰয়োজনে রাজ্যের কোথাও ঘুরতেই দেওয়া হবেনা। কার্যত অবাঞ্ছিত অতিথি হিসাবেই কেন্দ্রের দুটি দলকে অলিখিত ভাবেই ঘোষনা করা হয়েছিল। এমনকি রাস্তায় নেমে একবার ৫ঘন্টা আটকেও থাকতে হয়। এবার সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র। আমফান পরবর্তী পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে আসা কেন্দ্রীয় দলকে অতিথি ঘোষনা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ‘আমফান’ পরবর্তী পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ফের রাজ্যে এসেছে  কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলটি ।বৃহস্পতিবার নবান্নের বিপর্যয় মোকাবিলা ও অসামরিক প্রতিরক্ষা দফতরের তরফে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি জারি করে বলা হয়েছে। সেখানে জানানো হয়েছে, “কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সদস্যদের রাজ্যের সরকারি অতিথি ঘোষণা করা হল। তাই তাদের ভিআইপির মতো যাবতীয় সৌজন্য ও সুবিধা দেওয়ার অনুরোধ রইল।” সেই সাথে আরও জানানো হল, ‘’৭ সদস্যের এই প্রতিনিধিদল আমফান বিধ্বস্ত ঘটনাস্থলগুলিতে গিয়ে আমফানের ক্ষয়ক্ষতি খতিয়ে দেখে সেই রিপোর্ট কেন্দ্রে পাঠানোর কেন্দ্রীয় সাহায্যের জন্য সুপারিশ করবে।”

আমফান' পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাজ্যে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলকে অতিথি, এক মাসেই ভোলবদল রাজ্যের, খোঁচা বিজেপির 3

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব অনুজ শর্মার নেতৃত্বে ৭ জন প্রতিনিধি ছাড়াও রয়েছেন কেন্দ্রীয় কৃষি, জলসম্পদ, শক্তি, পরিবহণ, মৎস্য দফতরের আধিকারিকরা। মূলত বৃহস্পতিবার রাজ্যের মুখ্যসচিব রাজীব সিনহার সাথে বৈঠকের পর শুক্রবার আমফান বিধ্বস্ত এলাকা, বিশেষত উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার যে সমস্ত এলাকায় ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড হয়ে গিয়েছে সেই জায়গাগুলি পরিদর্শন করবে। এরপর শনিবার ফের রাজ্যের সাথে তারা বৈঠকে বসবে তারা।

কিন্তু যেই মুখ্যমন্ত্রী এর আগে রাজ্যে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল আসায় ব্যাপক অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন মাস ঘুরতে না ঘুরতে তাঁর এহেন পরিবর্তনে স্বাভাবিকভাবেই অবাক অনেকেই। এপ্রসঙ্গে বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা বলেন, “সেবার করোনা তথ্য গোপন ধরা পড়ে যাবে এই ভয়ে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদলের সঙ্গে অসহযোগিতা করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদলের সুপারিশের ওপর মোটা টাকা পেতে পারে রাজ্য সরকার। তাই জামাই আদরের ব্যবস্থা করেছেন তিনি।”

রাহুল রাজনীতির লোক তাই রাজনীতির কথা বলেছেন কিন্তু ঘটনা এটাই যে আগেও বহুবার বহু অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল এসেছে। এটা কেন্দ্রের দায়িত্ব ও কর্তব্যর মধ্যেই পড়ে কিন্তু কখনই তাঁদের অতিথি হিসাবে সরকারি ভাবে ঘোষনা করা হয়না। তাছাড়া খামোকা নিজের দেশে নিজের কর্তব্য পালন করতে আসা সরকারি দল খামোকা আতিথি হতে যাবে কেন?