ভয়াবহ সংক্রমনের মুখে ফের টানা ১২ দিন সর্বাত্মক লকডাউনে ফিরছে রাজ্য

1818

ওয়েব ডেস্ক : দেশে প্রতিদিন রেকর্ড সংখ্যক বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার ও বুধবার বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সাথে দফায় দফায় আলোচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী। বিভিন্ন রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতির উপর নির্ভর করেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে কেন্দ্র। এর মধ্যেই গোটা দেশে ফের লকডাউনে হওয়ার খবর সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। তা নিয়ে অবশ্য কেন্দ্রের তরফে ‘ভুয়ো খবর’ বলে ঘোষণাও করা হয়েছে। এবার সেই জল্পনা উসকেই চেন্নাই-সহ তামিলনাড়ুর চারটি জেলার একাংশে আগামী ১৯ শে জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ১২ দিন ‘সর্বাধিক বিধিনিষেধ’ লকডাউনের ঘোষণা করেছেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী কে পলানিস্বামী।

আরও পড়ুন -  করোনা : বাজারে এলো করোনা গাড়ি ! দেখুন ভাইরাল ভিডিও ।

জানা গিয়েছে, এই মূহুর্তে তামিলনাড়ুতে সংক্রমণের পরিস্থিতি বেশ খারাপ। গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৪,৬৬১। আর এর মধ্যে প্রায় ৭০%, ৩৯,৫০০ আক্রান্তের হদিশ মিলেছে চেন্নাই সহ চারটি শহরেই। এই বিষয়ে সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে আলোচনা হয়। তারপর তিনি জানান, ওই ১২ দিন কাঞ্জিপুরম, চেঙ্গালপাত্তু, ত্রিভাল্লুরের একাংশ এবং চেন্নাইয়ে শুধুমাত্র জরুরী পরিষেবার ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হবে। দুই রবিবার পুরো লকডাউন হবে। অর্থাৎ ওই দু’দিন লকডাউন কোনওভাবেই শিথিল করা হবে না। শুধুমাত্র দুধ পরিষেবা এবং স্বাস্থ্য পরিষেবার ক্ষেত্রে মিলবে ছাড়।

এবিষয়ে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী পলানিস্বামী জানান, রবিবার ছাড়া বাকি দিনগুলিতে অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের দোকান সকাল ৬ টা থেকে দুপুর ২টো পর্যন্ত খোলা থাকবে। তবে সামাজিক দূরত্ব মেনে বাইরে বেরোনোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রেশন দোকান সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২ টো পর্যন্ত খোলা থাকবে। ওই ১২ দিনের মধ্যে শুধুমাত্র শেষ দু’দিন ৩৩ শতাংশ কর্মী নিয়ে ব্যাঙ্ক খোলা থাকবে। তবে ব্যাঙ্ক খোলা না থাকলেও এটিএম পরিষেবা স্বাভাবিক থাকবে বলেই জানিয়েছেন তামিলনাড়ু সরকার।

আরও পড়ুন -  ল্যাপটপ খোলা রেখেই মৃত্যু মেদিনীপুর শহরের মেধাবী ছাত্রের, রহস্যের গন্ধ পাচ্ছে পুলিশ

পাশাপাশি, অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের জন্য সাধারণ মানুষকে গাড়ি ব্যবহার না করার পরামর্শ দিয়েছে তামিলনাড়ু সরকার। পাশাপাশি বাড়ি থেকে দু’কিলোমিটার দূরত্বের মধ্যে অত্যাবশকীয় পণ্য কেনাকাটার কথা বলা হয়েছে। অত্যাবশকীয় পণ্যের পাশাপাশি রেস্তোরাঁ এবং খাবার দোকান খোলা রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে সেক্ষেত্রে বাড়িতে এনে খাবার খেতে হবে। আইডি কার্ড থাকলে ফুড ডেলিভারিতেও ছাড় মিলবে। এছাড়াও পুরোপুরি লকডাউনে যাওয়া ওই শহরগুলিতে রেশনকার্ড পিছু সরকার নগদ ১হাজার টাকা করে সহায়তা দেওয়ার কথা ঘোষনা করেছে।

ভয়াবহ সংক্রমনের মুখে ফের টানা ১২ দিন সর্বাত্মক লকডাউনে ফিরছে রাজ্য 1