Homeকরোনা আপডেটগোয়ার পর আরও তিন রাজ্য করোনা মুক্ত ঘোষনার পথে

গোয়ার পর আরও তিন রাজ্য করোনা মুক্ত ঘোষনার পথে

নিজস্ব সংবাদদাতা: নতুন করে কোনও আক্রান্তের খবর না মেলায় গোয়ার পর আরও তিন রাজ্য করোনা মুক্তের শিরোপা পেতে চলেছে। গোয়া ছাড়া এই তিনটি রাজ্য হল ত্রিপুরা, অরুনাচল প্রদেশ ও মনিপুর। যদিও এই সময়ে দাঁড়িয়ে সারা দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যাটা হয়েছে ২৬,৫০০। গোয়াতে মাত্র ৭জন আক্রান্তের সংখ্যা মিলেছিল যার প্রত্যেকেই বর্তমানে সুস্থ ও করোনা মুক্ত এমনটাই জানিয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রক।

অরুনাচল প্রদেশের একমাত্র করোনা আক্রান্ত ৩১বছর বয়সী যুবক শুক্রবারই মুক্তি পেয়েছেন হাসপাতাল থেকে। মনিপুর গোয়ার পর সেই রাজ্য যা করোনা মুক্ত ঘোষনা হওয়ার অপেক্ষায়। এ রাজ্যের এখনও অবধি শেষ ও দ্বিতীয় করোনা আক্রান্ত মানুষটি গত ২১এপ্রিল হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে গেছেন। ২৩বছরের ওই যুবতি গত মাসে ইংল্যান্ড থেকে ফিরে এসে আক্রান্ত হন। তিনিই রাজ্যের প্রথম করোনা আক্রান্ত ছিলেন এবং উত্তরপুর্ব ভারতে তিনিই প্রথম করোনা মুক্ত হন।

ত্রিপুরার মূখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব জানিয়েছেন, রাজ্যের দ্বিতীয় ও শেষ আক্রান্ত ব্যক্তি শনিবারই নীরোগ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এ রাজ্যের প্রথম করোনা আক্রান্ত মহিলা গত ১৫এপ্রিল হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে গেছিলেন। উত্তরপূর্বের অন্য রাজ্য সিকিমে এখনও অবধি কোনও করোনা আক্রান্তের ঘটনা ঘটেনি।
সিকিম সরকার জানিয়েছে, তাদের রাজ্যে আটকে রয়েছেন এমন ছাত্র, শিক্ষক, রুগী ও অন্যান্য মানুষদের লকডাউন ওঠার পরেই ফেরৎ পাঠানোর উদ্যোগ নেবে।

সিকিমের স্বাস্থ্য দপ্তরের ডিরেক্টর জেনারেল পি.টি.ভুটিয়া জানিয়েছেন আমাদের যে সমস্ত রাজ্যবাসী বাইরে রয়েছেন তাঁদেরও ফিরিয়ে আনার জন্য আমরা একটি স্ক্রিনিং কমিটি তৈরি করেছি। উপযুক্ত পদ্ধতি বা স্টান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) মেনেই তাঁদের ফেরৎ আনা হবে।
সিকিমের চার জেলার জেলা শাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে সমস্ত রাজ্যবাসী লকডাউনের পরে রাজ্যে ফিরবেন তাঁদের কোয়ারেন্টাইন করার জন্য যেন উপযুক্ত স্থান, খাদ্য ও অন্যান্য সামগ্রী যথাযথ ভাবে তৈরি রাখা হয়।

এদিকে দেশের মধ্যে যথারীতি মহারাষ্ট্রের অবস্থা খুবই উদ্বেগ জনক। ৭৬২৮ আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা এখন ৩২৩। তারপরেই রয়েছে গুজরাট যেখানে আক্রান্ত হয়েছেন ৩০৭১ জন। ২৬২৫ আক্রান্ত নিয়ে পরেই রয়েছে দিল্লি। পরেই মধ্যপ্রদেশে ২০৯৬ ও রাজস্থান ২০৮৩ জন আক্রান্ত নিয়ে পেছনে রয়েছে। এরপর তমিলনাডু ১৮২১, উত্তরপ্রদেশ ১৭৯৩ ও অন্ধ্রপ্রদেশ ১০৬১। তিন অঙ্কের ৯৯১ জন আক্রান্ত নিয়ে তেলেঙ্গানা চেষ্টা করছে চার অংকে না পৌঁছানোর।

RELATED ARTICLES

Most Popular