করোনা বুলেটিন : দেশ ও রাজ্য

635
Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা: শনিবার রাতে করোনা বুলেটিন আপডেট করার সময় খারাপ খবর আসছে সেই মহারাষ্ট্র থেকেই যেখানে দিনের শেষে এযাবৎ কালের সর্বোচ্চ একদিনের রেকর্ড ভেঙে করোনা আক্রান্তর সংখ্যা এসেছে ৮১১ জন। সব মিলিয়ে এদিন মহারাষ্ট্রের করোনা আক্রান্তের সংখ্যা গিয়ে পৌঁছেছে ৭৬২৮ জনে আর এরমধ্যে শুধু মুম্বাইয়ে আক্রান্ত হয়েছে ৫০৪৯জন। মুম্বাইয়ের পরেই রয়েছে পুনে যেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ১১০৫ জন।

Advertisement

শনিবার সারা দেশে বিকাল ৫টা অবধি কেন্দ্রীয় সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের হিসাব অনুসারে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৪৯০ জন। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২৪৯৪২, যার মধ্যে ১১১ জন বিদেশি নাগরিকও রয়েছেন। তবে এই মুহূর্তে গোটা দেশে সক্রিয় আছেন এমন করোনা রোগীর সংখ্যা ১৮৯৫৩ জন। মৃতের সংখ্যা ৭৭৯ জন। তবে আশার আলো এই যে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী মোট ৫২০৯ জন রোগী ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন।

Advertisement
Advertisement

মহারাষ্ট্রের কথা আগেই বলা হয়েছে। রাজ্যগুলির মধ্যে তার পরেই ১২৭ জন মৃত্যু সহ গুজরাটের মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২৮১৫ । এরপরই দিল্লী এবং রাজস্থানের স্থান। দুটি রাজ্যে যথাক্রমে ২৫১৪ এবং ২০৩৪ জন কোভিড-১৯ পজিটিভ রোগী রয়েছেন। কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গের করোনা পজিটিভ রোগীর সংখ্যা ৫৭১ জন। মৃতের সংখ্যা ১৮ এবং ১০৩ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

অন্যদিকে  পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্বাস্থ্য দপ্তর অনুযায়ী রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা  ৪২৩ । গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩৮ জন। গতকাল সংখ্যাটা  ছিল ৪২৩ । শনিবার নয়া বুলেটিন পেশ করে এমনটাই জানাল স্বাস্থ্য দফতর। বাংলায় করোনায় মৃত এখনও ১৮-ই । উল্লেখ্য, এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১০৫ জন । হোম কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন ২৩৬১৮ জন
কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড়া পেয়েছেব ৩৬৯৭৫ জন
হাসপাতালের আইসোলেশন থেকে ছাড়া পেয়েছে ৩৫১৯ জন । হাসপাতালের আইসোলেশনে রয়েছেন ২০৭ জন । কোভিড-১৯-এর নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৯৮৮০ জনের ।

এছাড়াও আরও ৫ রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। অরুণাচল প্রদেশে ১ জন, মেঘালয়ে ১২ জন, ত্রিপুরাতে ২জন, ঝাড়খণ্ডে ৫৯ জন ও অসমে ৩৬ জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। অসমে ১ জনের, ঝাড়খণ্ডে ৩ জনের এবং মেঘালয়ে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। অরুণাচল প্রদেশে ১ জন, ত্রিপুরাতে ১ জন, ঝাড়খণ্ডে ৯ জন ও অসমে ১৯ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন বলে খবর।
আশার কথা এই যে ভারতে এই মুহূর্তে করোনা বৃদ্ধির হার বেশ কমের দিকে। এই মুহূর্তে ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দ্বিগুন হতে প্রায় ৯.১ দিন সময় লাগছে। গতকাল সকাল আটটা থেকে আজ সকাল আটটা অবধি ভারতে করোনা রোগী বৃদ্ধির হার মাত্র ৬ শতাংশ। যা এযাবৎকালের মধ্যে সর্বনিম্ন। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক একে লকডাউন বৃদ্ধির সুফল হিসেবেই ব্যাখ্যা করছেন।