২০২১ অবধি ঘরে থেকেই অফিস করুন, করোনা পরিস্থিতি বিচারে কর্মীদের জানিয়ে দিল গুগুল ও ফেসবুক

915
২০২১ অবধি ঘরে থেকেই অফিস করুন, করোনা পরিস্থিতি বিচারে কর্মীদের জানিয়ে দিল গুগুল ও ফেসবুক 1

নিজস্ব সংবাদদাতা: করোনা অতিমারির প্রকোপ ও প্রভাব লক্ষ্য করে আগামী ২০২১ অবধি ওয়ার্ক ফ্রম হোম বা ঘরে বসেই অফিস করার জন্য নিজের কর্মচারীদের জানিয়ে দিল গুগুল ও ফেসবুক। নিজের কর্মচারীদের সুস্থ্য ও নিরাপদ রাখার জন্যই এমনটি ঘোষনা করল প্রযুক্তি দুনিয়ার সর্বোচ্চ এই প্রতিষ্ঠানটি। সারা দুনিয়া জুড়েই এখন আলোচিত হচ্ছে যে কোভিড-১৯য়ের প্রকোপ আগামী ২বছর অবধি থাকতে পারে। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে তথ্যপ্রযুক্তি দুনিয়ার দুই সেরা স্তম্ভের এই ঘোষনা ফের সেই একই প্রশ্ন তুলে দিয়েছে যে, করোনা থেকে কি তবে আশু মুক্তি নেই?

গুগুলের চিফ এক্সিকিউটিভ সুন্দর পিচাই নিজেদের কর্মচারীদের সম্বোধন করে বলেছেন, কোম্পানি দূরত্বে থেকেই অফিস করার নীতিকে আগামী ২০২১ অবধি বহাল রাখছে। সিলিকন উপত্যকা সুত্রে এই বক্তব্যকে সঠিক বলেই নিশ্চিত করা হয়েছে শুক্রবার। বর্তমান পরিস্থিতিতে কর্মচারীদের ফের অফিস আস্তে শুরু করাটা কার্যক্ষেত্রের পক্ষে সমস্যাসঙ্কুল ও টলায়মান হয়ে উঠতে পারেই বলে কোম্পানি মনে করছে। এই একই খবর প্রকাশিত হয়েছে মার্কিনী সংবাদমাধ্যমগুলিতেও যেখানে বলা হচ্ছে ফেসবুকও বছরের বাকি দিনগুলো তাঁদের কর্মচারীদের বাড়িতে বসেই কাজ করার জন্য বলেছে।

২০২১ অবধি ঘরে থেকেই অফিস করুন, করোনা পরিস্থিতি বিচারে কর্মীদের জানিয়ে দিল গুগুল ও ফেসবুক 2

যে সমস্ত গুগুল কর্মীরা একেবারেই অফিসের জন্য অপরিহার্য তাঁরা আগামী দু’এক মাস পরে অফিসে আসবেন ঠিকই কিন্তু তাঁদের করোনা ভাইরাস সংক্রমনের বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত সুরক্ষা নিয়েই অফিস করতে হবে কিন্তু অধিকাংশ কর্মচারীই কাজ করবেন বাড়িতে থেকেই। ফেসবুকের তাঁর নতুন ভার্সনের আপডেট করার জন্য জুলাই মাসকে বেছে নিয়েছে। ওই সময় তারা অফিস খুলবে ঠিকই কিন্তু কর্মচারীদের বলে দেওয়া হয়েছে তাঁরা চাইলে ঘরে বসেই অফিসের কাজ করতে পারে।
উল্লেখ্য ২০১৮ ডিসেম্বর মাস অবধি গুগুলের কর্মী সংখ্যা ৯৮ হাজার ৭৭১ জন। যদিও বর্তমানে সংখ্যাটি ১লক্ষ ছাড়িয়ে গেছে বলেই জানা যায়। এরমধ্যে সিংহভাগই রয়েছেন ভারতে যার সংখ্যা ৫৩ হাজার। পিচাই নিজেও ভারতীয় এবং আইআইটি খড়গপুরের প্রাক্তনী।

অন্যদিকে জুকারবার্গ পরিচালিত ফেসবুকের কর্মী সংখ্যা ২০১৯ ডিসেম্বরের হিসাব অনুযায়ী ৪৪ হাজার ৯৪২। সোশ্যাল মিডিয়ার সাম্রাজ্যকে শাসন করে এমন এই দুই বৃহৎ প্রতিষ্ঠানের সিদ্ধান্ত নিশ্চিত ভাবেই প্রভাব ফেলবে অন্য টেকনো জায়েন্ট কোম্পানিগুলির ওপরেও। কিন্তু সেই পরিকাঠামো ও শক্তি কম থাকায় তারা এখন কি করে সেটাই এখন দেখার।