করোনার রিপোর্ট নেগেটিভ, পাটনায় আতঙ্কে আত্মঘাতী রোগী

57

ওয়েব ডেস্ক : দেশজুড়ে প্রতিদিন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ। সেই সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। এই পরিস্থিতিতে স্বাভাবিকভাবেই মানসিক অবসাদে ভুগছেন অনেকেই। ফলে আতঙ্কের বসে অনেকক্ষেত্রে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেওয়ার ঘটনা সামনে আসছে৷ এমই এক ঘটনা ঘটলো বিহারের পাটনার একটি বেসরকারি হাসাপাতালে। করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট মেলার ঘন্টাখানেক আগেই আতঙ্কে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হলেন পটনা এইমস হাসপাতালের এক করোনা আক্রান্ত রোগী। কিন্তু রিপোর্ট আসার পর দেখা যায় ওই ব্যক্তির করোনা সংক্রমণে সম্পূর্ণ সসম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে গিয়েছেন৷ তার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে।

আরও পড়ুন -  ফের করোনার থাবা রাজনৈতিক মহলে,মারণ ভাইরাসের বলি বিধাননগরের তৃণমূল কাউন্সিলর সুভাষ বসু

এবিষয়ে পটনা এইমস হাসপাতালের নোডাল অফিসার চিকিৎসক সঞ্জীব কুমার জানিয়েছেন, “গত ১৫ জুন ওই রোগীকে ভরতি করা হয়। প্রথম পরীক্ষায় তাঁর করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে। সেই সময় রোগীকে আইসোলেশন ওয়ার্ডে রেখে চিকিৎসা করা হচ্ছিল। এরপর সোমবার ফের তার দ্বিতীয় পরীক্ষার নমুনা পাঠানো হয়। কিন্তু রিপোর্ট আসার আগেই তিনি পাশের একটি ঘরে ঢুকে দরজার ছিটকিনি তুলে দেন। এরপর ঘরের সিলিং ফ্যানে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন। তার মৃত্যুর পর পরই চিকিৎসকদের হাতে তার রিপোর্ এলে দেখা যায় তিনি করোনা নেগেটিভ। পুলিশ তাঁর দেহ হেফাজতে নিয়েছে।”

দিন দিন বাড়ছে বিহারে সংক্রমণের হার। গত ২৪ ঘন্টায় সেখানে নতুন ১৪৩ জনের শরীরে মিলেছে সংক্রমণ। এ নিয়ে রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৭,৮০৮ জন। মৃত্যু হয়েছে ৫২জনের। তবে এই মূহুর্তে সবচেয়ে চিন্তার বিষয় এই যে প্রতিদিন সংক্রমণে আক্রান্ত হচ্ছেন সরকারি বেসরকারি হাসপাতালের বহু চিকিৎসক,নার্স সহ একাধিক স্বাস্থ্যকর্মী। তাদের মধ্যে শুধুমাত্র পটনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালেই ৫ জন চিকিৎসক, ১ জন এমবিবিএস ইন্টার্ন এবং এক নার্স। এ ছাড়াও শহরের এক বেসরকারি হাসপাতালেও ১ চিকিৎসক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

আরও পড়ুন -  ১১ বছর চার্জ গঠনই হয়নি! বকেয়া আরও ২০টি মামলা, মামলা মুক্ত নন ছত্রধর, সব মামলাতেই এখন NIA চাইছে জঙ্গল মহল

এ দিন পটনায় করোনা পজিটিভ রোগীদের মধ্যে আছেন পটনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পাঁচ চিকিৎসক, একজন এমবিবিএস ইন্টার্ন এবং এক নার্স। এ ছাড়াও শহরের এক বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এই রাজ্যে মোট আক্রান্তের নিরিখে এখনও পর্যন্ত শীর্ষে রয়েছে পাটনা (৪২৬) জন। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মধুবনি (৩৭৫, ভাগলপুর (৩৬৭), বেগুসরাই (৩৪৭) এবং সিওয়ান (৩২৪)।

করোনার রিপোর্ট নেগেটিভ, পাটনায় আতঙ্কে আত্মঘাতী রোগী 1