দেশ জুড়ে করোনার দাপট; দৈনিক আক্রান্ত ৩.১১ লক্ষ মানুষ; মৃতের সংখ্যা ৪ হাজারেরও অধিক

94
Advertisement

নিউজ ডেস্ক: ভারত এখনও করোনার মহামারীর দ্বিতীয় তরঙ্গ সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে। প্রতিদিন তিন লক্ষেরও বেশি নতুন মামলা আসছে। মৃতের সংখ্যাও প্রতিদিন চার হাজারের কাছাকাছি থাকছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্য অনুসারে, গত ২৪ ঘন্টায় ৩১১,১৭০ নতুন করোনার কেস এসেছে এবং ৪,০৭৭ সংক্রামিত মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। একই সময়ে, করোনার কাছ থেকে ৩,৬২,৪৩৭ জন সুস্থও হয়েছেন। অর্থাৎ, দেশে ৫৫,৩৪৪ টি অ্যাক্টিভ কেস কমেছে।

Advertisement

১৫ ই মে অবধি সারা দেশে ১৮ কোটি ২২ লাখ ২০ হাজার ১৬৪ করোনার ডোজ দেওয়া হয়েছে। শনিবার ১৭ লাখ ৩৩ হাজার ২৩২ জনকে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। একই সময়ে, এখন পর্যন্ত ৩১.৪৮ কোটিরও বেশি করোনার টেস্ট করা হয়েছে। শনিবার, ১৮ লক্ষ করোনার নমুনা টেস্ট করা হয়েছিল, যার পজিটিভ হার ১৭ শতাংশের বেশি।

Advertisement
Advertisement

করোনার সর্বশেষ পরিস্থিতি-

মোট করোনার কেস – ২ কোটি ৪৬ লাখ ৮৪ হাজার ৭৭ টি।

মোট টেস্ট – ২ কোটি ৭ লক্ষ ৯৫ হাজার ৩৩৫ জন।

মোট অ্যাক্টিভ মামলা – ৩৬ লক্ষ ১৮ হাজার ৪৫৮।

মোট মৃত্যু- ২ লক্ষ ৭০ হাজার ২৮৪ জন

দেশে করোনার মৃত্যুর হার ১.০৯ শতাংশ এবং পুনরুদ্ধারের হার ৮৩ শতাংশেরও বেশি। অ্যাক্টিভ কেস ১৫ শতাংশ কমেছে। করোনার অ্যাক্টিভ কেসের দিকে থেকে ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। সংক্রামিত মোট সংখ্যার দিক থেকেও ভারত দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। আমেরিকা ও ব্রাজিলের পরে ভারতে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

এদিকে বঙ্গেও করোনার দাপট অব্যাহত। শনিবার রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী গত,= ২৪ ঘণ্টায় পশ্চিমবঙ্গে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১৯, ৫১১ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ১৪৪ জনের। রাজ্যে একদিনে করোনা মুক্ত হয়েছেন ১৯,২১১ জন। এরপরই সুস্থতার হার ৮৬. ৯৮ শতাংশে পৌঁছেছে। রাজ্যের দুই ক্ষতিগ্রস্থ রাজ্য উত্তর ২৪ পরগনায় একদিনে আক্রান্ত ৪,২৭৯ জন। মৃত ৩৫ জন ও কলকাতায় একদিনে আক্রান্ত ৩৯৫১ জন, মৃত ৩০ জন। পাশাপাশি হাওড়া ১,২৭৬ জন, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ১,২৫৭ জন, হুগলিতে ১,১৯৩ জন, নদিয়াতে ১,০৩৮ জন, পশ্চিম বর্ধমান ৯৭৭ জন, পূর্ব মেদিনীপুরে ৭৫৩ জন, পশ্চিম মেদিনীপুরে ৮২৯ জন, দার্জিলিং ৬৬২ জন দৈনিক আক্রান্ত হয়েছেন।

এদিকে, রবিবার থেকে আগামী ৩০ মে পর্যন্ত, ১৫ দিনের জন্য জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত দফতরগুলি ছাড়া, সমস্ত সরকারি, বেসরকারি দফতর বন্ধ রাখার কথা ঘোষণা করেছে নবান্ন। বন্ধ থাকবে সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।লোকাল ট্রেন আগেই বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এ বার বাস এবং মেট্রো এবং ফেরি পরিষেবাও সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ট্যাক্সি এবং অটোও চলাচল করবে না।