অসহনীয় হয়ে উঠছে লকডাউন, ক্ষুদায় কাঁদছে জঙ্গল, পাশে দাঁড়াল কেন্দ্রীয় বাহিনী

324
Advertisement

বচ্চন গিরি, লালগড়: লকডাউনে গরীব মানু্ষের পাশে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার। অন্ততঃ দাবিটা সেরকমই ছিল। কিন্তু বাস্তব তা বলছেনা। জঙ্গলমহলের বহু এলাকায় ত্রান পৌঁছায়নি আজও, দ্বিতীয় দফার লকডাউন ঘোষনার পরও। নাম কে ওয়াস্তা রেশন যেন বহুদিন বৃষ্টি না হওয়া মাটি, জল পড়তে না পড়তে না শুষে নেয়। ছেলেপুলে, বউ বাচ্চা নিয়ে খিদেয় কুঁকড়ে যাচ্ছে জঙ্গল মহল। শালপাতা, শুকনো কাঠ সংগ্রহ করে লাভ নেই, বাজার খোলা নেই। পরিস্থিতি জটিল থেকে জটিলতর। এরকমই পরিস্থিতিতে ঝাড়গ্রাম জেলার কয়েকটি গ্রামের মানুষদের দিপ্রাহারিক আহার পরিবেশন করল জঙ্গলমহলে মোতায়েন থাকা সিআরপিএফ ৫০ নম্বর ব্যাটেলিয়ান।

Advertisement

বৃহস্পতিবার সিআরপিএফ ৫০ নম্বর ব্যাটেলিয়ানের উদ্যোগে শাঁখাখুলা, চুনপাড়া, আখড়াগোড়া এলাকার প্রায় দুই হাজার মানুষকে দুপুরে খিঁচুড়ি খাওয়ানোর ব্যবস্থা করা হয় এদিন। জোওয়ানদের এই উদ্যোগে খুশি এলাকাবাসী। সিআরপিএফ ৫০ নম্বর ব্যাটেলিয়ানের কামাডান্ট বজরঙ্গ লাল বলেন “দেশের এই দুঃসময়ে আমরা বাহিনীর পক্ষ থেকে জঙ্গলমহলের গ্রামগুলিতে এর আগে রেশন দ্রব্য দিয়েছিলাম। খাবার দেওয়া হয়েছে বেশ কয়েকটি গ্রামে। গ্রামের অসহায় মানুষেরা যাতে অনাহারে না থাকেন সেই কথা ভেবেই এই আয়োজন| ভবিষ্যতেও এই কাজ চলবে। ”

Advertisement
Advertisement

এদিন খাবার বিতরণের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কামাডান্ট বজরঙ্গ লাল, দ্বিতীয় কামাডান্ট শ্যামল কুমার বাসু, ডেপুটি কামাডান্ট টি.পি বাঘেল সহ সিআরপিএফের উচ্চপদস্থ কর্তারা। জঙ্গলে মাওবাদী সমস্যা এখন আর প্রকট নয় তবুও দেশের মাওবাদী প্রবন অঞ্চলে এখনও ঝাড়গ্রাম জেলার নাম তাই কেন্দ্রীয় নিরপত্তা বাহিনী মোতায়েন রয়ে গেছে এখনও। এলাকার মানু্ষের সঙ্গে জনসংযোগের পাশাপাশি গড়ে উঠেছে সখ্যতাও। সেই পরিবেশেই বৃহস্পতিবারের অনুষ্ঠান খুশির পরিবেশ এনেদিল জঙ্গলবাসীর মনে।