রাহুলের আসার আগেই হাত শিবিরে বিপর্যয়, ৪ বিধায়কের ইস্তফায় ভোটের আগেই টলমল কংগ্রেসের আসন

301
Advertisement

নিউজ ডেস্ক: বুধবার পদুচেরিতে আসছেন রাহুল, তার আগেই কংগ্রেস শিবিরে বিপর্যয়! পদ থেকে ইস্তফা ৪ বিধায়কের। পুদুচেরি রাজ্যের ৩০ জন বিধায়কের মধ্যে ১৪ জন কংগ্রেস বিধায়ক, এ ছাড়া ডিএমকের ২ জন ও নির্দল একজনকে মিলিয়ে ম্যাজিক ফিগার ১৬ পার করেছিল কংগ্রেস। কিন্তু ৪ জন বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাল কংগ্রেস। ফলে ভোট বাক্সে ভাগ্যপরীক্ষার আগেই ভি নারায়ণস্বামীর সরকার পড়ে যাওয়ার একটা আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

Advertisement

নতুন বছরের প্রথম মাসেই ইস্তফা দেন কংগ্রেস সরকারের দুই মন্ত্রী এ নমসসিবায়ম এবং ই থিপাপেনদান। যোগ দেন বিজেপিতে। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই সোমবার ইস্তফা দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মাল্লাদি কৃষ্ণা রাও। মঙ্গলবার চতুর্থ বিধায়কের ইস্তফার ফলে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাল কংগ্রেস। জনের ইস্তফার ফলে পুদচেরিতে কংগ্রেস বিধায়কের সংখ্যা কমে দাঁড়াল ১০। তার আগে দলবিরোধী কার্যকলাপের জন্য গত বছর জুলাই কংগ্রেস থেকে বহিষ্কৃত হয়েছিলেন বিধায়ক এ ধানাভেলু।

Advertisement
Advertisement

২০১৬ বিধানসভায় ১৪ টি আসন জিতেছিল কংগ্রেস। সমর্থন ছিল ডিএমকে ও ১ নির্দল প্রার্থীর। কিন্তু নির্দল বিধাযক এবং ডিএমকের সমর্থন নিয়ে এখন কংগ্রেস সরকারের হাতে আছে ১৪ জন। অন্যদিকে বিরোধী এআইএডিএমক এবং অল ইন্ডিয়া এনআর কংগ্রেসের দখলে আছে যথাক্রমে চারটি এবং সাতটি আসন। সঙ্গে বিধানসভায় বিজেপির তিনজন মনোনীত সদস্য আছেন। তার জেরে স্বভাবতই ভোটের মাত্র মাসদেড়েক আগে পুদুচেরিতে কংগ্রেস সরকারে সংকট তৈরি হয়েছে। নারায়ণস্বামী সরকারের বিরোধী পক্ষে ছিল এআইএডিএমকে, এআইএনআরসি ও বিজেপি। সামনেই মে মাসে পুদুচেরিতে নির্বাচন। তার আগেই বিধায়ক ইস্তফায় বড়সড় ধাক্বা খেল কংগ্রেস।

বুধবার পুদুচেরিতে একটি জনসভা করবেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল। তাঁর সফরের ঠিক আগে দুই কংগ্রেস বিধায়ক ইস্তফা দেওয়া হাত শিবিরের জন্য যে খুব একটা শুভ সংকেত নয়, সেটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।