জেলায় দৈনিক সংক্রমন ৩৪৩, খড়গপুর-মেদিনীপুর শহর ৭০ছুঁয়ে! শালবনীতে এবার আক্রান্ত সিআইএসএফ গড়বেতা-ডেবরা-পিংলায় ফের করোনার বাড়াবাড়ি, ঘাটালে বহাল সংক্রমন

About 60 people came positive from Kharagpur city on this day. Of these, 55 people were affected from the railway family. 7 people were infected in the sample sent from IIT Kharagpur. 1 positive from the city came from the sample sent by Hijli Rural Hospital. The rest of the city has been identified positively in the tests of private companies. Kharagpur Sub-Divisional Hospital sources said the hospital does not have RT / PCR kits in stock. A few antigens are being tested. The situation could return to normal by next Monday. Apart from the various accommodation of the railways, the most affected areas in Kharagpur city are 5 IIT campuses. New Development 4 people. Kharida (including Kumarpara) and Malach 3 people. Inda and Vidyasagarpur 2 each. Besides, Pirbaba, Bulbulchati, Bhagwanpur, Sanjowal, Girimoydan, Debalpur, Subhash Palli, Prembazar, Srikrishnapur, Talbagicha, Dhekia, Joyhind Nagar, Dewanmaro, Traffic, Bhabanipur. Apart from this, there are different quarters of the railway. On this day, the infection has also been noticed in rural Kharagpur. In rural Kharagpur, 3 people from Jafla, Jakpur, Balrampur, Amrakola, Madpur, Salua, Rakhalgeria, Gopali, Gholgharia, Matkatpur and Salua EFR, a total of 15 people were affected.

138
জেলায় দৈনিক সংক্রমন ৩৪৩, খড়গপুর-মেদিনীপুর শহর ৭০ছুঁয়ে! শালবনীতে এবার আক্রান্ত সিআইএসএফ গড়বেতা-ডেবরা-পিংলায় ফের করোনার বাড়াবাড়ি, ঘাটালে বহাল সংক্রমন 1

নিজস্ব সংবাদদাতা: এপ্রিলের শেষ দিনটিতেও মোটের ওপর চোখ রাঙিয়েই করোনা। পশ্চিম মেদিনীপুরে এদিনও সাড়ে তিনশ ছুঁয়ে থাকল দৈনিক সংক্রমন। ৩০শে এপ্রিল পশ্চিম মেদিনীপুরের আরটি/পিসিআর পরীক্ষা থেকে ১৮২ জন করোনা পজিটিভ চিহ্নিত হয়েছেন। অন্যদিকে আ্যন্টিজেন পরীক্ষায় ১২৯ ও ট্রুনাট থেকে পজিটিভ চিহ্নিত ৩২জন। সংখ্যাটি সব মিলিয়ে ৩৪৩জন। যদিও খড়গপুর সদর মহকুমা হাসপাতাল থেকে যথেষ্ট সংখ্যক নমুনা যায়নি বলেই মনে করা হচ্ছে। হলে খড়গপুর শহর ও জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা আরও বেশি হত।

খড়গপুর শহর থেকে এদিন প্রায় ৭০ জনের পজিটিভ এসেছে। এর মধ্যে রেল পরিবার থেকেই আক্রান্ত ৫৫ জন। আইআইটি খড়গপুর থেকে পাঠানো নমুনায় ৬জন আক্রান্ত। হিজলী গ্রামীন হাসপাতালের পাঠানো নমুনা থেকে শহরের ১টি পজিটিভ এসেছে। শহরের বাকি পজিটিভ চিহ্নিত হয়েছে বেসরকারি সংস্থার পরীক্ষায়। খড়গপুর মহকুমা হাসপাতাল সূত্রে জানানো হয়েছে হাসপাতালের স্টকে আরটি/পিসিআর কিটস নেই। সামান্য কিছু আ্যন্টিজেন পরীক্ষা করা হচ্ছে। আগামী সোমবার নাগাদ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে পারে। রেলের বিভিন্ন আবাসন ছাড়াও খড়গপুর শহরের যে যে অংশে আক্রান্তদের খোঁজ মিলেছে তার মধ্যে সর্বাধিক আইআইটি ক্যাম্পাস ৫ জন। নিউ ডেভলপমেন্ট ৪জন। খরিদা (কুমারপাড়া সহ) ও মালঞ্চ ৩ জন করে। ইন্দা ও বিদ্যসাগরপুরে ২জন করে। এছাড়া পিরবাবা, বুলবুলচটি, ভগবানপুর, সাঁজোয়াল, গিরিময়দান, দেবলপুর, সুভাষপল্লী, প্রেমবাজার, শ্রীকৃষ্ণপুর, তালবাগিচা, ঢেকিয়া, জয়হিন্দ নগর, দেওয়ানমাড়ো, ট্রাফিক, ভবানীপুর। এর বাইরেও রেলের বিভিন্ন কোয়ার্টার এলাকা রয়েছে।
এদিন গ্রামীন খড়গপুরেও সংক্রমন বেশ কিছুটা ভালই নজরে এসেছে। গ্রামীন খড়গপুরের জফলা, জকপুর, বলরামপুর, আমড়াকোলা, মাদপুর, সালুয়া, রাখালগেড়িয়া, গোপালি, ঘোলঘরিয়া, মাতকাতপুর ও সালুয়া ইএফআরের ৩জন মিলিয়ে মোট ১৫জন আক্রান্ত।

জেলায় দৈনিক সংক্রমন ৩৪৩, খড়গপুর-মেদিনীপুর শহর ৭০ছুঁয়ে! শালবনীতে এবার আক্রান্ত সিআইএসএফ গড়বেতা-ডেবরা-পিংলায় ফের করোনার বাড়াবাড়ি, ঘাটালে বহাল সংক্রমন 2

মেদিনীপুর শহরে প্রায় ৭০ জন আক্রান্তের সর্বাধিক ৫ জন করে আক্রান্ত নজরগঞ্জ ও শরৎপল্লী এলাকাতে। ৪ জন করে আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে হবিবপুর, নজরগঞ্জ, কুইকোটা (গির্জা এলাকা সহ) ও তাঁতিগেড়িয়া (বিশ্ববিদ্যালয় সহ) এলাকায়। ক্ষুদিরামনগর, মিঞাবাজার, পালবাড়ি, পুলিশ লাইন এবং মেডিকেল কলেজ থেকে ২জন করে আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়া মিত্রকম্পাউন্ড, বিধাননগর, ধর্মা, তোড়াপাড়া, রাজারপুকুর, রবীন্দ্রনগর, আবাস, মধুসূদননগর, পাটনাবাজারে ১জন করে আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া গেছে। শহরের বাইরে খয়েরউল্লাচকে নতুন আক্রান্ত ১জন।

খড়গপুর মহকুমার ডেবরা এবং পিংলাতে ফের আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। ডেবরার ১৭ জন নতুন আক্রান্তের ৩জন ডেবরা সদর ও ২জন গোটগেড়িয়ার। বাকিরা কালিকাগেড়িয়া, ঝিকুরিয়া, তালাগেড়িয়া, বিষ্ণুপুর, বালিচক, আম্বাদিঘি শ্যমচক, আলোককেন্দ্র, গয়েশপুর, মালিগ্রাম, পসঙ, আলিশাগড়, রাধামোহনপুর এলাকার।
পিংলাতে আক্রান্ত ১৬ জন। এরমধ্যে পিংলা সদরে আক্রান্ত ৪জন। চকচণ্ডী, পিন্ডরুই, মির্জাপুরে ২জন করে আক্রান্ত।গঙ্গাদাসপুর, জলচক, দাররা, কেলেয়াড়া, কুসুমদা, পূর্ণগ্রাম, রাতরাপুরে আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে। সবং থানার শ্যামসুন্দরপুরে ২জন, কসবা সবং ও বোয়ালিয়া বাটিটকিতে আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে।

বেলদায় আক্রান্ত পাওয়া গেছে বেলদা সদরে ৩জন ছাড়া ব্রাহ্মনখলিসা, তুতরাঙা, খাকুড়দা, খালিনা, হেলেনিয়ানগর থেকে। দাঁতনের কৌলিয়া, তকিনগর,রেঞ্জুড়া ছাড়াও মহেশপুরে আক্রান্ত ২। নারায়নগড়ের নারায়নগড়,শেরগেড়িয়া, পাকুড়সেনি, মকরামপুর ও হাঁদলা রাজগড়ে আক্রান্ত পাওয়া গেছে।

মেদিনীপুর মহকুমার শালবনীতে ট‍্যাঁকশালের দায়িত্বে থাকা ৫জন সিআইএসএফ জওয়ানের দেহে সংক্রমন পাওয়া গেছে। এছাড়া শালবনী সদরে আক্রান্ত ২ জন। গোদাপিয়াশাল, জিন্দাল আক্রান্ত ১জন করে। কেশপুর থানাতেও এদিন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে যথেষ্টই। কেশপুর সদর ছাড়াও চকপ্রসাদ, পারুনিয়া, আনন্দপুর, নেড়াদেউল, মোহবনী, গোবিন্দপুর আয়মা, বিবেকপুর, গোপীবাঁধ, কেশপুর চড়কা, নাগদা চড়কা, ইছাইপুরে সংক্রমন মিলেছে। এছাড়া মাকুলচকে আক্রান্ত ২জন।

গড়বেতায় এদিন ২১জন আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে। সর্বোচ্চ আক্রান্ত গড়বেতা সদরেই, ৭জন। নবকোলা ও খাঁদিবাঁধে ২জন করে আক্রান্ত পাওয়া গেছে। বাদবাকি চন্দ্রকোনা রোড, কিয়াবনী, বড়কুড়া, আমলাগড়া, সাতবাঁকুড়া, দ্বারিগেড়িয়া, বড়ডাবচা, পানিকোটর, তুলসিচটি, রসকুন্ডু এলাকায়।
গোয়ালতোড়ের রাউতাড়া ও গোয়ালতোড়ে আক্রান্ত ২ জন করে। আক্রান্ত মিলেছে বেতমারিয়া ও কিয়ামাচা থেকে।

ঘাটাল মহকুমার চন্দ্রকোনার শ্রীনগরে আক্রান্ত ৩ জন। এছাড়া ওই থানার সুরেরহুট, কুয়াপুর, হাটপুকুর, কসন্দা, চুকা, ক্ষীরপাইয়ে ২জন , মেথনি ঝাকরা, শেরবাজ, নেহারপুর ও মহেশপুর থেকে আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে।
ঘাটালের কুসমানে আক্রান্ত ৬জন। কোন্নগরে আক্রান্ত ৩জন। কুশপাতা, বলরামপুর,শীতলপুর, রাধানগরে ২জন করে আক্রান্ত। এছাড়া খড়ার, প্রতাপপুর, গম্ভীরনগর, রামচন্দ্রপুর, রথীপুর, গোবিন্দপুর, নিশ্চিন্দিপুর, দাঁতিয়াড়া ও নতুকে আক্রান্ত পাওয়া গেছে।

দাসপুরের পলাশপাইয়ে আক্রান্ত ৩জন। ক্ষেপুত ও সোনামুইয়ে ২জন করে আক্রান্ত। বাকিরা হলেন রানিচক, সামাট, লক্ষণচক, ঘনশ্যামবাটি, অযোধ্যা, সয়লা, শ্যমচক, দাসপুর, হরিদ্রাপোতা, কাশিনাথপুর, সিংহচক, উদয়চক, জয়রামচক, খঞ্জপুর, তাজুর, সীতাপুর, সাতপোতা, কেলেগোদা, নিশ্চমপুর, নিশ্চিন্তিপুর, চাইপাট ও নাড়াজল এলাকার।

Previous articleফের দিল্লিতে অক্সিজেনের অভাবে মৃত্যু করোনা আক্রান্তদের, কেন্দ্রকে কড়া ভর্ৎসনা দিল্লি হাইকোর্টের
Next articleহেঁসেলিয়ানা: শুক্তো ; সুমিতা গোস্বামী