নির্বাচনের আগে দিলীপ-সৌমিত্র-র ঠান্ডা লড়াই, বিভাজন রুখতে মাঠে নামলেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব

234
নির্বাচনের আগে দিলীপ-সৌমিত্র-র ঠান্ডা লড়াই, বিভাজন রুখতে মাঠে নামলেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব 1

ওয়েব ডেস্ক : নির্বাচনের বাকি আর মাত্র ৭ মাস এর মধ্যে শুরু হয়েছে একের পর এক দলীয় কোন্দল। দিন কয়েক আগেই জেলা কমিটিগুলি ভেঙে দিয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। আর তাতেই অপমানিত হয়েছেন বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। এরপরই যুব মোর্চা থেকে ইস্তফা দেওয়ার কথা ঘোষণা করে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন সাংসদ। যদিও এখনও পর্যন্ত ইস্তফা দেননি সৌমিত্র খাঁ। তবে এই ঘটনার পর থেকেই দুটি ভাগে ভাগ হয়ে গিয়েছে গেরুয়া শিবির। একেই সামনে নির্বাচন, তারওপর আচমকা গেরুয়া শিবিরের অন্দরে বিভাজন সৃষ্টি হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই চাপের মুখে পড়েছে কেন্দ্রীয় বিজেপি। এই পরিস্থিতিতে ইতি টানতে চাইছে বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।

আরও পড়ুন -  নিরন্নের সাথে অন্নমুখে দেবাদ্রিতা, অন্ধকারে আলো ছড়ালেন বিভাষ, আরও একবার খেজুরি ছুঁয়ে মিডনাপুর ডট ইন

এদিকে রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনে বাকি আর মাত্র ৭ মাস। ফলে এই মূহুর্তে দলের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি হলে তাতে আদতে সুবিধা হবে শাসকদলের। ফলে এবার মাঠে নেমেছেন কৈলাস বিজয়বর্গীয় ও অরবিন্দ মেনন। এদিকে বিজেপির অন্দরে এখন দুটি লবি সৃষ্টি হয়েছে, সৌমিত্র খান হলেন মুকুল রায় ঘনিষ্ঠ। আর লোকসভা নির্বাচনে মুকুল রায় বিজেপিকে সংখ্যা এনে দিয়েছে। একই সাথে তৃণমূল থেকে বহু নেতাদের বিজেপিতে টেনেছেন মুকুল রায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই মুকুল রায়ের জন্যই যে এরাজ্যে সাফল্য পেয়েছে বিজেপি, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ফলে দু’‌পক্ষের মধ্যে বিভাজন না মেটালে আদতে দলেরই ক্ষতি হবে। এ কথা বুঝতে পেরেই এবার মাঠে নেমেছেন তাঁরা।

নির্বাচনের আগে দিলীপ-সৌমিত্র-র ঠান্ডা লড়াই, বিভাজন রুখতে মাঠে নামলেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব 2

এদিকে সম্প্রতি যুব মোর্চার ডাকে নবান্ন অভিযান কর্মসূচি নানা বিতর্কের মাঝেও সফল হয়েছে। এর জেরে বেশ প্রচারের আলোয় এসেছেন সৌমিত্র খাঁ। এর কিছুদিনের মধ্যেই তাকে না জানিয়েই আচমকা তাঁর তৈরি করা জেলা কমিটি ভেঙে দিয়েছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ। আর এই নিয়েই দলের মিধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। যদিও এই নিয়ে এখনও পর্যন্ত দিলীপ ঘোষ কিংবা সৌমিত্র খাঁ কেউই মুখ খুলতে চাননি। তবে সূত্রের খবর, বর্তমানে সৌমিত্রকে সরিয়ে মুকুল ঘনিষ্ঠ শঙ্কুদেব পাণ্ডাকে যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদক করতে চান বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতারা।