ড্রোন উড়িয়ে ভিড়ের দখল নিচ্ছে পুলিশ, আগল বন্ধ গ্রামেও ড্রোনের কড়া নজর

199
Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা: মেদিনীপুর শহরই হোক কিংবা দাসপুরের নিজামপুর অথবা বেলদার সাউরি, ড্রোনের নজর এড়িয়ে পালানোর উপায় নেই কারও। পুলিশের সক্রিয় বাহিনীর মতই এবার মাথার ওপর চক্কর দিচ্ছে ড্রোন। আকাশ পথ থেকেই কড়া নজরদারিতে লকডাউন ভাঙার প্রবনতা যাঁদের তাঁদের ওপর। কোথাও কোনও জটলা হলেই ড্রোন মারফৎ তা দেখতে পেয়েই খবর দেওয়া হচ্ছে কর্তব্যরত পুলিশ কর্মীদের। সাথে সাথে ছুটে যাচ্ছে পুলিশ।

Advertisement

সোমবার মেদিনীপুর শহরে কলেজ মাঠ থেকে ড্রোন উড়িয়ে শহরের বিভিন্ন রাস্তা ও মোড়গুলির জটলার দিকে নজর দেওয়া হয়েছে ৷ পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে তিনটি ড্রোন ব্যাবহার করা হচ্ছে এই কাজে ৷ যার মধ্যে দুটি ড্রোন করোনা সংক্রামিত দাসপুরের নিজামপুর গ্রামে ও দাঁতনের সাউরি গ্রামের লোকজনের গতিবিধি নজর রাখতে ব্যাবহার হচ্ছিল ৷ এবার আরও একটি ড্রোন নিয়ে সোমবার থেকে মেদিনীপুর শহর তল্লাটে নজরদারি শুরু হয়েছে ৷ কারন পুলিশ জানতে পেরেছেন শহরের গলিপথে জটলা আড্ডা অব্যহত ৷

Advertisement
Advertisement

জেলার অতিরিক্ত পুলিশ অম্লান কুসুম ঘোষ সহ অন্যান্য পুলিস কর্তারা কতোয়ালি থানার পুলিশ বাহিনীকে নিয়ে রাস্তায় ঘোরেন দিনভর ৷ ড্রোনের মাধ্যমে লোকজনের জটলার অবস্থান জেনে সেই স্থানে কতোয়ালী পুলিশের বাহিনীর ধরপাকড় চলে ৷ এদিন জটলা দেওয়ার সময়ে পুলিশের হাতে কয়েকজন আটক হয়েছে৷ আটক করা হয়েছে গাড়িও ৷ আপাতত এই ধরনের আকাশপথে ও স্থলপথে নজরদারি চলবে পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রনে না হওয়া পর্যন্ত বলে জানিয়েছেন পুলিশ কর্তারা ৷

অন্যদিকে কোভিড পজিটিভ ধরার পরেই জেলার যে দুটি গ্রাম সিল করে দেওয়া হয়েছিল সেই নিজামপুর আর সাউরিতেও উড়ছে ড্রোন। ড্রোনের চোখে পুলিশ কর্মীরা দেখছেন বাড়ির বাইরে কিংবা রাস্তার ওপরে কোনও গ্রামবাসী উঠে আসছেন কিনা। এ দুটি গ্রামের প্রতিটি পরিবারকেই খাদ্য শষ্য , সবজি, ওষুধ সহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য জোগান দিচ্ছেন পুলিশ। তাই অকারন বাড়ির বাইরে বের না হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া অবধি এমনই নজরদারি চালিয়ে যাওয়া হবে বলে পুলিশ বারবার সতর্ক করছে মাইকে। পাশাপাশি চলছে পুলিশি টহল।সব মিলিয়ে গ্রাম থেকে শহর এখন সর্বত্রই কড়া হাতে হাল ধরতে বদ্ধ পরিকর পুলিশ। আইন ভঙ্গকারীদের আর কোনও ভাবেই রেহাই দিতে রাজি নয় তারা ।