আরও ভয়াবহ হবে মহামারীর দ্বিতীয় বছর; সতর্কবার্তা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

147
Advertisement

নিউজ ডেস্ক: করোনার দ্বিতীয় তরঙ্গ সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে ভারত।এরই মধ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রোস আধানম ঘেব্রেসাস শুক্রবার বলেছেন যে, ভারতের কোভিড -১৯ পরিস্থিতি বেশ উদ্বেগজনক, কিছু রাজ্যের সংক্রমণ মারাত্মক রূপ নিচ্ছে , প্রত্যেকদিন হাজার হাজার মানুষ হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। হাসপাতালে আসা মানুষের মৃত্যুর ঘটনাও বাড়ছে।

Advertisement

এছাড়াও তিনি ভারতের সকল জনগনকে সতর্ক করে বলেন, মহামারীর দ্বিতীয় বছর প্রথম বছরের তুলনায় আরও ভয়াবহ হবে। এর জন্য মানুষকে আরও সতর্ক ও করোনার বিধি নিষেধ সঠিকভাবে মেনে চলতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রধান বলেন যে, কোভিড -১৯ এর বিরুদ্ধে লড়তে ভারতকে সকল প্রকার সহায়তা করছে তারা। এছাড়াও অক্সিজেন কন্সেন্ট্রেটর, অস্থায়ী হাসপাতালের জন্যে হাজার হাজার মাস্ক এবং অন্যান্য চিকিৎসা সামগ্রী সরবরাহ করছে তারা। এদিন ভারতকে সাহায্য করার জন্যে অন্যান্য দেশকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন হু প্রধান টেড্রোস আধানম ঘেব্রেসাস।

Advertisement
Advertisement

উল্লেখ্য, ভারতে প্রতিদিনই প্রায় তিন লক্ষেরও বেশি নতুন কেস আসছে এবং প্রায় চার হাজার সংক্রামিত মানুষ মারা যাচ্ছেন। তবে, ভাল বিষয়টি হ’ল নতুন কেসের থেকে বেশি পুনরুদ্ধারের সংখ্যা। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্য অনুসারে, গত ২৪ ঘন্টায় ৩ লক্ষ ২৬ হাজার ৯৮ টি নতুন করোনার কেস এসেছে এবং ৩ হাজার ৮৯০ সংক্রামিত মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। একই সময়ে, একদিনে করোনা যুদ্ধে জয়ী হয়েছেন ৩ লাখ ৫৩ হাজার ২৯৯ জন ব্যক্তি। অর্থাৎ, ৩১ হাজার ৯১ টি সক্রিয় কেস কম হয়েছে।

১৫ ই মে অবধি সারা দেশে ১৮ কোটি ৪ লক্ষ ৫৭ হাজার ৫৭৯ করোনার ডোজ দেওয়া হয়েছে। আগের দিন ১১ লক্ষ ৩ হাজার ৬২৫ টি ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছিল। একই সময়ে, ৩১.৩০ কোটিরও বেশি করোনার পরীক্ষা করা হয়েছে। শুক্রবার ১৭ লক্ষ করোনা টেস্ট করা হয়েছিল, যার পজিটিভের হার ১৭ শতাংশের বেশি।

দেশে করোনার মৃত্যুর হার ১.০৯ শতাংশ এবং পুনরুদ্ধারের হার ৮৩ শতাংশেরও বেশি। অ্যাক্টিভ কেসগুলি ১৬ শতাংশেরও কম হয়েছে। করোনার অ্যাক্টিভ কেসের দিক থেকে ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। সংক্রামিত মোট সংখ্যার দিক থেকেও ভারত দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। আমেরিকা ও ব্রাজিলের পরে ভারতে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।