সংক্রমণ রুখতে সরকারি কর্মীদের ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’!! নজর রাখতে নতুন সফটওয়্যার রাজ্যের

301
সংক্রমণ রুখতে সরকারি কর্মীদের 'ওয়ার্ক ফ্রম হোম'!! নজর রাখতে নতুন সফটওয়্যার রাজ্যের 1

ওয়েব ডেস্ক: করোনার সংক্রমণ এড়াতে সরকারী কর্মীদের জন্য বার বার ভিন্ন ভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছেন রাজ্য সরকার। সরকারের তরফে ইতিমধ্যেই কর্মীদের জন্য দুটি শিফটের ব্যবস্থা করা হয়েছে৷ প্রথম শিফট সকাল সাড়ে ন’টা থেকে আড়াইটে এবং দ্বিতীয় শিফট দুপুর সাড়ে বারোটা থেকে বিকেল সাড়ে পাঁচটা। এর কয়েকদিনের মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, রাজ্য অর্থ দফতরের কর্মীদের অফিসে আসার প্রয়োজন নেই। তারা বাড়িতে বসেই ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ কাজ করতে পারবেন। কিন্তু প্রশ্ন হল সব কর্মীরা আদৌ অফিসের মতোই নির্দিষ্ট সময় মেনে ওয়ার্ক ফ্রম হোম করছেন তো? সেদিকে নজর রাখতে এবার একটি অভিনব সফটওয়্যার আনল নবান্ন। এর জেরে একই সাথে হাজার হাজার কর্মীর উপর নজর রাখা সম্ভব হবে।

আরও পড়ুন -  দুর্নীতির অভিযোগে ৭৬১ জন রেশন ডিলারকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত রাজ্যের

এবিষয়ে এক সরকারি আধিকারিক বলেন, “সরকারি কর্মীরা যদি ভাবেন, কেউ তাঁদের দেখতে পাচ্ছেন না বলে যা খুশি তাই করতে পারবেন, তাহলে ভুল ভাবছেন। এই সফটওয়্যারে লগ ইন করতে হবে। তাহলেই ডিউটি আওয়ার্সে তাঁদের পারফরম্যান্সের উপর নজর রাখা যাবে। বাড়িতে রয়েছেন বলে কাজের প্রতি অবহেলা চলবে না।”

করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় দীর্ঘ ২ মাস যাবত গোটা বিশ্বের বিভিন্ন অফিসের তরফে কর্মীদের ওয়ার্ক ফ্রম হোমের সুবিধা দেওয়া হয়েছে। অফিস কিংবা অন্যান্য কর্মীদের সাথে যোগাযোগের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে স্কাইপি-জুম অ্যাপের মতো বিভিন্ন ভিডিও কলিং অ্যাপ। কিছু বেসরকারি অফিসের ক্ষেত্রেও একই পদ্ধতি মানা হচ্ছে। কিন্তু রাজ্য সরকারের এই নয়া সফটওয়্যার কর্মীদের কাজের ওপর পুঙ্খানুপুঙ্খ নজর রাখবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন -  আজকের রাশিফল । ৮ সেপ্টেম্বর , কেমন কাটবে আজকের দিন !

১লা জুন থেকে রাজ্য সরকার সরকারি ও বেসরকারি ক্ষেত্রে প্রথমে ১০০% কর্মী নিয়ে কাজ শুরু করার পরামর্শ দিলেও। বাস-অটো খুলে যাওয়ার পর থেকেই দেখা যায় রাস্তায় ভীড় জমছে। সেই সাথে ভীড় হচ্ছে বাসে ও অটোতে। সামাজিক দূরত্বের বিন্দুমাত্র মানা হচ্ছে না। এর জেরে স্বাভাবিকভাবেই দিন দিন বাড়ছে সংক্রমণ। এই পরিস্থিতিতে সংক্রমণ এড়াতে সরকারের তরফে সিদ্ধান্ত বদল করা হয়। কর্মীদের জন্য দুটি শিফটের ব্যবস্থা করা হয়। এমনকি বলা হয় যদি কোনও কর্মীর জ্বর-সর্দি-কাশি জাতীয় উপসর্গ থাকে তবে সেক্ষেত্রে তাদের অফিস আসার প্রয়োজন নেই বরং তাদের বাড়ি বসেই কাজ করার অনুমতি দেওয়া হয়৷ এর কয়েকদিনের মধ্যে একই ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের তরফে অর্থ দফতরের কর্মীদেরও বাড়ি বসে কাজের সুযোগ দেওয়া হয়। এবার রাজ্য সরকারের নতুন এই সফটওয়্যার বেশ চমকপ্রদ।

সংক্রমণ রুখতে সরকারি কর্মীদের 'ওয়ার্ক ফ্রম হোম'!! নজর রাখতে নতুন সফটওয়্যার রাজ্যের 2