বেলদার একাদশ শ্রেনীর ছাত্রীকে লাগাতার ধর্ষনের আভিযোগে গ্রেপ্তার সবংয়ের প্রধান শিক্ষক

468
বেলদার একাদশ শ্রেনীর ছাত্রীকে লাগাতার ধর্ষনের আভিযোগে গ্রেপ্তার সবংয়ের প্রধান শিক্ষক 1
বেলদার একাদশ শ্রেনীর ছাত্রীকে লাগাতার ধর্ষনের আভিযোগে গ্রেপ্তার সবংয়ের প্রধান শিক্ষক 2
বেলদার একাদশ শ্রেনীর ছাত্রীকে লাগাতার ধর্ষনের আভিযোগে গ্রেপ্তার সবংয়ের প্রধান শিক্ষক 3
অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক 

নিজস্ব সংবাদদাতা : এক নাবালিকা ছাত্রীকে লাগাতার ধর্ষনের অভিযোগে স্কুলেরই প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। গ্রেপ্তারের ঘটনা পশ্চিম মেদিনীপুরের বেলদা থানা এলাকায় ঘটলেও লাগাতার ধর্ষনের ঘটনা ঘটে আসছিল ওই জেলারই সবং থানা এলাকায় যে স্কুলে ওই ছাত্রী পড়ত এবং হোস্টেলে থাকত। আভিযোগ ছাত্রীটিকে প্রায়ই প্রধানশিক্ষক এদিক ওদিক ঘুরতে নিয়ে যেত এবং সহবাস করত বলে আভিযোগ।

বেলদার একাদশ শ্রেনীর ছাত্রীকে লাগাতার ধর্ষনের আভিযোগে গ্রেপ্তার সবংয়ের প্রধান শিক্ষক 4

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
বৃহস্পতিবার সরস্বতী পুজোর দ্বিতীয় দিনে ওই ছাত্রীকে ফের ধর্ষনের জন্য কোথাও নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল এমনই আভিযোগে আটক করার পর কিছু যুবক ওই প্রধান শিক্ষককে ছাত্রী সহ আটক করে এবং বেলদা থানায় নিয়ে আসে। রাতেই ছাত্রীর পরিবার থানায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ওই নাবালিকা ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ আনার পরই গ্রেপ্তার করা হয় প্রধান শিক্ষককে। 

বেলদার একাদশ শ্রেনীর ছাত্রীকে লাগাতার ধর্ষনের আভিযোগে গ্রেপ্তার সবংয়ের প্রধান শিক্ষক 5

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের নাম আশুতোষ মন্ডল।বিবাহিত এবং পুত্র সন্তানের জনক ওই প্রধান শিক্ষকের  বাড়ি সবং থানারই শ্যামসুন্দরপুরে। মণ্ডল মাত্র কয়েকমাস আগেই  নদিয়ার একটি স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদ থেকে অব্যাহতি নিয়ে সবংয়ের  বসন্তপুর ঝাড়েশ্বর বাণী ভবন হাই স্কুল এর প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব নেন। পরে ওই স্কুলেরই নাবালিকা ছাত্রীটিকে ফুঁসলিয়ে তার সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলেন এমনই আভিযোগ। ওই নাবালিকাকে ভুলিয়ে-ভালিয়ে এখানে সেখানে ঘুরাতে নিয়ে গিয়ে তিনি ধর্ষন করতেন এমনই আভিযোগ পরিবারের। বেলদা থানার একটি গ্রামের ওই মেয়েটি বৃহস্পতিবার বাড়িতেই ছিল।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
প্রধান শিক্ষকের ফোন পেয়ে কম্পিউটার শেখার নামে বেরিয়ে যায়। এরপর বাসে করে প্রধান শিক্ষকের নির্দেশিত জায়গায় নামে। তারপর দাঁতন থেকে জঙ্গলকন্যা সেতু হয়ে কেশিয়াড়ি যায়। পরে ফের ৬০নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে বাড়ি ফেরার মুখে তাঁদের আটকায় কিছু যুবক। যুবকদের দাবি বহুদিন ধরেই মেয়েটির সর্বনাশ করে যাচ্ছিল এই রক্ষক রুপী ভক্ষক প্রধান শিক্ষক। যুবকরাই খবর দেয় মেয়েটির পরিবারে।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
এরপরই মেয়ের পরিবারের পক্ষ থেকে বেলদা থানায় আভিযোগ দায়ের হয়। পুলিশ ওই প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে শুক্রবারই আদালতে পেশ করেছে। পকসো আইনে মামলা দায়ের হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। মেয়েটির ডাক্তারি পরীক্ষার পাশাপাশি আদালতে গোপন জবানবন্দি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।