আবারও পরকীয়ার বলি স্বামী, চাকরি হাতাতে প্রেমিককে সঙ্গে নিয়ে স্টেশন মাস্টারকে খুন স্ত্রীর

270
Advertisement
                  
নিজস্ব সংবাদদাতা: মনুয়া কান্ডের স্মৃতি ফিরল আরও একবার। প্রেমিকের সঙ্গে ঘর বাঁধতে স্বামীকে খুন করল স্বামী। খুনের উদ্দেশ্য আগামী জীবনের কাঁটা সরানোর পাশাপাশি মৃত স্বামী চাকরিটাও হাতিয়ে নেওয়া। শনিবার রাতে দক্ষিন ২৪পরগনার ডায়মন্ড হারবার স্টেশন মাস্টার খুনের ৬দিনের মাথায় এই সত্য উদঘাটন করল ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশ।

Advertisement

Advertisement
Advertisement

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
উল্লেখ্য ওই দিন রাতেই ডায়মন্ড হারবারের রায়নগরের ১১ নম্বর ওয়ার্ডের ভাড়াবাড়ির অদুরে একটি নর্দমা থেকে উদ্ধার হয়  স্টেশন মাস্টার নির্মল কুমারের দেহ।  তাঁর স্ত্রী সোনালি জানিয়েছিল সে রাতে ঘরে ফেরেনি নির্মল। রবিবার সকালে দেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করা হয়। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে আসার পরই পুলিশের কাছে পরিষ্কার হয়ে যায় যে নির্মল কুমারকে খুন করা হয়েছে। এরপরই সোনালি কে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ। টানা জেরায়া ভেঙে পড়ে সে।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
পুলিশ জানতে পেরেছে সেদিন রাতে নির্মলের সঙ্গেই ঘুমিয়েছিল সোনালি। স্বামী ঘুমিয়ে পড়তেই সে দরজা খুলে দেয় অপেক্ষমান প্রেমিককে। তারপর দুজনে মিলে শ্বাসরোধ করে খুন করে নির্মলকে।  সোনালি পুলিশকে জানিয়েছে,  বিয়ের আগে থেকেই আরশাদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল তার। কর্মসূত্রে বিহার থেকে ডায়মন্ড হারবারে স্বামীর সঙ্গে চলে আসে সোনালি। তবুও আরশাদের সঙ্গে নিত্য যোগাযোগ ছিল তার। স্বামী নির্মলকে খুন না করলে আরশাদের সঙ্গে সংসার করা যাবে না তা বুঝতে পারে সোনালি।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
এছাড়াও তার পরিকল্পনা ছিল স্বামীকে খুন করে রেলের চাকরি হাতাবে সে। তাই শনিবার রাতে প্রেমিক আরশাদকে ডায়মন্ড হারবারের বাড়িতে ডেকে নেয় সোনালি। স্বামী ঘুমিয়ে পড়ার পরই শনিবার রাতে আরশাদ প্রেমিকার ভাড়াবাড়িতে আসে। প্রেমিকের সাহায্যে শ্বাসরোধ করে স্বামীকে খুন করে সোনালি।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
এরপর আরশাদ স্টেশন মাস্টার নির্মল কুমারের দেহ নর্দমায় ফেলে দেয়। বিহারে পালিয়ে যাওয়ারও ছক কষেছিল আরশাদ। তবে ইতিমধ্যেই জানাজানি হয়ে যায় গোটা ঘটনা। সোনালির বয়ানের ভিত্তিতে পুলিশ আরশাদকেও গ্রেপ্তার করে। শুক্রবারই দু’জনকে আদালতে পেশ করে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। দুজনকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করার পাশাপাশি খুনের ঘটনার পুনর্নির্মাণও করতে চায় পুলিশ।