Homeএখন খবরজোটের চোরাস্রোত টের পেয়েই শুরু আক্রমন, আই.সির অপসারণ দাবি করল কংগ্রেস

জোটের চোরাস্রোত টের পেয়েই শুরু আক্রমন, আই.সির অপসারণ দাবি করল কংগ্রেস

Advertisement

এই সভার সামনেই মাইক বাজানোর অভিযোগ শাসকদলের বিরুদ্ধে  

নিজস্ব সংবাদদাতা: খড়গপুর শহর থানার ইনসপেক্টর ইনচার্জ রাজা মুখার্জী বিধানসভা উপনির্বাচনে শাসকদলের হয়ে কাজ করছে এমনই দাবি তুলে তাঁর অপসারন দাবি করল কংগ্রেস। শুক্রবার এই মর্মে নির্বাচন কমিশনারের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছে বাম-কংগ্রেস জোট প্রার্থী চিত্তরঞ্জন মণ্ডলের নির্বাচনি এজেন্ট ও শহরের বরিষ্ঠ কংগ্রেস নেতা অমল দাস।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
অভিযোগ দায়ের করার পর দাস জানিয়েছেন, ”শাসকদল তৃনমূল কংগ্রেস ও বিজেপির গট আপ গেম ভালই চলছিল কিন্ত এর মধ্যে যে জোট প্রার্থী লড়াইয়ে চলে এসেছে এটা ওরা প্রথমটা বুঝতে পারেনি। এখন যখন লক্ষ্য করছে যে ওই দুই দলের বিরুদ্ধে মানু্ষের ক্ষোভ দানা বেঁধেছে এবং জোটের সমর্থনে মানু্ষের চোরা স্রোত বইছে তখনই নগ্ন আক্রমন নামিয়ে আনা হচ্ছে।”

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
দাস অভিযোগ করেছেন, গত প্রায় এক সপ্তাহ ধরে আমাদের সভা প্রচারের ওপর হামলা হয়েছে। কোথাও সভার সামনে মাইক বাঁধা হয়েছে, কখনও প্রচার গাড়ির ওপর হামলা হচ্ছে। আর লজ্জার বিষয় এই অভিযোগ গুলো জানাতে গেলে টাউন আইসি হাসছেন। অথচ আমরা সমস্ত কিছুই করেছি পুলিশের আগাম অনুমতি নিয়েই।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
নির্বাচন কমিশনকে তথ্য দিয়ে দাস অভিযোগ করেছেন, শুক্রবার ধ্যানসিং ময়দানে সভা চলাকালীন বারবার ওই রাস্তায় ৩০টি মাইকবাঁধা রিকশা নিয়ে প্রায় সম সংখ্যক বাইক নিয়ে মিছিল হয়েছে। সেই মিছিল সভার কাছে গিয়ে থমকে দাঁড়িয়েছে। বক্তাদের বক্তব্য রাখা বন্ধ করতে হয়েছে। এটা কোন নিরপেক্ষতার নজির রাখছে পুলিশ আর প্রশাসন। এই সভায় তিনজন তারকা প্রচারক থাকছেন এটা পুলিশ জানতনা ?

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
আরও মারাত্মক ঘটনা যে ওই সভা চলাকালিন পার্ক করে রাখা উচ্চ নেতৃত্বের গাড়ি বিশেষ করে সাংসদ  সর্বভারতীয় কংগ্রেস কমিটির সাধারন সম্পাদক গৌরব গগৈ য়ের গাড়ির চাকার হাওয়া খুলে নেওয়া হয়। সমস্তটাই হয়েছে কর্তব্যরত পুলিশ কর্মীদের উপস্থিতিতেই।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
গত ১৬ নভেম্বর থেকে শুরু করে ২১তারিখ অবধি শহরের শ্রীকৃষ্ণপুর, গান্ধীনগর, ভান্ডারিচক ইত্যাদি কখন কিভাবে জোটের সভা ও প্রচারে বিঘ্ন ঘটানো হয়েছে তার বিস্তারিত বিবরন দেওয়া হয়েছে ওই অভিযোগ পত্রে।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
অমল দাস জানিয়েছেন, নির্বাচন যতই সামনে আসছে ততই ফুটো হয়ে যাচ্ছে শাসকদলের মিথ্যা প্রচারের ফানুস। মানু্ষের মন উল্টো খাতে বইছে দেখেই আতঙ্কে ভুগছে শাসকদল। তাই পুলিশ আর গুন্ডা নিয়ে উঠে পড়েছে বিপক্ষের প্রচার বন্ধ করার জন্য। খড়গপুরের আইসি সেই কাজে সহায়তা করছেন। এই আইসি থাকলে সুষ্ঠ ও অবাধ নির্বাচন সম্ভব নয় তাই ওনার অপসারণ দাবী করেছি কমিশনের কাছে। 

Advertisement

Advertisement

RELATED ARTICLES

Most Popular