Homeএখন খবরশেষ বেলায় ঝাঁপাল সব পক্ষই, তৃনমূলের মিছিলের গড়বেতা, কেশপুর, ডেবরা, নারায়নগড়, কেশিয়াড়ি

শেষ বেলায় ঝাঁপাল সব পক্ষই, তৃনমূলের মিছিলের গড়বেতা, কেশপুর, ডেবরা, নারায়নগড়, কেশিয়াড়ি

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা: ৩৬ঘন্টা আগে শেষ করতে হবে প্রকাশ্য প্রচার তাই শেষবেলার প্রচারে ঝাঁপাল সব রাজনৈতিক দলই। তবে নিঃসন্দেহে প্রচারে আলো কেড়ে নিয়েছে তৃণমূল। মিছিল ভরাতে এদিন তৃনমূলকে লোক আনতে দেখা গেছে গড়বেতা, কেশপুর, ডেবরা, নারায়নগড়, কেশিয়াড়ি ব্লক এলাকাগুলি থেকে।
শেষবেলায় তৃণমূলের মিছিলের রুট ছিল গিরিময়দান লাগোয়া বড় বাতি থেকে খড়গপুর কলেজ অবধি। লম্বা রুটের এই মিছিলের জন্য বেলা দশটা থেকেই সারি সারি বাস, লরি, ম্যাটাডোর ইত্যাদি যান ঢুকতে থাকে। দেখা যায় উল্লেখিত ব্লক বা থানা এলাকা থেকে একের পর এক গাড়ি ঢুকছে। শুধু কেশপুর থেকেই ছোটোবড় মিলিয়ে শতাধিক গাড়ি শহরে প্রবেশ করে । 

ডেবরা থেকেও প্রবেশ করেছে ২৫টি মত গাড়ি। কেশপুর বা ডেবরার প্রত্যন্ত অঞ্চল শীর্ষা বা ভরতপুর থেকেও এদিন বাস আসতে দেখা গেছে। গড়বেতা, নারায়নগড়, কেশিয়াড়ি থেকেও এসেছে অনেক গাড়ি আসতে লক্ষ্য করা গেছে। প্রায় পাঁচশ মত ছোটবড় গাড়িতে এদিন কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে বড়বাতি এলাকা।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
তৃণমূলের এই ‘বহিরাগত’দের এনে মিছিল করাকে কটাক্ষ করেছেন বিজেপি এবং জোট। বিজেপির জেলা সভাপতি শমিত দাস বলেছেন, ”নিজদের পরাজয় যে নিশ্চিত তা প্রমান করে দিল তৃনমূল। শহরে সমর্থন নেই বলেই বাইরে থেকে লোক আনতে হয়েছে ওদের।”

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
কংগ্রেস নেতা অমল দাস বলেছেন, ” আমরা আগেই বলেছিলাম যে টাকা এবং বহিরাগতরাই তৃণমূলের ভরসা। এই মিছিলের জন্য ভাড়া করা ওই শতশত গাড়ির টাকা কোথা  থেকে এল ? এত টাকা কে দিচ্ছে কমিশন তার হিসাব নিক।”

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
তৃণমূলের জেলা সভাপতি অজিত মাইতি বলেন, ‘মিছিলে বহিরাগত কেউ ছিল এমনটা আমি জানিনা। আমাদের স্বতঃস্ফূর্ত মিছিল হয়েছে।’    প্রচারের শেষ বেলায় কংগ্রেস বাইক মিছিল করেছে গোলাবাজারের দলীয় কার্যালয় থেকে নিমপুরা হয়ে মন্দিরতলা, চাচার সমাধি অবধি। অন্যদিকে বিজেপি এদিন সারা শহর জুড়েই মিছিল করেছে। 

Advertisement

Advertisement

RELATED ARTICLES

Most Popular