মাঝ রাতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হল খড়গপুরের এনজিও অফিস ও একাধিক দোকানে, ক্ষোভে ফুটছে চায়না টাউন

216
মাঝ রাতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হল খড়গপুরের এনজিও অফিস ও একাধিক দোকানে, ক্ষোভে ফুটছে চায়না টাউন 1
মাঝ রাতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হল খড়গপুরের এনজিও অফিস ও একাধিক দোকানে, ক্ষোভে ফুটছে চায়না টাউন 2
এখানেই ছিল এনজিও  অফিস যা বর্তমানে পুড়ে ছাই 

নিজস্ব সংবাদদাতা: খড়গপুর শহরের বিগ বাজারের পেছন দিকেই অবস্থিত চায়না টাউন। নামেই টাউন, আদতে বস্তি এলাকা। রেলের কিছু ধ্বংস প্রায় কোয়াটার, কালো তার্পোলিন আর টালি কিংবা খোলের ছাউনি দেওয়া ঘরে গা ঠেসাঠেসি করে থাকা বহু পরিবার। মুলত অবাঙালি ভাষাভাষিরাই এখানে রয়েছেন বেশি বেশি করে।

মাঝ রাতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হল খড়গপুরের এনজিও অফিস ও একাধিক দোকানে, ক্ষোভে ফুটছে চায়না টাউন 3

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
গিরিময়দানের দিক থেকে পুর্ব মুখে বিগবাজার এলে বাজারের গেট পেরিয়ে প্রাচীর বরাবর সোজা রাস্তা নেমে গেছে উত্তর দিকে। একদা রাস্তার শেষেই খরিদা মুল রাস্তার ওপারে থাকা মিলনী সিনেমা হলের নামে অনেকেই এখনও মিলনী সিনেমার গলি বলে থাকেন। সেই রাস্তার দু’পাশে গড়ে ওঠা রেলের অবসরপ্রাপ্ত নিম্নপদস্থ কর্মচারীদের বংশধারদেরই বস্তির বাহারি নাম চায়না টাউন।

মাঝ রাতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হল খড়গপুরের এনজিও অফিস ও একাধিক দোকানে, ক্ষোভে ফুটছে চায়না টাউন 4
পুড়ে যাওয়া অফিসের আগের ছবি, বাঁদিকে লক্ষী 

বুধ আর বৃহস্পতিবারের মধ্যরাতেই এখানে আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ‘খড়গপুর দীপ মহিলা সমিতি ‘ নামে  একটি এনজিও অফিস সঙ্গে লাগোয়া একটি হোটেল। রাস্তার উল্টো দিকে কোনও দাহ্য পদার্থ ঢেলে পোড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে দুটি গুমটিও।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
দীপ মহিলা সমিতির সভানেত্রী রোকেয়া বেগম যিনি লক্ষী নামেই এলাকায় অধিক পরিচিত জানিয়েছেন, ” রাত্রি আনুমানিক দেড়টার সময় আগুন লাগানো হয়। ২টা নাগাদ পুলিশ ও দমকল এলেও তখন পুরোপুরি ভস্মীভূত অফিসটি মাটির সঙ্গে মিশে গেছে। একটা কিছুই বাঁচানো যায়নি।”

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
২০১৪সালের রেজিস্ট্রেশন হওয়া এই এনজিও গত আট বছর ধরে অফিস খুলে এখানে কাজ করছে। কয়েক হাজার মহিলা এর সদস্যা। দুঃস্থ মহিলাদের জন্য কল্যানমুলক কাজ করার পাশাপাশি এলাকায় ড্রাগ ও মাদক বিরোধি প্রচারেও এরা সক্রিয়।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
লক্ষী জানিয়েছেন, এটা কোনও দুর্ঘটনা নয়, পরিষ্কার নাশকতার কাজ। পাশের কয়েকটা গুমটি দেখলেই পরিষ্কার হয়ে যাবে কিভাবে সেগুলি দাহ্য তরল ঢেলে জ্বালানোর চেষ্টা হয়েছিল। নির্দিষ্টভাবে কাউকে দায়ী না করলেও ঘটনার পেছনে বস্তি উচ্ছেদের প্রক্রিয়া ও মাদক চক্র কাজ করছে বলেই মনে করছেন এলাকাবাসী।