এবার Wire Free zone হচ্ছে খড়গপুর শহর! ২১০কোটি টাকার প্রকল্প নিয়ে WBSEDCL, পুজোর আগেই টেন্ডার, ডিসেম্বরে কাজ শুরু

West Bengal State Electricity Distribution company limited, WBSEDCL going to introduce Underground electricity supply sytem for all 35 words of Kharagpur city. This Rs 210 Cr. project will change the scenario of the city. The Wire lase power Project like to be started before december'20.

3024
এবার Wire Free zone হচ্ছে খড়গপুর শহর! ২১০কোটি টাকার প্রকল্প নিয়ে WBSEDCL, পুজোর আগেই টেন্ডার, ডিসেম্বরে কাজ শুরু 1

নিজস্ব সংবাদদাতা: পুজোর আগেই সু-খবর চলে এল খড়গপুর শহরের জন্য। পুরো Wire Free Zone হয়ে যাচ্ছে খড়গপুর শহর। খড়গপুর শহরের রেল এলাকা সহ ৩৫টি ওয়ার্ডে আর কোনও বিদ্যুতের তার দেখা যাবেনা প্রকাশ্যে। সমস্ত বিদ্যুৎ পরিবাহী তার যাবে মাটির তলা দিয়ে যাকে বলা হচ্ছে Underground Cables System। সোমবার এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে চূড়ান্ত পর্যায়ের বৈঠক সেরে ফেলেছেন রাজ্য বিদ্যুৎ বন্টন (WBSEDCL) নিগমের কর্তারা।

বিদ্যুৎ বন্টন নিগমের পশ্চিম মেদিনীপুরের রিজিওনাল ম্যানেজার দিলীপ কুমার বাছার দ্য খড়গপুর পোষ্টকে জানিয়েছেন, ” পুজোর আগেই Global Tender প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাবে যা কিনা শেষ হবে পুজোর পরে এবং আমরা আশা করছি কাজ শুরু হয়ে যাবে ডিসেম্বরের আগেই। এই কাজ সম্পন্ন হবার পর খড়গপুর শহরে প্রকাশ্যে আর কোনও বিদ্যুৎবাহী তার থাকবেনা। ৩৫ হাজার থেকে শুরু করে বাড়ির ২২০ভোল্টের তারও থাকবে মাটির নিচে। প্রত্যেকের বাড়ি বা ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের মিটার বাইরে থাকবে।”

এবার Wire Free zone হচ্ছে খড়গপুর শহর! ২১০কোটি টাকার প্রকল্প নিয়ে WBSEDCL, পুজোর আগেই টেন্ডার, ডিসেম্বরে কাজ শুরু 2

শ্রী বাছার জানিয়েছেন, “মাটির নিচে পরিবাহী প্রতিটি তারেরই বিকল্প পরিবহন ব্যবস্থা থাকবে যে কারনে কোনো কারণে মূল লাইনে সমস্যা হলে বিকল্প লাইনে বিদ্যুৎ সংযোগ যাবে ফলে নিরবিছন্ন বিদ্যুৎ পরিষেবা পাবেন গ্রাহকরা।”
রাজ্যের বিদ্যুৎ মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন,” ২০২৫ সালের মধ্যে রাজ্যের ৭৭টি শহরে এই প্রকাশ্যে বিদ্যুৎ তার মুক্ত পরিষেবা চালু করার লক্ষ্যে ৪৮০৯কোটি টাকার প্রকল্প নেওয়া হয়েছে যার মধ্যে প্রথমে ১১ টি বড় শহরকে বেছে নেওয়া হয়েছে।”

আরও পড়ুন -  জাতকের স্মৃতি ফিরিয়ে মেদিনীপুরের 'নগরলক্ষী' যেন টিম শ্রাবস্তী

রাজ্য বিদ্যুৎ বন্টন নিগমের এক কর্তা জানিয়েছেন, ” নদীয়া জেলার নবদ্বীপ এবং বীরভূমের বোলপুরের এই কাজ সফলতার সঙ্গে শেষ করা হয়েছে। এবার খড়গপুর এবং আসানসোলে কাজ শুরু করতে চলেছি আমরা। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ২০২১য়ের মাঝামাঝি কাজ শেষ করতে পারব। স্থানীয় প্রশাসন যেমন খড়গপুর পৌরসভা ও রেল তার নিজের অংশে মাটি কেটে আমাদের জন্য তার বেছানোর জায়গা করে দেবে। সেই বাবদ টাকা দেবে বিদ্যুৎ দপ্তর। এই প্রক্রিয়া তাঁরা যত দ্রুত করবেন কাজও তত দ্রুত হবে।”

আরও পড়ুন -  সাগর দ্বীপের ওপরই আছড়ে পড়ল বুলবুল, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, ভাঙল কয়েক হাজার বাড়ি, উপড়ে পড়ল গাছ, সরানো হল ৫০হাজার মানুষকে

পশ্চিম মেদিনীপুর রিজিওনাল ম্যানেজার শ্রী বাছার বলেন, ” এই ব্যবস্থা চালু হয়ে গেলে প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন ঝড়, অতিবৃষ্টি, বজ্রপাতেও শহরে নিরবিছন্ন থাকবে বিদ্যুৎ পরিষেবা। বিদ্যুৎ চুরির সম্ভবনা অনেকাংশেই কমে যাবে। আমাদের দেখভালের খরচ ও সময়ের সাশ্রয় হবে
শহরের সৌন্দর্য আমূল বদলে যাবে আর শহরের মধ্যে গাছপালা বিনা বাধায় বাড়তে থাকায় শহরের পরিবেশের অনেক উন্নতি হবে।”

আরও পড়ুন -  'স্পেশাল কুপন' এর মাধ্যমে রাজ্যে রেশন চালু হল পরিযায়ী শ্রমিকদের

বলাবাহুল্য চৌরঙ্গী থেকে পুরাতন বাজার অবধি খড়গপুর শহরের রাস্তা সম্প্রসারণের ও সৌন্দর্যায়নের প্রকল্পের পর এটাই খড়গপুরের জন্য আরও একটি বড় প্রকল্প যা শহরের গুনগত মানকে অনেক উন্নত করে দেবে। যদিও এই কাজের জন্য ফের গোটা শহর জুড়েই আরও একবার খোঁড়াখুঁড়ির কাজ চলবে। শহরের কোন অংশ দিয়ে কী ধরনের তার যাবে তা নিয়ে রূপরেখা তৈরি করছেন বিদ্যুৎ দপ্তরের ইঞ্জিনিয়াররা।