কলকাতা যেন কুড়ির মুম্বাই, একদিনেই সংক্রমন ২ হাজার ছাড়ালো! রাজ্যে দৈনিক সংক্রমন সাড়ে ৮ হাজার ছুঁয়ে, মহানগরে বড় সভা বাতিল করলেন মমতা

286
কলকাতা যেন কুড়ির মুম্বাই, একদিনেই সংক্রমন ২ হাজার ছাড়ালো! রাজ্যে দৈনিক সংক্রমন সাড়ে ৮ হাজার ছুঁয়ে, মহানগরে বড় সভা বাতিল করলেন মমতা 1

নিজস্ব সংবাদদাতা: যেন ২০২০ সালের মুম্বাই হয়ে গেল কলকাতা মহানগর!করোনা কালের শুরুতেই এই মুম্বাই থেকেই দেশের সর্বোচ্চ আক্রান্তের খবর আসত, দৈনিক দেড় থেকে দু’হাজার! রবিবার ছুটির দিনে তেমনই খবর আসল বাংলার রাজধানী থেকে। গত ২৪ ঘন্টায় ২ হাজার আক্রান্ত ছাড়িয়ে গেল কলকাতা মহানগরে। আর তারই সঙ্গে রাজ্যও আক্রান্তের নতুন রেকর্ড সাড়ে ৮ হাজারের গন্ডি ছুঁয়ে ফেলল প্রায়। একই সঙ্গে বাড়ল মৃত্যুর সংখ্যাও। গত ২৪ ঘন্টায় ২৮ জনের মৃত্যু হওয়ায় প্রতি ঘন্টায় ১জনেরও বেশি মৃত্যু হচ্ছে বলে জানা গেছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তরের রিপোর্টে।

কলকাতা যেন কুড়ির মুম্বাই, একদিনেই সংক্রমন ২ হাজার ছাড়ালো! রাজ্যে দৈনিক সংক্রমন সাড়ে ৮ হাজার ছুঁয়ে, মহানগরে বড় সভা বাতিল করলেন মমতা 2

রবিবার রাজ্যে দৈনিক সংক্রমণের সংখ্যা ৮,৪১৯। যা শনিবারের থেকে প্রায় ৭০০ বেশি। যার ফলে মোট সংক্রমণের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৬,৫৯,৯২৭ জন। এর মধ্যে কলকাতায় সংক্রমিত হয়েছেন ২,১৯৭ জন। গতকাল কলকাতায় সংক্রমণের সংখ্যা ছিল ১,৯৯৮। তার পরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। রবিবার সেখানে আক্রান্ত হয়েছেন ১,৮৬০ জন। মৃত্যুর হারে এদিন এগিয়ে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে ৬ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। রবিবার কলকাতায় ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে রবিবার মৃত্যু হয়েছে ২৮ জনের।

কলকাতা যেন কুড়ির মুম্বাই, একদিনেই সংক্রমন ২ হাজার ছাড়ালো! রাজ্যে দৈনিক সংক্রমন সাড়ে ৮ হাজার ছুঁয়ে, মহানগরে বড় সভা বাতিল করলেন মমতা 3

যদিও সামান্য স্বস্তি দিয়েছে দৈনিক সুস্থতার সংখ্যা বেড়ে। এক দিনে সুস্থ হয়েছেন ৪,০৫৩ জন। আবার অধিক সংখ্যক আক্রান্ত হওয়ায় অ্যাকটিভ কেসের সংখ্যা বাড়ছে ফলে কমেছে সুস্থতার হার। অ্যাকটিভ কেসের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪৯,৬৩৮। সুস্থতার হার কমে হয়েছে ৯০.৮৮ শতাংশ।

এই পরিস্থিতিতে কলকাতা শহরে বড় সভা করা হবেনা বলে জানিয়ে দিয়েছেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।একটি বেসরকারি টিভিতে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তৃণমূলনেত্রী বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতির যে রকম অবনতি হয়েছে তাতে আমি কলকাতায় আর কোনও বড় সভা করবো না বলে ঠিক করেছি। শুধু ২৬ এপ্রিল বিডন স্ট্রিটে একটা সভা ঘোষণা করা হয়েছে ওটা করবো।’

দেশের করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলার রণনীতি নিয়ে এদিন মোদী সরকারের সমালোচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, ‘দূরদর্শিতার অভাব না হলে এই পরিস্থিতি তৈরি হতো না। গত ৬ মাস ধরে করোনার প্রভাব কম ছিল। তখন প্রস্তুতি নেওয়া হয়নি। ৮০টা দেশকে টিকা সরবরাহ করা হয়েছে। এখন আমাদের কাছেই টিকা নেই, ওষুধ নেই, অক্সিজেন নেই।’ পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী আরও ঘোষণা করেছেন বাইরের রাজ্য থেকে বাংলায় প্রবেশ করতে হলে করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট নিয়েই প্রবেশ করতে হবে।

Previous articleপশ্চিম মেদিনীপুরে ৮০-র নিচে নামছেই না সংক্রমন, খড়গপুরকে ছুঁয়ে মেদিনীপুর! আক্রান্ত শালবনী, গোয়ালতোড়, ঘাটাল, দাঁতন, নারায়নগড়, ডেবরা ও পিংলা
Next articleলকডাউনের আশঙ্কায় ফের বাংলায় ফেরার হিড়িক পরিযায়ী শ্রমিকদের