Homeএখন খবরক্যাপ্টেন' সৌরভকে নিয়ে ফেসবুকে(Facebook) পোস্ট লক্ষ্মীরতনের, নয়া কেমিস্ট্রি খুঁজছেন অভিজ্ঞরা! দাদা কী...

ক্যাপ্টেন’ সৌরভকে নিয়ে ফেসবুকে(Facebook) পোস্ট লক্ষ্মীরতনের, নয়া কেমিস্ট্রি খুঁজছেন অভিজ্ঞরা! দাদা কী তবে টিম সাজাতে শুরু করে দিলেন

তিন্নি দে: নিছকই একটি সাদামাটা ছবি যেখানে দেখা যাচ্ছে ভারতের প্রাক্তন ফার্স্ট বোলারের কাঁধে ভরসার হাত রেখেছেন ভারতীয় ক্রিকেটের প্রাক্তন অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলি। ফেসবুকে (Facebook) সেই পোস্টের নিচে লক্ষ্মীরতন লিখেছেন, ‘প্রকৃত ক্যাপ্টেন শুধু নিজেই খেলেনা, দলের অন্য খেলোয়াড়দেরও খেলার সুযোগ করে দেয়।’ আর এই অতি নির্ভেজাল একটি চিরায়ত উক্তির মধ্যেই যেন একটি প্রায় সম্ভাব্য ইঙ্গিত খুঁজে পাচ্ছেন অভিজ্ঞতা রাজনীতিকরা। গত কয়েকদিনের ঘটনা প্রবাহের সঙ্গে এই পোস্টকে মিলিয়ে তাঁদের ইঙ্গিত পদ্ম শিবিরে প্রবেশের অপেক্ষায় লক্ষী আর সেই শিবিরের নেতা হতে চলেছেন ভারতীয় ক্রিকেটের ‘দাদা’ সৌরভ গাঙ্গুলি।

বৃহস্পতিবার সকালে লক্ষ্মীরতন শুক্লা ফেসবুক (Face book) পেজে পোস্ট নিয়ে গত কয়েকদিনের জিইয়ে থাকা বিতর্কটাকে আরও জোরদার করেছে। খেলার মাঠের পর এবার রাজনীতির ময়দানেও সৌরভ গাঙ্গুলির অধিনায়কত্ব মেনে নতুন ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে চলেছেন লক্ষীরতন এমন জল্পনা আরও জোর মাত্রা পেয়ে গেল রাজনৈতিক মহলে। অনেকেই বলছেন বাকিটা অর্থাৎ বিজেপিতে যোগ দেওয়াটা লক্ষ্মীর জন্য কেবল নির্ঘন্টের অপেক্ষা মাত্র?
ছবিটি লক্ষীকে পাঠিয়েছেন তাঁরই কোনও এক অনুরাগী। সেই অনুরাগীকে ধন্যবাদ জানিয়ে সরাসরি ছবিটি পোস্ট করে দিয়েছেন নিজের ওয়ালে। তারপর ক্যাপশন দিয়ে লিখছেন, “একজন প্রকৃত নেতৃত্ব বা অধিনায়ক শুধু নিজে খেলে না, তার দলকেউ খেলতে সাহায্য করে “। লক্ষ্যণীয় বিষয় ছবিতে দেখা যাচ্ছে সৌরভ গাঙ্গুলী লক্ষীর কাঁধে হাত দিয়ে তার মনোবল বাড়াচ্ছেন ।

পাশাপাশি একই সময় তার আপ্তসহায়ক নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে পোস্ট করেছেন লক্ষ্মীর কন্ঠে একটি পুরনো জনপ্রিয় কিশোর কুমারের গান। ইতিমধ্যে যা নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা । তাহলে কি আগামী দিনে নতুন কোনো চমক দিতে চলেছেন বাংলার প্রাক্তন অধিনায়ক?কারণ সৌরভকে বাংলার মুখ করে রাজ্যে পদ্ম ফোটাতে চায় গেরুয়া শিবির।সৌরভের সঙ্গে নিজের ছবি পোস্ট করে কোন ইঙ্গিত দিলেন লক্ষ্মীরতন শুক্লা?প্রশ্ন চতুর্দিকে।

গত মঙ্গলবার দুপুরে রাজ্যের ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী লক্ষ্মীরতন শুক্লার ইস্তফার খবর ছড়িয়ে পড়ে। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে তিনি ইস্তফা দেন। বেলা গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে জানা যায়, দলের সমস্ত পদ থেকে সরে দাঁড়িয়ে তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়তে চান তিনি। মুখ্যমন্ত্রীকে লেখা ইস্তফাপত্রে লক্ষ্মীরতন জানিয়েছেন যে খেলার জগতে বেশি সময় দিতে চান। এই দলত্যাগের পর হাওড়ার অনেক নেতাই দলের বিরুদ্ধে সোচ্চার হন। বৈশালী ডালমিয়া থেকে শুরু করে রথীন চক্রবর্তীর মতো নেতাদের গলায় শোনা যায় দলবিরোধী সুর। তাঁরা অভিযোগ করেন, দলের অন্দরে থেকেই একাংশ তৃণমূলকে শেষ করে দিচ্ছে। রথীন চক্রবর্তী কাঠগড়ায় তোলেন রাজ্য নেতৃত্বকেও।

লক্ষীর পদত্যাগ হতবাক করে দিয়েছিল তৃনমূলকে। কারও প্রতি কোনও অভিযোগ, কোনোও বিষোদগার করেননি লক্ষী। কোনও বিতর্ক না তুলে সরে এসেছেন মন্ত্রীত্ব এবং দলীয় পদ থেকে। এই রুচিশীলতা এবং নীরবতা বুঝিয়ে দিয়েছে ঘটনার পেছনে একটি গভীর সুচিন্তিত মতামত কাজ করেছে। অনেকেই তাই মনে করছেন মাঠে নামার আগেই দাদা কী তাহলে টিম সাজাতে শুরু করে দিলেন? হওয়াটা অবশ্য অস্বাভাবিক কিছুই নয়, তিনি যে মহারাজ!

RELATED ARTICLES

Most Popular