মেদিনীপুর শহরে আইনজীবীকে খুন করতে গিয়ে ধৃত ইঞ্জিনিয়ার

661
মেদিনীপুর শহরে আইনজীবীকে খুন করতে গিয়ে ধৃত ইঞ্জিনিয়ার 1
মেদিনীপুর শহরে আইনজীবীকে খুন করতে গিয়ে ধৃত ইঞ্জিনিয়ার 2

নিজস্ব সংবাদদাতা :আইনজীবীকে খুন করতে এসে হাতেনাতে ধরা পড়ল বক্রেশ্বর তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উচ্চপদস্থ ইঞ্জিনিয়ার। বাজেয়াপ্ত করা হল একটি ৯ এম এম পিস্তল সহ বারোটি লাইভ কার্তুজ, ভোজালি। ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ালো মেদিনীপুর শহরে।

মেদিনীপুর শহরে আইনজীবীকে খুন করতে গিয়ে ধৃত ইঞ্জিনিয়ার 3

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জানা গিয়েছে,  অনিল কুমার সিনহা নামে বক্রেশ্বর তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের এই ইঞ্জিনিয়ার,বাড়ী ঝাড়গ্রামের শিলদাতে। মেদিনীপুর শহরে  অশোক কুমার মন্ডল নামে এই আইনজীবীর সঙ্গে মঙ্গলবার সকালে দেখা করতে আসে। আইনজীবীর ছেলে সুমন মন্ডল এর সাথে কথা বলতে বলতে হঠাৎই বন্দুক বের করে হামলা চালায় তার উপর। সুমন মন্ডলের চিৎকারে ছুটে আসে তার বাবা অশোক কুমার মন্ডল।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
অশোক বাবুর দাবি, অনিল সিনহা তার ছেলেকে গুলি করার সময় হঠাৎই বন্দুক থেকে খুলে পড়ে ম্যাগাজিন। কিন্তু এতেও ক্ষান্ত না হয়ে ব্যাগ থেকে ভোজালি বার করে সুমন মন্ডল এর উপর আক্রমণ করার চেষ্টা চালায় অনীল সিনহা। এরপর বাবা ও ছেলের চিৎকারে ছুটে আসে প্রতিবেশীরা। সকলে মিলে ওই ইঞ্জিনিয়ার কে ধরে খবর দেয় মেদিনীপুর কোতোয়ালী থানায়। খবর পেয়ে পুলিশ এসে গ্রেপ্তার করে অনিল সিনহাকে।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
প্রসঙ্গত, বিগত বেশ কয়েক বছর ধরেই এক বিবাহ বিচ্ছেদের মামলায় জড়িয়ে অনিল কুমার সিনহার সাথে মনোমালিন্য সৃষ্টি হয় পেশায় আইনজীবী অশোক কুমার মন্ডলের। সেই আক্রোশের জেরেই অনিল কুমার সিনহা মদ্যপ অবস্থায় খুনের চেষ্টা করে বলে প্রাথমিক অনুমান পুলিশের।   যে ধৃতকে মঙ্গলবার মেদিনীপুর আদালতে তোলা হলে বিচারক পাঁচ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেয়।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
অন্যদিকে আচমকা আক্রমণের গুরুতর আহত পেশায় আইনজীবী সুমন মন্ডলও। প্রাথমিক চিকিৎসার পর মেদিনীপুর শহরের বটতলায় নিজের বাড়িতেই রয়েছে সে। ঘটনার পর থেকেই তীব্র আতঙ্কগ্রস্ত এই আইনজীবী পরিবার॥

Previous articleউঠল তাপমাত্রা, বইছে দখিনা বাতাস, বাঙালির প্রেম দিবসে বৃষ্টি কী হচ্ছেই
Next articleআকাশ ভেঙে বৃষ্টি খড়গপুর মেদিনীপুর তমলুক হলদিয়ায়, সরস্বতী বন্দনায় বিব্রত পড়ুয়ারা, শাড়ি পরা হলনা কারও