এখুনি খুলছেনা স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়! মাঝখানে বিধানসভা, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পিছিয়ে জুনে, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

317
এখুনি খুলছেনা স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়! মাঝখানে বিধানসভা, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পিছিয়ে জুনে, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী 1

নিজস্ব সংবাদদাতা : আপাততঃ স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় খোলার কোনও প্রশ্নই নেই বলে জানিয়ে দিলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। রাজ্যের শিক্ষা দপ্তরের একটি সূত্র জানাচ্ছে জানুয়ারি তো দুরস্থ ফেব্রুয়ারি মাসেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলিতে শারীরিক ভাবে উপস্থিত হয়ে পঠন পাঠন সম্ভব হবে কিনা তা নিয়ে সংশয় রয়েছে যথেষ্ট। এই পরিস্থিতিতে উঁচু ক্লাসগুলিতে এখন অন-লাইনই ভরসা। অন্যদিকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা জুন মাসে নেওয়ার প্রক্রিয়া চালু হয়েছে বলে জানালেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তবে কবে কোন পরীক্ষা নেওয়া হবে, সে সংক্রান্ত চূড়ান্ত দিনক্ষণ এখনও কিছু জানা যায়নি। পরবর্তীতে পর্ষদ এবং সংসদের তরফে এই বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি হবে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার দিনক্ষণ নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন পরীক্ষার্থীরা। করোনা আবহে এবার যথেষ্ট প্রভাব পড়েছে পড়াশুনাতেও। সিলেবাস পুরো হয়নি এখনো।
গত মার্চ থেকে করোনার কারণে বন্ধ স্কুল, কলেজ-সহ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। তার ফলে আগামী বছরের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীরা সশরীরে স্কুলে উপস্থিত থেকে মাত্র আড়াই মাস ক্লাস করতে পেরেছিল । ভাইরাসের প্রকোপে একদিনও ক্লাস করার সুযোগ পায়নি উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীরা। কীভাবে সিলেবাস শেষ হবে, তা নিয়েও তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। সিলেবাসের বোঝা কমিয়ে পরীক্ষা নেওয়ার ভাবনাচিন্তার কথাও শোনা গিয়েছে।

এখুনি খুলছেনা স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়! মাঝখানে বিধানসভা, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পিছিয়ে জুনে, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী 2

করোনা পরিস্থিতির মাঝেই গত বছরের মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফলপ্রকাশ হয়। সেই সময় আগামী বছরে কবে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক হবে তার নির্ঘন্টও প্রকাশ করে সংসদ এবং পর্ষদ।

প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ মাসেই মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা নেওয়া হয়। তবে চলতি বছর করোনা ভাইরাসের প্রকোপে কোনও কিছুই নিয়ম মেনে করা সম্ভব হচ্ছে না। যার কারণে ফলপ্রকাশের সময় পরীক্ষা দিনক্ষণও ঘোষণা করা যায়নি।

এদিকে যেমন বছর শেষ হতে চলেছে তেমনি মাঝ বছরের কাছাকাছি বিধানসভা নির্বাচন। ফলে পরীক্ষার সময় সূচি নিয়ে খানিকটা স্বাভাবিকভাবেই দুশ্চিন্তায় পড়ুয়ারা এবং তাদের অভিভাবকরা। এই পরিস্থিতিতে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘোষণায় পড়ুয়া এবং তাঁদের অভিভাবকদের প্রাণে জল এলো।

মঙ্গলবারই কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী রমেশ পোখরিয়াল নিশঙ্ক বোর্ড পরীক্ষার সূচি নিয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে ভারচুয়াল বৈঠকে বসেছিলেন। বৈঠকের পর তিনি জানান, নতুন বছরের প্রথম দিকে কোনও বোর্ড পরীক্ষা নয়। কবে হবে তা পরে ঠিক করবে কেন্দ্র। তবে অনলাইনে আর পরীক্ষা নেওয়া হবে না। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর সিদ্ধান্তেই যেন সায় দিয়েছেন বাংলার শিক্ষামন্ত্রী।