Homeএখন খবরদিঘার হোটেলে সামনে হাত বাঁধা মা ঝুলছে ফাঁসিতে, চার বছরের ছেলে মোবাইলে...

দিঘার হোটেলে সামনে হাত বাঁধা মা ঝুলছে ফাঁসিতে, চার বছরের ছেলে মোবাইলে গেম খেলতেই ব্যস্ত

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা: বুধবার সকাল সাড়ে আটটায় নিজের হোটেলের ১০৫নম্বর রুমের সামনে দাঁড়িয়ে অনেকক্ষন ডাকাডাকির পরও ভেতর থেকে দরজা না খোলায় হোটেল মালিক দরজায় ঠেলা দিতেই খুলে যায় ভেজানো দরজা আর সেই দরজার চৌকাট পেরিয়ে মালিক দেখলেন মা ঝুলছে,  গলায় ওড়নার ফাঁস আর চার বছরের ছেলে মোবাইলে গেম খেলছে।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
বুধবার দিঘার মহাপ্রভূ হোটেলের এই দৃশ্য শুধুই হোটেল মালিক নয় নাড়িয়ে দিয়েছে পুলিশকেও। কারন মাত্র ১৯বছরের যে তরুণী ফাঁসিতে ঝুলছে তাঁর হাত দুটি সামনের দিকে এনে বাঁধা হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় হুগলির ডানকুনি থেকে আসা ওই তরুনীর সঙ্গে চার বছরের ছেলে ছাড়া সঙ্গে কেউই ছিলনা বলে জানিয়েছেন হোটেল মালিক চন্দন জানা।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
খুবই ছোট হোটেল। মালিক জানালেন ছেলে কোথাও ঘুরতে পায়না বলেই তাকে নিয়ে দিঘা বেড়াতে এসেছেন বলে দাবি করেছিলেন মৃতা পিয়ালি দেঁড়ে। প্রশ্ন হল তাহলে পিয়ালিকে খুন করল কে। ‘ঘটনা যে খুন এব্যাপারে কোনও সন্দেহ নেই।  হাত বেঁধে কেউ গলায় দড়ি দিতে পারেনা। চার বছরের ছেলে খুন করবেনা মাকে । তাছাড়া দরজা ভেজানো ছিল। তার মানে তৃতীয় ব্যক্তি এখানে ছিল।’ জানালেন এক পুলিশ অফিসার।

Add caption

হোটেলে কোনও সিসিটিভি ক্যামেরা নেই। কে এসেছিল বোঝার উপায় নেই। আর মাকে ঝুলতে দেখে চারবছরের দেবজ্যোতি নির্বিকার কেন? ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ একটা জিনিস জানতে পেরেছে যে পিয়ালি আর দেবজ্যোতি একা নয় তাদের সাথে সাথে অন্য কেউ এসেছিল আড়ালে এবং সে অন্য জায়গায় ছিল।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
পিয়ালির এবং দেবজ্যোতির পরিচিত সেই ব্যক্তি মধ্যরাতে হোটেলে আসে এবং পিয়ালি তাকে দরজাও খুলে দেয়। তারপর সম্ভবত দেবজ্যোতি ঘুমিয়ে পড়ার পর এই ঘটনা ঘটে। ঘুম ভেঙে বিষয়টি দেখে ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেছে চারবছরের শিশু যার ফাঁসির অভিজ্ঞতা নেই।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
পুলিশও তেমনটাই ভাবছে। কাঁথি মহকুমা পুলিশ অধিকারিক অভিষেক চক্রবর্ত্তী জানান, ‘আমরা খবর পেয়েছি গতকাল দিঘাতে ওই মহিলার স্বামীও ছিলেন। বাকিটা তদন্তে বের হবে।’ শিশুটির সঙ্গে কথা বলছে পুলিশ। 

Advertisement

Advertisement

RELATED ARTICLES

Most Popular