স্বামী-স্ত্রীর বিবাদ শুনে আটকাতে গেল প্রতিবেশীরা, দরজার সামনে গৃহবধূর কাটা মাথা দেখে আতঙ্কে স্থানীয়রা

246

ওয়েব ডেস্ক : স্বামীর সাথে নিত্য অশান্তি,মারামারি! রবিবারও তার অন্যথা হল না। সারারাত অশান্তির আওয়াজ কানে আসে প্রতিবেশীদের৷ এরপর ভোর রাতে প্রতিবেশীরা ঝগড়া থামাতে গিয়ে দেখেন দরজার সামনে পড়ে রয়েছে গৃহবধূর কাটা মাথা। পাশে পড়ে রয়েছে দেহ। সারা ঘরে রক্তের বন্যা বইছে। সোমবার ভোররাতে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে তিলজলায়। জানা গিয়েছে, মৃতা বছর ৩৭ এর নাজনিন বেগম। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়৷ স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে খুনের ঘটনায় ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত স্বামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতের নাম মহম্মদ সেলিম।

আরও পড়ুন -  ত্রাণে তহবিলে ৮৭০০০ টাকা দিল শ্যামসুন্দর পাটনা স্কুল

ঘটনায় স্থানীয়দের তরফে জানা গিয়েছে, বহুদিন যাবৎ ওই গৃহবধূর স্বামী মহম্মদ সেলিমের বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে। সে কারণে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রতিদিনই ঝগড়া বিবাদ লেগেই থাকতো। এমনকি গৃহবধূকে মারধরও করতো সেলিম। অনেক চেষ্টা করেও স্বামীকে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক থেকে বের করতে পারেনি নাজনিন বেগম। সেকারণে যত দিন গেছে সম্পর্ক আরও তলানিতে ঠেকেছে৷ এর জেরেই খুন বলেই মনে করছেন এলাকার বাসিন্দারা। এদিকে ঘটনায় গৃহবধূর পরিবারের অভিযোগ, নাজনিন বেগমকে নিয়মিত অত্যাচার করতো স্বামী মহম্মদ সেলিম। সেলিমই তাদের মেয়েকে খুন করেছে। পাশাপাশি মহম্মদ সেলিমের উপযুক্ত শাস্তির দাবি করেছেন মৃতার পরিবার।

এদিকে স্ত্রীকে খুন করে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান সেলিম। অনেক খোঁজাখুঁজির পর শেষমেশ সোমবার সকালে তাকে নারকেলডাঙা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে তিলজলা থানার পুলিশ৷ খুনের ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে তিলজলা থানা। তবে ইতিমধ্যেই সেলিমকে জেরা করে জানা গিয়েছে, গত রাতে স্ত্রী নাজনিন বেগমের কাছে টাকা ও গয়না চেয়েছিলেন সেলিম। কিন্তু তা দিতে রাই হননি নাজনিন। এরপরই তাঁর সাথে তুমুল ঝামেলা শুরু হয়। এরপির রাগের বসে ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্ত্রীর গলায় কোপ বসিয়ে ধর থেকে আলাদা করে দেয় সেলিম। ঘটনায় ইতিমধ্যেই খুনে ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্রটি উদ্ধার করা হয়েছে।

স্বামী-স্ত্রীর বিবাদ শুনে আটকাতে গেল প্রতিবেশীরা, দরজার সামনে গৃহবধূর কাটা মাথা দেখে আতঙ্কে স্থানীয়রা 1