৩৬৫ দিনই দেশের এই মন্দিরে পুজো হয় নেতাজীর! হ্যাঁ, এই বাংলাতেই রয়েছে সেই মন্দিরের ঠিকানা

438
৩৬৫ দিনই দেশের এই মন্দিরে পুজো হয় নেতাজীর! হ্যাঁ, এই বাংলাতেই রয়েছে সেই মন্দিরের ঠিকানা 1
৩৬৫ দিনই দেশের এই মন্দিরে পুজো হয় নেতাজীর! হ্যাঁ, এই বাংলাতেই রয়েছে সেই মন্দিরের ঠিকানা 2

নিউজ ডেস্কঃ জলপাইগুড়ি: নেতাজীর ১২৫তম জন্মজয়ন্তীকে কে ক্যাশ করবে তাই নিয়ে যা চলছে তা বোধহয় আম বাঙালির বোঝার আর উপায় নেই। বিশেষ করে ২৩শে জানুয়ারি ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালে যা হয়ে গেল! নিন্দুকেরা অবশ্য বলছে ২০২১শের নির্বাচনটা না থাকলে নেতাজী নিয়ে এমন দড়ি টানাটানি বাঙালিকে দেখতে হতনা। কিন্তু বাঙালির গর্বের কারন হয়ে রয়ে গেছে এমন একটা মন্দির যেখানে অন্য দেবদবীর সাথে ৩৬৫ দিনই নেতাজীর পুজো হয়!

হ্যাঁ এরমই এক মন্দির রয়েছে জলপাইগুড়ি শহরের অন্দরে। সেই মন্দিরে ভগবান হনুমান ও অন্যান্য দেবদেবীর সঙ্গে একই বেদীতে পূজিত হন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু। জলপাইগুড়ি শহরের মাশকলাইবাড়ি এলাকার একটি হনুমান মন্দিরে বিভিন্ন দেবদেবীর সঙ্গে পূজিত হন দেশনায়ক সুভাষচন্দ্র বসু। গত ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চলে আসা এই রীতি আজও অটুট রয়েছে এই মন্দিরে।

৩৬৫ দিনই দেশের এই মন্দিরে পুজো হয় নেতাজীর! হ্যাঁ, এই বাংলাতেই রয়েছে সেই মন্দিরের ঠিকানা 3

স্থানীয়দের মধ্যে একাংশ সূত্রে খবর, ১৯৬৬ সালে জলপাইগুড়ি মাশকলাইবাড়ি শ্মশান সংলগ্ন এলাকায় এসেছিলেন এক সাধু এবং সেই অঞ্চলে নির্মান করেন একটি মন্দিরের। সেই মন্দিরের পাশেই একটি ঘরে থাকতেন তিনি। তাঁর হাত ধরে এই হনুমান মন্দির স্থাপিত হয় এবং ভগবান হনুমানের পাশাপাশি অন্যান্য দেবদেবীর সঙ্গে নেতাজির মূর্তি বসিয়ে বছরভর পুজো করতেন তিনি। সেই নিয়ম আজও অব্যাহত রয়েছে।মন্দিরের পুরোহিত অর্জুন দাস বলেন, ‘এই মন্দিরে সারাবছরই দেবদেবীর সাথে নেতাজির পুজো দেওয়া হয়। প্রতিদিন মানুষ এসে এখানে পুজো দেয়।’

আর জলপাইগুড়ি নেতাজী সুভাসচন্দ্র বোস ফাউন্ডেশনের সম্পাদক গোবিন্দ রায় বলেন, ‘নেতাজিকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ ঈশ্বর জ্ঞানে পুজো করেন। কিন্তু রাজ্যে বিরল এই মন্দির। এখানে ৩৬৫ দিনই পুজো পান নেতাজি। মানুষের এই ভাবাবেগকে সম্মান জানাতেই হবে।’ না, নেতাজী পুজোর মন্ত্র অবশ্যই নেই কিন্তু যে ভালোবাসা দিয়ে নেতাজীর নিত্য পুজো হয় তার জন্য বলাবাহুল্য মন্ত্রের প্রয়োজন কী, তাইনা?