‘নো এন্ট্রি’ বহাল রাখলো আদালত, পুনর্বিবেচনাতেও অখুশী পুজো উদ্যোক্তারা

250
'নো এন্ট্রি' বহাল রাখলো আদালত, পুনর্বিবেচনাতেও অখুশী পুজো উদ্যোক্তারা 1

ওয়েব ডেস্ক : করোনা আবহে দূর্গাপুজো নিয়ে গত সোমবারই কলকাতা হাইকোর্টের তরফে রায় ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু হাইকোর্টের রায়ে খুশি নয় কলকাতার পুজো কমিটিগুলি৷ এর জেরে ফোরাম ফর দুর্গোৎসবের তরফে রায়ের পুনর্বিবেচনার জন্য বুধবারই হাইকোর্টে আবেদন করা হয়েছে। এদিনই সেই রায় ঘোষণা করেন কলকাতা হাইকোর্ট। এদিন দুর্গা পুজোয় মণ্ডপে প্রবেশের ক্ষেত্রে রায়ে সামান্য পরিবর্তন করল কলকাতা হাইকোর্ট৷ তবে সাধারণ দর্শকদের মণ্ডপে প্রবেশ নিয়ে আগের রায়ই বহাল রাখল আদালত।

এদিনও হাইকোর্টের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়, সাধারণ দর্শনার্থীদের মণ্ডপে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না৷ একই সাথে জারি থাকছে নো এন্ট্রি সংক্রান্ত নির্দেশিকাও৷ এ দিন হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের তরফে মণ্ডপের ভিতরে পুজোর উদ্যোক্তা এবং পুজোর রীতি আচার পালনের সঙ্গে যুক্তদের প্রবেশাধিকারে কিছু পরিবর্তন করা হয়েছে৷

'নো এন্ট্রি' বহাল রাখলো আদালত, পুনর্বিবেচনাতেও অখুশী পুজো উদ্যোক্তারা 2

এদিন আদালতের তরফে জানানো হয়েছে, বড় মণ্ডপের ভিতরে পুজোর আয়োজনের ক্ষেত্রে মণ্ডপের ভিতরে সর্বাধিক ৬০ জন সদস্য ঢুকতে পারবেন৷ তবে সেক্ষেত্রে একসঙ্গে মণ্ডপের ভিতরে ৪৫ জনের বেশি কোনোমতেই থাকতে পারবেন না৷ পাশাপাশি ছোট মণ্ডপের ক্ষেত্রে সর্বাধিক ২৫ জন সদস্য মণ্ডপের ভিতরে ঢুকতে পারবেন৷ এক্ষেত্রেও একসঙ্গে ১০ জনের বেশি সদস্য একসঙ্গে ভিতরে থাকতে পারবেন না৷ তবে এদিন হাইকোর্টের তরফে জানানো হয়, পুজো মণ্ডপের ভিতরে ঢাকিরা থাকতে পারে। এক্ষেত্রে কোনো নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়নি।

আরও পড়ুন -  খড়গপুরে বেড়েই চলেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, এবার পরিচারিকা সূত্রে সংক্রমনের দাবি

প্রসঙ্গত, বাংলায় দূর্গাপুজো নিয়ে সম্প্রতি পুজো বন্ধ রাখার দাবি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়। সোমবার সেই মামলারই শুনানি ছিল। এদিন দুপুর ২ টো নাগাদ মামলার রায়ে রাজ্যের প্রতিটি পুজোমণ্ডপে ‘‌নো এন্ট্রি’‌ বোর্ড ঝোলানোর নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। পাশাপাশি, আরও জানানো হয়, করোনা আবহে এবছর প্রতিটি মণ্ডপ কন্টেনমেন্ট জোন করা হবে। সে অনুযায়ী, মণ্ডপগুলির বাইরে ব্যারিকেড দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, একই সাথে ছোট ও বড়ো মণ্ডপ নির্বিশেষে মণ্ডপের বাইরে ‘নো এন্ট্রি’ বোর্ড ঝুলিয়ে দিতে হবে। ছোট মণ্ডপের ক্ষেত্রে ৫ মিটার দূরত্বে ঝোলাতে হবে ‘‌নো এন্ট্রি’‌ বোর্ড আর বড় মণ্ডপের ক্ষেত্রে সেই দূরত্ব হবে ১০ মিটার। অর্থাৎ করোনা পরিস্থিতিতে দর্শনার্থীরা কোনোভাবেই যাতে মণ্ডপের ভেতরে প্রবেশ করতে না পারে সেই ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। সুতরাং মণ্ডপসজ্জা কিংবা প্রতিমা দর্শন এবছর সবটুকুই করতে হবে চিহ্নিত ব্যারিকেডের বাইরে থেকে।