দিল্লিতে আন্দোলনরত কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে যাচ্ছে ওড়িশা, তাঁদের পাশে দাঁড়াল ‘খাতির-এ-খড়গপুর’

240
দিল্লিতে আন্দোলনরত কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে যাচ্ছে ওড়িশা, তাঁদের পাশে দাঁড়াল 'খাতির-এ-খড়গপুর' 1

দিল্লিতে আন্দোলনরত কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে যাচ্ছে ওড়িশা, তাঁদের পাশে দাঁড়াল 'খাতির-এ-খড়গপুর' 2 নিজস্ব সংবাদদাতা: দিল্লীর রাজপথে দেড় মাসেরও বেশি সময় ধরে বসে রয়েছে লক্ষ লক্ষ কৃষক। সদ্য পাশ হওয়া তিনটি কৃষি বিল প্রত্যাহারের দাবিতে চলছে শান্তিপূর্ণ বিদ্রোহ। স্বাধীন ভারতের সর্বাপেক্ষা শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পাশে পৃথিবীর কয়েকটি দেশ যেমন দাঁড়িয়েছে তেমনই পাঞ্জাব আর হরিয়ানার পাশে এখন মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, রাজস্থানের কৃষকরা। এবার সেই কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে চলেছে ওড়িশা।

দিল্লিতে আন্দোলনরত কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে যাচ্ছে ওড়িশা, তাঁদের পাশে দাঁড়াল 'খাতির-এ-খড়গপুর' 3

প্রায় সাড়ে তিনশ ওড়িশাবাসী কৃষক অথবা কৃষক আন্দোলনের নেতৃত্ব চলেছেন দিল্লির পথে। শুক্রবার মধ্যরাতে সেই দলটি খড়্গপুর শহর ৬০ নম্বর জাতীয় সড়কে এসে পৌঁছানোর পরই তাঁদের জাতীয় সড়ক লাগোয়া গুরুদুয়ারায় নিয়ে এসেছিলেন খড়গপুর শহরের মানুষ। রাতে তাঁদের খাবার ইত্যাদি প্রদানের পর বিশ্রামের ব্যবস্থা করা হয়। গুরুদুয়ারা কমিটির সদস্যদের পাশাপাশি তাঁদের অভ্যর্থনা জানান বিভিন্ন সংগঠন। কয়েক জনের হাতে তুলে দেওয়া হয় শীতের কম্বল। খড়গপুর শহরের বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও ব্যাক্তিগত ভাবে এই ঐতিহাসিক কৃষক আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে অর্থও তুলে দেন।

দিল্লিতে আন্দোলনরত কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে যাচ্ছে ওড়িশা, তাঁদের পাশে দাঁড়াল 'খাতির-এ-খড়গপুর' 4

দিল্লিতে আন্দোলনরত কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে যাচ্ছে ওড়িশা, তাঁদের পাশে দাঁড়াল 'খাতির-এ-খড়গপুর' 5এই উদ্যোগে শহরের নিমপুরা ও খরিদা গুরুদুয়ারের সদস্যরা যেমনছিলেন তেমনি ছিলেন আমরা বামপন্থীর সদস্য সদস্যরা। শনিবার সকালে দিল্লিগামী এই দলটি মারফৎ দিল্লির কৃষকদের প্রতি অভিনন্দন ও সহমর্মিতা জানানোর বার্তা পৌঁছে দিতে ওড়িশা থেকে আগত কৃষকদের সঙ্গে একটি প্রতীকি পদযাত্রায় পা মেলান। খড়গপুর শহরের পরিচিত বাম মুখ অনিল দাস ছাড়াও ‘আমরা বামপন্থী’দের দলটি ছিলেন মনোজ ধর, প্রদীপ ধর প্রমুখরা। দিল্লিগামী প্রতিটি মানুষকেই লাল গোলাপ দিয়ে আন্তরিক অভ্যর্থনা জানানো হয়। অনিল দাস জানান, ভারতের গন আন্দোলনের ইতিহাসে এক নজিরবিহীন দলিল হয়ে যাবে কৃষকদের এই আন্দোলন। আমরা দুরে থাকলেও ইতিহাস পিছিয়ে যাবেনা। শনিবার ফের তাঁদেরকে বাসে তুলে দিতেও গেছিলেন বহু মানুষ।

খড়গপুর শহরের বাংলাভাষী মানুষদের পাশাপাশি পাঞ্জাবি, তেলেগু, ওড়িশা ভাষাভাষি মানুষেরাও হাজির হয়েছিলেন এই সম্বর্ধনা সভায়। খড়গপুর শহরবাসীদের এই খাতির তাঁদের চলার পথকে আরও প্রাঞ্জল করে দিল বলে জানিয়েছেন ওড়িশার আন্দোলনকারীরা।  তাঁরা বলেন, ‘আমরা অভিভূত খড়গপুরবাসীর এই ভূমিকায়। খড়গপুর যে আক্ষরিক অর্থে মিনি ভারত তা আমরা আগেও শুনেছি। আজ আমরা তা হাতে কলমে দেখতে পেলাম। খড়গপুর বাসীকে আমরা। এই আতিথেয়তা আমরা কোনও দিন ভুলতে পারবনা। এরপরই দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে যায় ওড়িশা থেকে আগত দলটি।

 

Previous articleআজকের রাশিফল, ১৭ই জানুয়ারি’২০২১
Next articleধরিত্রীর জন্মদিনে সম্মানিত খড়গপুর গর্ব বিভূ কানুনগো! খড়গপুরকেই সম্মানিত করলেন মাইকেল তরুণ