করোনা যুদ্ধে গর্বের স্বর্ণ পালক পশ্চিম মেদিনীপুর পুলিশের মুকুটে! স্কচ স্বর্ণ ( SKOCH GOLD Award) পদকে ভূষিত পুলিশ সুপার দীনেশ কুমার

730
করোনা যুদ্ধে গর্বের স্বর্ণ পালক পশ্চিম মেদিনীপুর পুলিশের মুকুটে! স্কচ স্বর্ণ ( SKOCH GOLD Award) পদকে ভূষিত পুলিশ সুপার দীনেশ কুমার 1

নিজস্ব সংবাদদাতা: দেশের জাতীয় পুরস্কার গুলির মধ্যে অন্যতম সেরা পুরস্কার এল পশ্চিম মেদিনীপুরের জন্য। করোনা যুদ্ধে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য স্কচ স্বর্ণ পদক বা SKOCH GOLD Award ভূষিত হলেন পশ্চিম মেদিনীপুর পুলিশ সুপার দীনেশ কুমার। দীর্ঘ সাত মাস ব্যাপী করোনার বিরুদ্ধে নিবিড় সংগ্রামে ( “Response to COVID-19”) রত পশ্চিম মেদিনীপুর।

পুলিশ সুপার দীনেশ কুমারের নেতৃত্বে এই দীর্ঘ লড়াইয়ের বৃহত্তম অংশই ছিল ভিন রাজ্য থেকে ফেরা পরিযায়ী শ্রমিকদের কোয়ারেন্টাইন করা এবং তাঁদের আশ্রয় ও খাদ্যের সংস্থান করা। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশ প্রায় ৭৫ হাজার পরিযায়ী শ্রমিকের জন্য এই ব্যবস্থা করে ছিল।
জেলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছড়িয়েছে কয়েক হাজার। এই বিপুল সংখ্যক মানুষকে এক সময় বাড়ি থেকে নিয়ে গিয়ে হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা এলাকায় এলাকায় কন্টেনমেন্ট জোন তৈরি করা আর তার পাশাপাশি লকডাউন বলবৎ করা ইত্যাদি একই সঙ্গে বহুবিধ কাজ সফলতার সঙ্গে করেছে পশ্চিম মেদিনীপুর পুলিশ।

করোনা যুদ্ধে গর্বের স্বর্ণ পালক পশ্চিম মেদিনীপুর পুলিশের মুকুটে! স্কচ স্বর্ণ ( SKOCH GOLD Award) পদকে ভূষিত পুলিশ সুপার দীনেশ কুমার 2

আর তারই পাশাপাশি চলেছে শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার বিষয়টি। পুলিশের প্রথা মাফিক কাজের বাইরে গিয়ে করোনা যুদ্ধে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই দক্ষতা আর নিমগ্নতার পাশাপাশি সঙ্কটকালীন অবস্থায় করোনা আক্রান্ত মানুষকে সাহায্য করা, সংক্রমন রুখতে সাহায্য করা ইত্যাদি নানাবিধ ভূমিকার জন্যই সারা দেশের মধ্যে ‘করোনা বিষয়ক বা “Response to COVID-19” বিষয়ক এই পুরস্কারটি এসেছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশের ঝুলিতে।

আরও পড়ুন -  রাজ্য সরকারের নয়া সিদ্ধান্ত, এবার থেকে করোনা সন্দেহ মৃতদেহ তুলে দেওয়া হবে পরিবারের হাতে

উল্লেখ্য বিভিন্ন বিভাগে এই SKOCH GOLD পুরস্কার প্রদান করা হয়ে থাকে যার মধ্যে মূল বিষয়টি হল সরকারের পদাধিকারী, সরকারি কর্মচারী এবং সরকারের বিভিন্ন বিভাগ মানুষের জীবন যাত্রার মানে মৌলিক এবং গুনগত কী পরিবর্তন আনতে সক্ষম হয়েছে সেই বিচারে। পুস্করারের জন্য মনোনীত হওয়ার পর প্রথমে জুরিরা এটিকে পর্যায়ে উন্নীত করেন তারপর বিভিন্ন পর্যায়ের মধ্যে শেষে চলে জনগনের ভোট দান প্রক্রিয়া।

আরও পড়ুন -  ভোট পায় শাসক, বাঁধ পায়না মানুষ! ৭ বছরে ১১বার বানভাসি দাসপুরের রাজনগর-নাড়াজোল

অনলাইন এই ভোট দান প্রক্রিয়া এ বছরের ২৫ শে সেপ্টেম্বর শেষ হয়। তারপর সব মিলিয়ে চূড়ান্ত ফল যাতে জয়ী হয়ে এই পুরস্কার ছিনিয়ে নিয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুর পুলিশ তথা পুলিশ সুপার দীনেশ কুমার। বৃহস্পতিবার এক বার্তায় পশ্চিম মেদিনীপুরের জনগনকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন শ্রী কুমার। সর্বভারতীয় এই পুরস্কার আসার খবরে উচ্ছাসে ফেটে পড়েছেন জেলার পুলিশ কর্মী থেকে আধিকারিক সবাই।