লোকাল ট্রেন চালু নিয়ে রাজ্য-রেল বৈঠকের আগেই ফের যাত্রী বিক্ষোভ বৈদ্যবাটি, শেওড়াফুলিতে! ধুন্ধুমার হুগলির একাধিক স্টেশনে

268
Advertisement

ওয়েব ডেস্ক : গত শনিবার লোকাল ট্রেনে চড়া নিয়ে ধুন্ধুমার পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল হাওড়া স্টেশনে৷ সেই ঘটনার পর ট্রেন চালু নিয়ে সোমবার বিকেলে নবান্নে রেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন রাজ্য সরকার। এদিকে সোমবার বৈঠকে বসার আগেই এদিন সকালে ফের স্টাফ স্পেশ্যাল ট্রেনে চড়ার দাবিতে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে হাওড়া শাখার রিষড়া, বৈদ্যবাটি, শেওড়াফুলি সহ একাধিক স্টেশন। এদিন সাতসকালে প্রথমে বৈদ্যবাটি স্টেশনের রেললাইনে গাছের গুঁড়ি, স্লিপার ফেলে প্রথম যাত্রীরা ট্রেন অবরোধ করে যাত্রীরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। এদিকে এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই মূহুর্তে শেওড়াফুলি ও রিষড়া স্টেশনেও যাত্রীরা বিক্ষোভ শুরু করেন।

Advertisement

এদিকে বৈদ্যবাটি স্টেশনে অবরোধ চলাকালীন বিক্ষোভকারীরা জিটি রোডে উঠে পথ অবরোধ করেন। এর জেরে স্বাভাবিকভাবেই রাস্তায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। একেই সপ্তাহের প্রথমদিন, তারওপর পথ অবরোধের জেরে নাজেহাল হতে হয় সাধারণ মানুষকে। এদিকে ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই আরপিএফ এর বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। কিন্তু আদতে কোনো লাভ হয়নি। ৩ ঘণ্টার বেশি কেটেও গেলেও কোনোভাবেই বিক্ষোভ থামানো সম্ভব হয়নি। এদিকে সোমবার বিকেলে লোকাল ট্রেন চালুর বিষয়ে নবান্নে বৈঠক শুরু হওয়ার আগেই এদিন রিষড়া স্টেশনে যাত্রী বিক্ষোভে ‘‌মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হায় হায়’ আওয়াজ তোলে বিক্ষোভকারীরা।

Advertisement
Advertisement

প্রসঙ্গত, শনিবার সন্ধেয় স্টাফ স্পেশ্যাল ট্রেনে চড়তে প্রচুর সংখ্যক যাত্রী হাওড়া স্টেশনে উপস্থিত হন। কিন্তু তাঁরা স্টেশনে ঢুকতে গেলে বাধা দেয় রেলপুলিশ। এতে রেগে যান যাত্রীরা। প্রায় কয়েকশো যাত্রী বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। ভাঙার চেষ্টা করা হয় গেট। রীতিমতো রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় স্টেশন চত্ত্বর। এদিন যাত্রীরা বিক্ষোভ দেখিয়ে প্রশ্ন তোলেন, রেলকর্মীরা প্রচুর টাকা মাইনে পাওয়া সত্ত্বেও যদি স্টাফ স্পেশালের সুবিধা পান তবে সাধারণ মানুষ যারা দিন আনে দিন খায়, তাদের কেন ট্রেনে উঠতে দেওয়া হচ্ছে না। এদিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতেই আচমকা লাঠিচার্জ শুরু করে জিআরপি। সেসময় বিক্ষুব্ধ জনতা পুলিশের লাঠি কেড়ে নিয়ে পাল্টা পুলিশের দিকে লাঠি ছুঁড়ে মারে।