কঠিন লড়াই জিতে পুরো টিমকেই ১মাসের সবেতন ছুটি উপহার পিকে স্যারের! পরের লড়াই পাঞ্জাবে

79
Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা: পুরো ১মাস লম্বা ছুটি তাও আবার সবেতন! হ্যাঁ নিজেদের অফিসিয়াল মেলে এমনই গ্রিটিংস পাঠিয়েছেন পি.কে স্যার। স্বভাবতই বেজায় খুশি আইপ্যাকের কর্মীরা। লড়াইটা শুরু হয়েছিল ২০১৯ শেষের দিকে। কেউ কেউ জয়েন করেছেন ২০২০তে কিন্তু যে যখনই জয়েন করুক না কেন লড়াইটা করতে হয়েছে টানা আর সেই লড়াইয়ের শেষ এমন মারকাটারি জয়। স্বভাবতই পুরষ্কার তো সবারই একটা পাওনা ছিল আর সেটাই তুলে দিলেন প্রশান্ত কিশোর, আপাতত ১ মাস পকেটে বেতন নিয়ে লম্বা ছুটি। আপাতত নো বিধাননগর, নো ক্যামাক স্ট্রিট।

Advertisement

হ্যাঁ রাজ্য রাজধানীতে টিম পিকে বা আইপ্যাকের সেই দুটি অফিস বিধাননগর আর ক্যামাক স্ট্রিটে আপাতত ১মাস ব্যস্ততার দিনগুলো কিছুদিনের বন্ধ। কাঁটায় কাঁটায় ঘড়ি ধরে আসা আর পিকে স্যারের ফর্মুলা মেনে টাস্ক তৈরি করা, টাস্ক দেওয়া আর মিলিয়ে নেওয়া। এখান থেকেই ফোন করে জনতার সঙ্গে বেশি বাড়াবাড়ি করা তৃনমূল নেতাদের সতর্ক করে দেওয়া। কোথায় কোন নেতার বিরুদ্ধে জনমত তৈরি হচ্ছে, কেন হচ্ছে সব নজরে রাখা আর ডে-টু-ডে সবার রিপোর্ট কালীঘাটে অথবা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে পাঠানো। না, আপাতত ওসব নেই। ২০২১সালে তৃনমূলকে বিধানসভায় জিতিয়ে আনার চুক্তি শেষ।

Advertisement
Advertisement

এখন ইতিহাস ২০১৯ সালের লোকসভার ভোটে তৃণমূলের ভরাডুবির অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগেই মমতা তৃণমূলের পরামর্শদাতা হিসেবে নিয়োগ করেন পিকে-কে। পি.কের প্রথম প্রোডাক্ট ২৯ জুলাই নজরুল মঞ্চে ওপেনিং হল, ‘দিদিকে বলো’। এরপর বিধাননগর ও ক্যামাক স্ট্রিট থেকে বেরিয়েছে ‘বাংলার গর্ব মমতা’ কিংবা নির্বাচনের ঠিক আগে ‘বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়।’ অবশ্য শুধু এই দুটি অফিসই নয়, গত দু’বছর ধরে আইপ্যাকের পাঁচশতাধিক ছুটে বেড়িয়েছেন শহর থেকে গ্রামে।

চুনোপুঁটি নেতা থেকে মাঝারি হয়ে হাই প্রোফাইল নেতা অবধি আইপ্যাকের কর্মীদের ভয় করতেন। কারন খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিজস্ব বাহিনী হিসাবে কাজ করে গেছে টিম পিকে। আপাতত সেই কাজে ছুটি। ভোট গননার একদিন পর মঙ্গলবার থেকেই শুরু হয়ে গেছে ছুটি। তবে অনেকেরই আফসোস করোনা আবহে এই ছুটিটা ঠিক মত এনজয় করতে পারবেননা বলে। কেউ কেউ অবশ্য কাছে পিঠে দিঘা, শংকরপুর মন্দারমনি প্ল্যান করছেন বলে জানিয়েছেন দ্য খড়গপুর পোষ্টকে।

২০১৯ সালের উপনির্বাচন থেকে কাজ করছেন এমন একজন সিনিয়র এক্সিকিউটিভ জানালেন, ” স্যারের সঙ্গে ইতিমধ্যেই চুক্তি হয়েছে পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী কংগ্রেস নেতা অমরেন্দ্র সিংয়ের। এদিকে স্যার তো বলেই দিয়েছেন অন্য প্রোজেক্ট নিয়ে কাজ করবেন। তবে আমাদের হয়ত যেতেই হচ্ছে চন্ডীগড়। তার আগে এক মাসের ছুটিটা ভালোভাবে কাটাতে চাই। তবে সত্যি কথা বলতে কী বাংলার জয় লড়াইটা অনেক সহজ করে দিল।”